বুরাইদের আন্তর্জাতিক খেজুর কার্নিভ্যালে আল-কাসিম অঞ্চলের ১০০টিরও বেশি খেজুরের জাত প্রদর্শিত হয়েছে, যার মধ্যে বিরল জাতগুলো তাদের আকার, স্বাদ এবং রঙের জন্য বিশেষজ্ঞ ও কৃষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, প্রদর্শিত বিরল জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে নাবাতাত সাইফ, নাবাতাত আলি, আল-হালওয়া, আল-ওয়ানাানা, আল-মাকতুমিয়, আল-হুদরি, আর-রুতানা এবং আস-সাফাবি।
এই কার্নিভ্যালটি খেজুরের কৃষি ও সাংস্কৃতিক-ঐতিহাসিক মূল্য প্রদর্শনের পাশাপাশি কৃষক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে চাষাবাদ, যত্ন, সংরক্ষণ এবং বিপণন বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দিচ্ছে।
বাজারের এই বৈচিত্র্য আল-কাসিম অঞ্চলের খেজুর গাছের জেনেটিক বৈচিত্র্য রক্ষা এবং উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ খাতের উন্নয়নে সহায়ক হবে। এই উদ্যোগটি কৃষি খাতের উন্নয়নে ভিিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বুরাইদে কোন কোন বিরল খেজুর প্রদর্শিত হয়েছে? কার্নিভ্যালে নাবাতাত সাইফ, নাবাতাত আলি, আল-হালওয়া, আল-ওয়ানাানা, আল-মাকতুমিয়, আল-হুদরি, আর-রুতানা এবং আস-সাফাবি সহ ১০০টিরও বেশি জাত প্রদর্শিত হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এই জাতগুলো তাদের বিশেষ আকার, স্বাদ ও রঙের জন্য পরিচিত।
এই কার্নিভ্যালের মূল উদ্দেশ্য কী? কার্নিভ্যালটির উদ্দেশ্য হলো বিরল খেজুরের জাতগুলোর কৃষি ও সাংস্কৃতিক-ঐতিহাসিক মূল্য প্রচার করা। এটি কৃষক ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে চাষাবাদ, যত্ন, সংরক্ষণ এবং বিপণন বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ প্রদান করে।
এই প্রদর্শনী আল-কাসিম অঞ্চলের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ? এটি আল-কাসিম অঞ্চলের খেজুর গাছের জেনেটিক বৈচিত্র্য এবং কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ খাতের উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।