বিশ্বের শীর্ষ ১০০ উদ্ভাবন ক্লাস্টারের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে রিয়াদ, যা ২০২৬ সালের গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে। এই বিশেষ শ্রেণিতে স্থান পাওয়া একমাত্র উপসাগরীয় শহর হিসেবে রিয়াদ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, রিয়াদ বিশ্বব্যাপী ৯২তম স্থান অর্জন করেছে। এই অর্জনের পেছনে মূল সূচক হিসেবে ৪১৯টি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ডিল এবং ১৬২টি আন্তর্জাতিক পেটেন্ট আবেদন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
গবেষণার ক্ষেত্রে কিং সাউদ ইউনিভার্সিটি, প্রিন্সেস নুরা বিনত আবদুল রহমান ইউনিভার্সিটি এবং প্রিন্স সুলতান ইউনিভার্সিটি নেতৃত্ব দিয়েছে। অন্যদিকে, উদ্ভাবন খাতে SABIC এবং Aramco-এর অবদান সবচেয়ে বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই র্যাঙ্কিং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে গবেষক ও উদ্ভাবকদের সহায়তা করার জন্য রাজ্যের সমন্বিত গবেষণা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেমের প্রতিফলন।
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে রিয়াদের অবস্থান কী? ২০২৬ সালের গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে রিয়াদ বিশ্বব্যাপী ৯২তম স্থান অর্জন করেছে। এটি একমাত্র উপসাগরীয় শহর যা শীর্ষ ১০০ উদ্ভাবন ক্লাস্টারের তালিকায় স্থান পেয়েছে।
রিয়াদের এই র্যাঙ্কিংয়ের মূল সূচকগুলো কী কী? রিয়াদের এই অবস্থানের পেছনে মূল সূচক হিসেবে ৪১৯টি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ডিল এবং ১৬২টি আন্তর্জাতিক পেটেন্ট আবেদন উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি উদ্ভাবন খাতের সক্ষমতা নির্দেশ করে।
গবেষণা ও উদ্ভাবনে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো অবদান রেখেছে? গবেষণায় কিং সাউদ ইউনিভার্সিটি, প্রিন্সেস নুরা বিনত আবদুল রহমান ইউনিভার্সিটি এবং প্রিন্স সুলতান ইউনিভার্সিটি নেতৃত্ব দিয়েছে। উদ্ভাবন খাতে SABIC এবং Aramco প্রধান অবদানকারী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।