কাসিম অঞ্চলের আল-শামাসিয়াহ গভর্নরে ঐতিহ্যবাহী আল-সাঈদ প্রাসাদের পুনর্গঠনের মাধ্যমে দুই শতাব্দীর আঞ্চলিক স্থাপত্য ইতিহাস পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, পূর্বপুরুষদের দলিল এবং পারিবারিক আর্কাইভাল নথির নির্দেশনায় প্রাসাদটিকে তার আদি অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ২০০ বছরেরও বেশি পুরনো এই কাদা-ইটের প্রাসাদটি আল-শামাসিয়াহর স্থায়ী বসতির অন্যতম প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন, যা তৎকালীন আর্থ-সামাজিক জীবন ও বাসিন্দাদের সামাজিক মর্যাদাকে প্রতিফলিত করে।
প্রকৌশলী খালিদ আল-সাঈদ জানান, এটি কোনো আধুনিক সংস্কার নয় বরং একটি খাঁটি সংরক্ষণ উদ্যোগ। ঐতিহাসিক মালিকানা দলিল ও রেকর্ড ব্যবহার করে সাইটের মূল বৈশিষ্ট্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।
পুনর্গঠনের আওতায় স্থাপত্য ভিত্তি, সীমানা প্রাচীর, ঐতিহ্যবাহী প্রবেশদ্বার, খোদাই করা নকশা, একটি অভ্যন্তরীণ কুয়া এবং ঐতিহাসিক খনন এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনতলা এই প্রাসাদটি সম্পূর্ণ কাদামাটি দিয়ে নির্মিত, যাতে একটি খোলা ছাদ, শস্য সংরক্ষণ সুবিধা এবং তৎকালীন সময়ের উপযোগী একটি ঐতিহ্যবাহী ভূগর্ভস্থ খেজুর ও শস্য সংরক্ষণ গর্ত রয়েছে।
আল-সাঈদ প্রাসাদের পুনর্গঠনে কী ব্যবহার করা হয়েছে? প্রাসাদটি পুনর্গঠনে পূর্বপুরুষদের দলিল এবং পারিবারিক আর্কাইভাল নথির সহায়তা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সাইটের মূল বৈশিষ্ট্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
প্রাসাদটির স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? এটি সম্পূর্ণ কাদামাটি দিয়ে নির্মিত একটি তিনতলা প্রাসাদ। এতে একটি খোলা ছাদ, শস্য সংরক্ষণ সুবিধা এবং একটি ঐতিহ্যবাহী ভূগর্ভস্থ খেজুর ও শস্য সংরক্ষণ গর্ত রয়েছে।
পুনর্গঠনের আওতায় কোন অংশগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল? পুনর্গঠনের কাজে স্থাপত্য ভিত্তি, সীমানা প্রাচীর, ঐতিহ্যবাহী প্রবেশদ্বার, খোদাই করা নকশা, একটি অভ্যন্তরীণ কুয়া এবং ঐতিহাসিক খনন এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
আল-সাঈদ প্রাসাদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী? এটি ২০০ বছরেরও বেশি পুরনো এবং আল-শামাসিয়াহর স্থায়ী বসতির অন্যতম প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন। এর নির্মাণশৈলী তৎকালীন বাসিন্দাদের সামাজিক মর্যাদা ও আর্থ-সামাজিক জীবনকে প্রতিফলিত করে।