বাহা অঞ্চলের আল-কুরার প্রদেশে নবম আল-আতাওয়ালা ঐতিহ্য উৎসবের কার্যক্রম শেষ হয়েছে, যা ‘সামার বাহা ২০২৬’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই উৎসবে স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এবং এখানে প্রাচীন জীবনযাত্রার প্রতিফলন ঘটিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, ঐতিহ্যবাহী ও বিনোদনমূলক কর্মসূচি প্রদর্শিত হয়।
উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ ছিল ‘মায়েদের কাজ’ এবং কাঠের লাঙল ও পশুপালের মাধ্যমে প্রাচীন কৃষি পদ্ধতি প্রদর্শনের ‘ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ’ কার্যক্রম। এছাড়া প্রাচীন ঘরবাড়ি নির্মাণের পদ্ধতি, স্থানীয় রন্ধনশৈলী ও সামাজিক রীতিনীতির প্রতিফলন এবং কারুশিল্পীদের দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য বিশেষ কর্নার রাখা হয়েছিল।
কার্যক্রমের মধ্যে লোকজ খেলা, ফোকলোর প্রদর্শনী এবং আল-কুরার প্রদেশের ঐতিহাসিক স্থান ও ঐতিহ্যবাহী গ্রামগুলোর পরিচিতি পর্ব অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই উৎসবটি উৎপাদনকারী পরিবার এবং কারুশিল্পীদের তাদের পণ্য প্রদর্শনের একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করেছে।
এই উৎসবের লক্ষ্য ছিল অঞ্চলের পর্যটন গন্তব্যগুলোর বৈচিত্র্য আনা এবং ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে পর্যটন কার্যক্রমকে সক্রিয় করা। বিজ্ঞপ্তিতে উৎসবের মোট দর্শনার্থীর সংখ্যা বা আয়োজনের ব্যয় উল্লেখ করা হয়নি।
আল-আতাওয়ালা উৎসবে কী কী প্রদর্শিত হয়েছে? উৎসবটিতে প্রাচীন জীবনযাত্রার প্রতিফলন ঘটিয়ে ‘মায়েদের কাজ’ এবং কাঠের লাঙল ব্যবহার করে ঐতিহ্যবাহী চাষাবাদ প্রদর্শিত হয়েছে। এছাড়া প্রাচীন ঘরবাড়ি নির্মাণ পদ্ধতি এবং স্থানীয় রন্ধনশৈলী প্রদর্শিত হয়। এসপিএ-র তথ্যানুযায়ী এখানে লোকজ খেলা ও ফোকলোর প্রদর্শনীও ছিল।
এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? এই উৎসবের মূল লক্ষ্য ছিল বাহা অঞ্চলের পর্যটন গন্তব্যগুলোর বৈচিত্র্য আনা এবং ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে পর্যটন কার্যক্রমকে সক্রিয় করা। এর মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোকে সাংস্কৃতিক ও পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
কারুশিল্পীদের জন্য এই উৎসবে কী সুযোগ ছিল? উৎসবটিতে কারুশিল্পীদের জন্য বিশেষ কর্নার রাখা হয়েছিল যেখানে তারা তাদের দক্ষতা ও পণ্য প্রদর্শন করতে পেরেছেন। এছাড়া এটি উৎপাদনকারী পরিবারগুলোর জন্য তাদের প্রকল্প প্রদর্শনের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।