Tuesday, September 15, 2026
Uncategorized

গ্রীষ্মকালে ভিন্ন রূপে ধরা দিচ্ছে জেদ্দার রাতের দৃশ্য

গ্রীষ্মকালে ভিন্ন রূপে ধরা দিচ্ছে জেদ্দার রাতের দৃশ্য

জেদ্দার উপকূলীয় প্রমোনাড, পার্ক, হাঁটার পথ এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোতে বাসিন্দ ও পর্যটকদের আনাগোনা এবং ভবনগুলোর আলোকসজ্জার মাধ্যমে গ্রীষ্মের রাতে শহরটি এক ভিন্ন ও প্রাণবন্ত রূপ ধারণ করেছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, কিং আবদুল আজিজ স্ট্রিটের ভবন ও টাওয়ারগুলোর বৈচিত্র্যময় আলোকসজ্জা শহরের নিজস্ব পরিচয় ফুটিয়ে তুলছে। গ্রীষ্মকালীন উচ্চ তাপমাত্রার কারণে অনেক বাসিন্দা ও পর্যটক তাদের কার্যক্রম রাতের সময়ে সম্পন্ন করতে পছন্দ করছেন।

জেদ্দা মিউনিসিপ্যালিটি পার্ক, উপকূলীয় প্রমোনাড এবং হাঁটার পথের আলোকসজ্জা ব্যবস্থার নকশা পরিচালনা করছে। তারা ক্ষয় এবং আর্দ্রতা প্রতিরোধী উপকরণ ব্যবহার করছে যাতে শহরের সম্পদগুলোর স্থায়িত্ব এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

জেদ্দা মিউনিসিপ্যালিটির সরকারি মুখপাত্র মোহাম্মদ বিন উবাইদ আল-বুকমি জানান, তারা জ্বালানি মন্ত্রণালয় কর্তৃক চালু করা ‘তারশিদ’ প্রোগ্রামের অধীনে ‘রাস্তার আলোকসজ্জা পুনর্গঠন’ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর লক্ষ্য হলো জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি, খরচ কমানো এবং LED প্রযুক্তির মাধ্যমে আলোকসজ্জার কারিগরি বৈশিষ্ট্যগুলোর একীকরণ করা।

জেদ্দার রাতের দৃশ্য কেন পরিবর্তিত হয়? গ্রীষ্মকালীন উচ্চ তাপমাত্রার কারণে বাসিন্দা ও পর্যটকরা রাতের বেলা বাইরে বের হতে পছন্দ করেন। এর ফলে বাণিজ্যিক কেন্দ্র, উপকূলীয় প্রমোনাড এবং পার্কগুলোতে মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি পায় এবং শহরের আলোকসজ্জা একে প্রাণবন্ত করে তোলে।

জেদ্দা মিউনিসিপ্যালিটি আলোকসজ্জায় কী ব্যবস্থা নিচ্ছে? মিউনিসিপ্যালিটি পার্ক এবং উপকূলীয় এলাকার জন্য এমন আলোকসজ্জা নকশা করছে যা দীর্ঘস্থায়ী এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম। তারা বিশেষ করে আর্দ্রতা ও ক্ষয় প্রতিরোধী উপকরণ ব্যবহার করছে যাতে স্থায়িত্ব নিশ্চিত হয়।

‘তারশিদ’ প্রোগ্রামের লক্ষ্য কী? জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য হলো জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং খরচ কমানো। এর অধীনে LED প্রযুক্তির মাধ্যমে রাস্তার আলোকসজ্জার কারিগরি বৈশিষ্ট্যগুলোকে একীভূত করা হচ্ছে।