সৌদি আরবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI টুলের ব্যবহারের হার ৪৫.২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, সৌদি যোগাযোগ, মহাকাশ ও প্রযুক্তি কমিশন (CST) প্রকাশিত পঞ্চম ‘সৌদি ইন্টারনেট’ প্রতিবেদনে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে সৌদি আরব আনুষ্ঠানিকভাবে ‘২০২৬ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বছর’ শুরু করেছে।
প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নারী ব্যবহারকারীদের মধ্যে AI ব্যবহারের হার ৫২.৮ শতাংশ এবং পুরুষদের মধ্যে ৩৯.৪ শতাংশ। বয়সের হিসেবে ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ব্যবহারের হার সর্বোচ্চ (৫৫.৭ শতাংশ), আর ৬০ থেকে ৭৪ বছর বয়সীদের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন (১৪.৮ শতাংশ)।
প্রাদেশিক হিসেবে তাবুক প্রদেশে ব্যবহারের হার সর্বোচ্চ (৫৮.৫ শতাংশ) এবং জিজান প্রদেশে সর্বনিম্ন (৩০.৭ শতাংশ)। ব্যবহারের প্রধান কারণ হিসেবে ৮০.৮ শতাংশ মানুষ তথ্য অনুসন্ধান, ৪০.১ শতাংশ সৃজনশীল ধারণা তৈরি এবং ৩৭.৭ শতাংশ শিক্ষা ও শেখার কথা উল্লেখ করেছেন।
সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা অ্যাপগুলোর মধ্যে ChatGPT শীর্ষে রয়েছে, এরপর রয়েছে Google Gemini এবং DeepSeek। তালিকায় সৌদি জাতীয় AI প্ল্যাটফর্ম HUMAIN-ও অন্তর্ভুক্ত।
আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের ২০২৫ সালের ডিজিটাল প্রস্তুতি সূচকে সৌদি আরব বিশ্বে প্রথম স্থান অধিকার করেছে, যা ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’-এর লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সৌদিতে AI ব্যবহারের হার কেমন? CST-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে AI টুলের ব্যবহার ৪৫.২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি। এছাড়া ২০২৬ সালকে ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বছর’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
কোন বয়স ও লিঙ্গের মানুষ বেশি AI ব্যবহার করছেন? নারী ব্যবহারকারীদের মধ্যে ব্যবহারের হার ৫২.৮ শতাংশ এবং পুরুষদের মধ্যে ৩৯.৪ শতাংশ। ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ব্যবহারের হার সর্বোচ্চ ৫৫.৭ শতাংশ।
AI টুলগুলো প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে? সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে তথ্য অনুসন্ধান ও সংগ্রহের কাজে (৮০.৮ শতাংশ)। এছাড়া সৃজনশীল ধারণা তৈরি (৪০.১ শতাংশ) এবং শিক্ষা ও শেখার কাজে (৩৭.৭ শতাংশ) এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
সৌদিতে জনপ্রিয় AI অ্যাপগুলো কী কী? সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড করা অ্যাপগুলোর মধ্যে ChatGPT প্রথম স্থানে রয়েছে। এরপরে রয়েছে Google Gemini, DeepSeek এবং সৌদি জাতীয় প্ল্যাটফর্ম HUMAIN।
প্রাদেশিক এবং বৈশ্বিক অবস্থান কী? প্রাদেশিক হিসেবে তাবুকে সর্বোচ্চ (৫৮.৫ শতাংশ) এবং জিজানে সর্বনিম্ন (৩০.৭ শতাংশ) ব্যবহার দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের ২০২৫ সালের ডিজিটাল প্রস্তুতি সূচকে সৌদি আরব বিশ্বে প্রথম হয়েছে।