সৌদি ডেটা অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অথরিটি (SDAIA) ১০ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত ‘AI Creativity Bootcamp’ শুরু করতে যাচ্ছে, যার লক্ষ্য কন্টেন্ট তৈরি এবং সৃজনশীল উৎপাদনে জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) প্রযুক্তির ব্যবহারে জাতীয় মেধাবীদের ক্ষমতায়ন করা।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৬ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই উদ্যোগটি জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, উন্নত প্রযুক্তির গ্রহণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বোত্তম ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রচেষ্টার অংশ।
তিন দিনের এই বুটক্যাম্পে ব্যবহারিক কর্মশালা, প্যানেল আলোচনা এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যার শেষে অংশগ্রহণকারীরা তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করবেন। এই প্রোগ্রামটি সৃজনশীল শিল্পে কর্মরত পেশাদার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ডিজাইন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রশিক্ষণের মূল ফোকাস হবে ক্রিয়েটিভ এআই-এর ধারণা, প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমানের ভিজ্যুয়াল আউটপুট তৈরি করা। এছাড়া বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির অধিকার রক্ষা এবং এআই-এর নৈতিক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে।
বুটক্যাম্পের পাশাপাশি একটি বিশেষ প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে যেখানে এআই-এর প্রভাবে সৃজনশীল শিল্পের রূপান্তর, ব্যবসায়িক মডেল এবং উৎপাদনশীলতার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রশিক্ষণের নির্দিষ্ট ফি বা অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
AI Creativity Bootcamp-এর মূল লক্ষ্য কী? এই বুটক্যাম্পের লক্ষ্য হলো কন্টেন্ট তৈরি এবং সৃজনশীল উৎপাদনে জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তির ব্যবহারে জাতীয় মেধাবীদের ক্ষমতায়ন করা। এটি জাতীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নত প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার একটি উদ্যোগ।
প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে কী কী অন্তর্ভুক্ত থাকবে? তিন দিনের এই কর্মসূচিতে ব্যবহারিক কর্মশালা, প্যানেল আলোচনা এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ অ্যাপ্লিকেশন থাকবে। অংশগ্রহণকারীরা প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা অর্জন করবেন এবং প্রোগ্রামের শেষে নিজস্ব প্রোটোটাইপ বা প্রকল্প উপস্থাপন করবেন।
এই বুটক্যাম্পে কারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন? সৃজনশীল শিল্পে কর্মরত পেশাদার, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, ডিজাইন বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামের লক্ষ্যভুক্ত। তারা এআই টুলসের এলোমেলো ব্যবহারের পরিবর্তে একটি কাঠামোগত ও বিশ্লেষণাত্মক পদ্ধতি শিখবেন।
নৈতিক ব্যবহারের বিষয়ে কী গুরুত্ব দেওয়া হবে? বুটক্যাম্পটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল এবং নৈতিক ব্যবহারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। এর মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং এআই-জেনারেটেড আউটপুটের গুণমান নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।