মসজিদুল হারামে দর্শনার্থী এবং উমরাহ পালনকারীদের অভিজ্ঞতা ও স্বাচ্ছন্দ্য বৃদ্ধিতে রমজান মাসে স্বেচ্ছাসেবক কাজের পাঁচটি বিশেষ ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৬ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার পোর্টালের মাধ্যমে নিবন্ধিত সংস্থা এবং দলগুলোকে এই সেবায় অবদান রাখতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সরকারি সংস্থা, বেসরকারি ওয়াকফ, দাতব্য সংস্থা এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে।
স্বেচ্ছাসেবক কাজের ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে ভিড় ব্যবস্থাপনা, ইফতারের খাবার আয়োজন এবং বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার সহায়তা প্রদান। এছাড়া দর্শনার্থীদের দিকনির্দেশনা প্রদান এবং প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এই উদ্যোগটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার উদ্দেশ্য হলো স্বেচ্ছাসেবক সংস্কৃতির প্রসার এবং টেকসই সামাজিক প্রভাব তৈরি করা। আগ্রহী ব্যক্তিরা ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। বিজ্ঞপ্তিতে স্বেচ্ছাসেবকদের মোট সংখ্যা বা নির্দিষ্ট সম্মানির কথা উল্লেখ নেই।
মসজিদুল হারামে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কারা আবেদন করতে পারবেন? ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার পোর্টালের সাথে নিবন্ধিত সরকারি সংস্থা, বেসরকারি ওয়াকফ, দাতব্য সংস্থা এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক দলগুলো আবেদন করতে পারবে। আগ্রহী ব্যক্তিরা এই পোর্টালের মাধ্যমে উপযুক্ত সুযোগ নির্বাচন করতে পারেন।
স্বেচ্ছাসেবকদের প্রধান কাজগুলো কী হবে? স্বেচ্ছাসেবকরা ভিড় ব্যবস্থাপনা, ইফতারের খাবার আয়োজন এবং বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের হুইলচেয়ার সহায়তা প্রদান করবেন। এছাড়া তারা দর্শনার্থীদের দিকনির্দেশনা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য কী? এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো রমজানে দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করা এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর আওতায় স্বেচ্ছাসেবক সংস্কৃতির প্রসার ঘটানো। এর মাধ্যমে সামাজিক প্রভাব বৃদ্ধি এবং আতিথেয়তার প্রতিফলন ঘটানো হবে।