কাসিম অঞ্চলে উদ্ভিদের বৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বের জন্য ন্যাশনাল সেন্টার ফর ভেজিটেশন কভার ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কমব্যাটিং ডেজার্টিফিকেশন (NCVC) নিবিড় প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৬ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, ন্যাশনাল গ্রিনিং প্রোগ্রামের জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার আহমদ আল-নাজি জানান যে কাসিমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৩ লাখ গাছ রোপণ করা হয়েছে, যা ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার ৭০ শতাংশ। এতে ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অবদান রেখেছে।
চলমান এবং পরিকল্পিত প্রকল্পের অংশ হিসেবে আরও ২৫ লাখ গাছ রোপণের কাজ চলছে। এছাড়া প্রাকৃতিক চারণভূমি উন্নয়নে নয়টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৩ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমি পুনর্বাসনে ১৮ লাখ গাছ রোপণ করা হচ্ছে।
কাসিমে আরও ১৮টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১,৫৭৯ হেক্টর জমি পুনর্বাসন এবং ৬ লাখ ৮০ হাজার গাছ রোপণের কাজ চলছে, যা জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং ইকো-ট্যুরিজমকে সমর্থন করবে।
তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাসিমের সবুজায়ন প্রায় ১৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। NCVC সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্য অর্জনে বন এবং জাতীয় উদ্যান তত্ত্বাবধান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করছে।
কাসিমে এখন পর্যন্ত কতটি গাছ রোপণ করা হয়েছে? কাসিমে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৩ লাখ গাছ রোপণ করা হয়েছে, যা ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রার ৭০ শতাংশ। এই কাজে ৩০টির বেশি প্রতিষ্ঠান অবদান রেখেছে এবং আরও ২৫ লাখ গাছ রোপণের কাজ চলছে।
প্রাকৃতিক চারণভূমি উন্নয়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? প্রাকৃতিক চারণভূমি উন্নয়নে নয়টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ৩ লাখ ৩৫ হাজার হেক্টর জমি পুনর্বাসন করতে ১৮ লাখ গাছ রোপণ করা হচ্ছে যাতে উদ্ভিদের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
সবুজায়নের ফলে কাসিমে কী পরিবর্তন এসেছে? ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাসিমের সবুজায়ন প্রায় ১৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি বায়ুমান উন্নত করতে, মরুকরণ কমাতে এবং প্রাকৃতিক আবাসস্থল বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।
NCVC-এর অন্যান্য লক্ষ্যগুলো কী কী? NCVC সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্য অর্জনে কাজ করছে। তারা রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে উদ্ভিদের আবরণ রক্ষা, পর্যবেক্ষণ, পুনর্বাসন এবং বন ও জাতীয় উদ্যান তত্ত্বাবধানের কাজ করে।