জেদ্দার লাল সাগরের তীরের আল-রাহমা মসজিদ এর দৃশ্যপট ও স্থাপত্যশৈলীর জন্য স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৭ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, ১৯৮৫ সালে ২,৪০০ বর্গমিটার জমিতে নির্মিত এই মসজিদটি সমুদ্রপৃষ্ঠে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মসজিদ। এটি ফ্লোটিং মস্ক বা ফাতিমা আল জাহরা মসজিদ নামেও পরিচিত।
মসজিদটিতে ২,৩০০ জন মুসল্লির ধারণক্ষমতা রয়েছে, যার মধ্যে একটি ঝুলন্ত কাঠের প্রার্থনা এলাকায় ৫০০ জন নারী নামাজ আদায় করতে পারেন। এখানে পূর্ণাঙ্গ পরিষেবা সুবিধা বিদ্যমান।
স্থাপত্যের কেন্দ্রে রয়েছে একটি প্রধান গম্বুজ, যা আটটি কারুকার্যখচিত স্তম্ভ দ্বারা সমর্থিত এবং ৫২টি ছোট গম্বুজ দ্বারা পরিবেষ্টিত। এর বহির্ভাগে ছায়ার জন্য ছাতা এবং একটি প্রধান মিনার রয়েছে। অভ্যন্তরীণ দেয়ালে বিভিন্ন ক্যালিগ্রাফি শৈলীতে কোরআনের আয়াত এবং ৫৬টি রঙিন কাঁচের জানালা রয়েছে।
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় লাল সাগরের দৃশ্য এই মসজিদটিকে আলোকচিত্রীদের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্মাণ ব্যয় বা নির্দিষ্ট রক্ষণাবেক্ষণ তথ্যের উল্লেখ নেই।
আল-রাহমা মসজিদের বিশেষত্ব কী? এটি সমুদ্রপৃষ্ঠে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মসজিদ, যা ফ্লোটিং মস্ক বা ফাতিমা আল জাহরা মসজিদ নামে পরিচিত। এটি ১৯৮৫ সালে ২,৪০০ বর্গমিটার জমিতে নির্মিত হয়েছিল।
মসজিদটির ধারণক্ষমতা কত? মসজিদটিতে মোট ২,৩০০ জন মুসল্লির স্থান রয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ জন নারীর জন্য একটি বিশেষ ঝুলন্ত কাঠের প্রার্থনা এলাকা রাখা হয়েছে।
স্থাপত্যশৈলীর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী? এর কেন্দ্রে আটটি স্তম্ভ সমর্থিত একটি প্রধান গম্বুজ এবং চারপাশে ৫২টি গম্বুজ রয়েছে। ভেতরে ৫৬টি রঙিন কাঁচের জানালা এবং দেয়ালে বিভিন্ন ক্যালিগ্রাফি শৈলীতে কোরআনের আয়াত খোদাই করা আছে।
মসজিদটি পর্যটকদের কাছে কেন জনপ্রিয়? লাল সাগরের মনোরম দৃশ্য এবং আধুনিক ইসলামিক স্থাপত্যের কারণে এটি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বিশেষ করে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় এটি আলোকচিত্রীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।