সৌদি আরবে রমজান ও ঈদের আগমন, রোজা শুরু এবং ইফতার ও সেহরির সময় জানান দিতে ঐতিহ্যবাহী কামানের শব্দ ব্যবহৃত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৭ মার্চ ২০২৫-এ জানিয়েছে, এই প্রথাটি অনেক আরব ও ইসলামিক দেশে প্রচলিত এবং এটি বিভিন্ন প্রজন্মের কাছে একটি প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
মক্কায় রমজানের শুরুতে সাতটি শব্দযুক্ত ব্ল্যাঙ্ক ফায়ার করা হয়। আবু আল-মাদফা পাহাড়ের উচ্চ স্থানে অবস্থিত এই কামানটি ইফতার, সেহরি এবং রোজা শেষ হওয়ার ঘোষণা দিতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে রমজান ও ঈদে প্রায় ১৫০টি শট ফায়ার করা হয়। নিরাপত্তা কর্মীরা গানপাউডার দহনের মাধ্যমে এই সেমি-অটোমেটিক কামানটি পরিচালনা করেন।
মদিনায় ১৪৩৬ হিজরিতে রাজকীয় অনুমোদনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক ঐতিহ্যটি পুনরায় চালু করা হয়। অন্যদিকে জেদ্দায় আল-বালাদ এলাকার জেদ্দা সিজন ইভেন্টের উৎসবমুখর পরিবেশে উচ্চভূমিতে অবস্থিত কামানের মাধ্যমে রমজানের শুরু, ইফতার ও সেহরির ঘোষণা দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনে কামানের নির্দিষ্ট মডেল বা রক্ষণাবেক্ষণ খরচের কথা উল্লেখ করা হয়নি।
মক্কায় কামানটি কীভাবে ব্যবহৃত হয়? মক্কায় রমজানের শুরুতে সাতটি ব্ল্যাঙ্ক ফায়ার করা হয় এবং পুরো মাসে ইফতার ও সেহরির সময় এটি ব্যবহৃত হয়। আবু আল-মাদফা পাহাড়ে অবস্থিত এই কামানটি থেকে রমজান ও ঈদে প্রায় ১৫০টি শট ফায়ার করা হয়।
মদিনায় কামানের প্রথাটি কীভাবে ফিরে এল? মদিনার বাসিন্দাদের ঐতিহাসিক ঐতিহ্যটি পুনরুজ্জীবিত করার ইচ্ছার প্রেক্ষিতে ১৪৩৬ হিজরিতে রাজকীয় অনুমোদনের মাধ্যমে কামানটি পুনরায় চালু করা হয়। এটি অতীতে রমজান ও ঈদের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম ছিল।
জেদ্দায় কামানের ভূমিকা কী? জেদ্দায় আল-বালাদ এলাকার জেদ্দা সিজন ইভেন্টের উৎসবমুখর পরিবেশে উচ্চভূমিতে অবস্থিত কামানের মাধ্যমে রমজানের শুরু, ইফতার ও সেহরির ঘোষণা দেওয়া হয়।
মক্কায় ব্যবহৃত কামানের কারিগরি বৈশিষ্ট্য কী? মক্কায় এখন পুরনো ম্যানুয়াল সংস্করণের পরিবর্তে একটি সেমি-অটোমেটিক কামান ব্যবহৃত হয়, যা ফায়ারিং প্রক্রিয়া সহজ করেছে। এটি গানপাউডার দহনের মাধ্যমে শব্দ ও ধোঁয়া তৈরি করে।