স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় কিং ফয়সাল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের (কেএফএসএইচ) ৪১ জন বিজ্ঞানী মনোনীত হয়েছেন। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত গবেষকদের এই তালিকায় কেএফএসএইচের উপস্থিতি আরও দৃঢ় হলো।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় কেএফএসএইচের ৩৫ জন বিজ্ঞানী মনোনীত হয়েছিলেন। এবার সেই সংখ্যা ছয়জন বেড়ে ৪১-এ দাঁড়িয়েছে। কেএফএসএইচের চিফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসার অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াই. ইং বলেছেন, “এটি ২০২৫ সালের শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় মনোনীত ৩৫ জনের তুলনায় ছয়জনের একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। আমরা আনন্দিত যে আমাদের আরও গবেষক ও ক্লিনিশিয়ান-বিজ্ঞানী প্রকাশনার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রভাবের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন।”
এটি টানা সপ্তম বছর, যখন কেএফএসএইচের বিজ্ঞানীরা এই তালিকায় মনোনীত হয়েছেন। এসপিএ জানিয়েছে, এই ধারাবাহিকতা বিশ্ব চিকিৎসা গবেষণায় হাসপাতালটির বাড়তে থাকা প্রভাব এবং বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে তার বিস্তৃত অবদান তুলে ধরে।
একটি হাসপাতালের গবেষকরা টানা সাত বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত গবেষকদের তালিকায় থাকলে সেটি কী বোঝায়? স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার তালিকা উদ্ধৃতির পরিমাণের ভিত্তিতে তৈরি হয়, অর্থাৎ একজন গবেষকের কাজ অন্য গবেষকরা কতবার উদ্ধৃত করেছেন তা দিয়ে তাঁর প্রভাব মাপা হয়। কেএফএসএইচের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ৩৫ থেকে ৪১-এ ওঠা মানে কেবল আরও ছয়জন গবেষক যোগ হওয়া নয়, বরং প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা-পরিবেশে নতুন মুখ যুক্ত হওয়া।
কেএফএসএইচ শুধু এই তালিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের বিশ্বের শীর্ষ ২৫০ একাডেমিক মেডিকেল সেন্টারের মধ্যে কেএফএসএইচ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় প্রথম এবং বিশ্বে ১২তম স্থানে রয়েছে। এছাড়া ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স ২০২৬ সালের জন্য এটিকে অঞ্চলের সবচেয়ে মূল্যবান স্বাস্থ্যসেবা ব্র্যান্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নিউজউইকের ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা হাসপাতাল, সেরা স্মার্ট হাসপাতাল এবং সেরা বিশেষায়িত হাসপাতালের তালিকাতেও কেএফএসএইচ রয়েছে। এসপিএ বলছে, এই স্বীকৃতিগুলো উদ্ভাবন-চালিত সেবায় তার নেতৃত্বকে আরও দৃঢ় করে।
একটি প্রতিষ্ঠান একই বছরে গবেষণা, ব্র্যান্ড মূল্য এবং হাসপাতালের মান—তিন ধরনের তালিকায় একসঙ্গে জায়গা পেলে তা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ? গবেষণা-উদ্ধৃতির তালিকা একদিকে যেমন বৈজ্ঞানিক প্রভাব দেখায়, অন্যদিকে ব্র্যান্ড মূল্য ও হাসপাতালের র্যাঙ্কিং দেখায় সেবার মান ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি। কেএফএসএইচের ক্ষেত্রে এই দুটি দিক একসঙ্গে এসেছে।
অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াই. ইংয়ের বক্তব্যে একটি দিক স্পষ্ট—স্বীকৃতির এই বৃদ্ধি কেবল প্রতিষ্ঠানের নয়, ব্যক্তিগত গবেষকদেরও। তিনি বলেছেন, “আমরা আনন্দিত যে আমাদের আরও গবেষক ও ক্লিনিশিয়ান-বিজ্ঞানী প্রকাশনার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রভাবের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন।” ক্লিনিশিয়ান-বিজ্ঞানী অর্থাৎ যাঁরা একইসঙ্গে রোগীর চিকিৎসা করেন এবং গবেষণা করেন—তাঁদের স্বীকৃতি হাসপাতালের গবেষণা ও সেবার মধ্যে সংযোগেরই প্রমাণ।
স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার তালিকা কীভাবে তৈরি হয় এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ? এই তালিকা স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি দল এবং প্রকাশনা সংস্থা এলসেভিয়ারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি হয়। এটি উদ্ধৃতির তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্বের বিজ্ঞানীদের মধ্যে শীর্ষ ২% চিহ্নিত করে। ফলে তালিকায় নাম থাকা মানে আন্তর্জাতিক গবেষক সমাজে সেই ব্যক্তির কাজ বারবার উদ্ধৃত হয়েছে।
কেএফএসএইচের জন্য টানা সপ্তম বছরের এই ধারাবাহিকতা কী ইঙ্গিত দেয়? একবার তালিকায় নাম আসা এবং সাত বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে থাকা—এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে। ধারাবাহিকতা বোঝায় গবেষণার ধারা স্থায়ী, কেবল একটি বছরেই সীমাবদ্ধ নয়। এসপিএ জানিয়েছে, এই ধারাবাহিকতা বিশ্ব চিকিৎসা গবেষণায় হাসপাতালটির বাড়তে থাকা প্রভাব এবং বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে তার বিস্তৃত অবদান তুলে ধরে।
২০২৫ সালের ৩৫ থেকে ২০২৬ সালের ৪১—এই ছয়জনের বৃদ্ধি কীভাবে দেখবেন? অধ্যাপক ইং নিজেই এটিকে “উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি” বলেছেন। প্রতিষ্ঠানের গবেষণা-পরিবেশে নতুন গবেষক যোগ হলে বা বিদ্যমান গবেষকদের কাজ আরও বেশি উদ্ধৃত হলে এমন বৃদ্ধি ঘটতে পারে। এসপিএ অবশ্য এই বৃদ্ধির পেছনের নির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করেনি।
মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় প্রথম এবং বিশ্বে ১২তম স্থান—এই দুই তথ্য একসঙ্গে কী বোঝায়? আঞ্চলিকভাবে শীর্ষে থাকা মানে এই অঞ্চলের একাডেমিক মেডিকেল সেন্টারগুলোর মধ্যে কেএফএসএইচ এগিয়ে। বিশ্বে ১২তম মানে শীর্ষ ২৫০-এর মধ্যে এটি প্রথম কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের একটি। এসপিএ জানিয়েছে, এই র্যাঙ্কিং ২০২৬ সালের জন্য।
ব্র্যান্ড ফাইন্যান্সের স্বীকৃতি গবেষণার সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত? ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স ২০২৬ সালের জন্য কেএফএসএইচকে অঞ্চলের সবচেয়ে মূল্যবান স্বাস্থ্যসেবা ব্র্যান্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ব্র্যান্ড মূল্য সাধারণত প্রতিষ্ঠানের সুনাম, সেবার মান ও আন্তর্জাতিক উপস্থিতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। গবেষণায় শীর্ষে থাকা সেই সুনামকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
নিউজউইকের তিনটি তালিকায় কেএফএসএইচের উপস্থিতি কী দেখায়? এসপিএ জানিয়েছে, হাসপাতালটি নিউজউইকের ২০২৬ সালের বিশ্বের সেরা হাসপাতাল, সেরা স্মার্ট হাসপাতাল এবং সেরা বিশেষায়িত হাসপাতালের তালিকায় রয়েছে। তিনটি ভিন্ন তালিকায় থাকা মানে সাধারণ সেবা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং বিশেষায়িত সেবা—তিন ক্ষেত্রেই প্রতিষ্ঠানটি স্বীকৃত।
এসপিএর প্রতিবেদনে ৪১ জন বিজ্ঞানীর নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কোন বিভাগ বা কোন গবেষণা ক্ষেত্রে তাঁরা কাজ করেন, তাও জানানো হয়নি। তালিকায় মনোনীতদের পূর্ণ তালিকা বা তাদের গবেষণাপত্রের সংখ্যাও প্রতিবেদনে নেই। শুধু বলা হয়েছে, ৪১ জন কেএফএসএইচের বিজ্ঞানী স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় মনোনীত হয়েছেন।
একটি হাসপাতালের গবেষণা-প্রভাব মাপার জন্য উদ্ধৃতির সংখ্যা কতটা নির্ভরযোগ্য? উদ্ধৃতির ভিত্তিতে তৈরি তালিকা গবেষণার প্রভাবের একটি বহুল ব্যবহৃত সূচক। তবে এসপিএর প্রতিবেদনে এই তালিকার পদ্ধতি বা মানদণ্ড নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু উদ্ধৃতির ভিত্তিতে শীর্ষ ২% চিহ্নিত করার কথা জানানো হয়েছে।
কেএফএসএইচের এই স্বীকৃতি সৌদি আরবের স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য কী বোঝায়? এসপিএ জানিয়েছে, এই অর্জন বিশ্ব গবেষণা মঞ্চে কেএফএসএইচের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করেছে। একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক তালিকায় ধারাবাহিকভাবে থাকলে তা দেশের গবেষণা-পরিবেশের বার্তাও বহন করে। তবে এসপিএ এই স্বীকৃতির প্রভাব নিয়ে আলাদা কোনো বিশ্লেষণ দেয়নি।
২০২৬ সালের এই তালিকায় কেএফএসএইচের ৪১ জন বিজ্ঞানীর মনোনয়ন টানা সপ্তম বছরের ধারাবাহিকতার অংশ। ২০২৫ সালে সংখ্যাটি ছিল ৩৫। অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াই. ইং এই বৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, আরও গবেষক ও ক্লিনিশিয়ান-বিজ্ঞানী প্রকাশনার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রভাবের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন। এসপিএর প্রতিবেদনে এই স্বীকৃতির সঙ্গে হাসপাতালের অন্যান্য অর্জনও তুলে ধরা হয়েছে—মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় প্রথম, বিশ্বে ১২তম, ব্র্যান্ড ফাইন্যান্সের স্বীকৃতি এবং নিউজউইকের তিনটি তালিকা।
স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় কেএফএসএইচের কতজন মনোনীত হয়েছেন? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, কিং ফয়সাল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের ৪১ জন বিজ্ঞানী স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় মনোনীত হয়েছেন। ২০২৫ সালের তালিকায় এই সংখ্যা ছিল ৩৫, অর্থাৎ এবার ছয়জন বেশি। কেএফএসএইচের চিফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসার অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াই. ইং এটিকে একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি বলেছেন।
কেএফএসএইচ কত বছর ধরে এই তালিকায় রয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, এটি টানা সপ্তম বছর যখন কেএফএসএইচের বিজ্ঞানীরা স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় মনোনীত হয়েছেন। এই ধারাবাহিকতা বিশ্ব চিকিৎসা গবেষণায় হাসপাতালটির বাড়তে থাকা প্রভাব এবং বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে তার বিস্তৃত অবদান তুলে ধরে। ২০২৫ সালে ৩৫ জন এবং ২০২৬ সালে ৪১ জন মনোনীত হয়েছেন।
২০২৬ সালের একাডেমিক মেডিকেল সেন্টার র্যাঙ্কিংয়ে কেএফএসএইচের অবস্থান কী? এসপিএ জানিয়েছে, ২০২৬ সালের বিশ্বের শীর্ষ ২৫০ একাডেমিক মেডিকেল সেন্টারের মধ্যে কেএফএসএইচ মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় প্রথম এবং বিশ্বে ১২তম স্থানে রয়েছে। এছাড়া ব্র্যান্ড ফাইন্যান্স ২০২৬ সালের জন্য এটিকে অঞ্চলের সবচেয়ে মূল্যবান স্বাস্থ্যসেবা ব্র্যান্ড হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নিউজউইকের সেরা হাসপাতাল, সেরা স্মার্ট হাসপাতাল ও সেরা বিশেষায়িত হাসপাতালের তালিকাতেও এটি রয়েছে।
অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াই. ইং কী বলেছেন? কেএফএসএইচের চিফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন অফিসার অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াই. ইং এসপিএকে বলেছেন, এটি ২০২৫ সালের শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় মনোনীত ৩৫ জনের তুলনায় ছয়জনের একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি। তিনি বলেছেন, “আমরা আনন্দিত যে আমাদের আরও গবেষক ও ক্লিনিশিয়ান-বিজ্ঞানী প্রকাশনার ক্ষেত্রে তাঁদের প্রভাবের জন্য স্বীকৃতি পেয়েছেন।”
স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার তালিকা কী? স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত গবেষকদের চিহ্নিত করে। এসপিএ জানিয়েছে, কেএফএসএইচের ৪১ জন বিজ্ঞানী এই তালিকায় মনোনীত হয়েছেন। তালিকাটি উদ্ধৃতির তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি হয়, অর্থাৎ একজন গবেষকের কাজ অন্য গবেষকরা কতবার উদ্ধৃত করেছেন তা দিয়ে প্রভাব মাপা হয়। এসপিএ তালিকার পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এসপিএর প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএর প্রতিবেদনে ৪১ জন বিজ্ঞানীর নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কোন বিভাগ বা কোন গবেষণা ক্ষেত্রে তাঁরা কাজ করেন, তাও জানানো হয়নি। তালিকায় মনোনীতদের পূর্ণ তালিকা বা তাদের গবেষণাপত্রের সংখ্যাও প্রতিবেদনে নেই। শুধু বলা হয়েছে, ৪১ জন কেএফএসএইচের বিজ্ঞানী স্ট্যানফোর্ড/এলসেভিয়ার শীর্ষ ২% বিজ্ঞানী তালিকায় মনোনীত হয়েছেন।