কাসিম অঞ্চলে ১৪৩০ হিজরিতে প্রতিষ্ঠার পর ১৫ বছরে সৌদি চ্যারিটি সোসাইটি ফর লিভার পেশেন্টস (কাবিদাক) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগীকে সেবা দিয়েছে। এই সেবার মধ্যে আছে কমিউনিটি সচেতনতা, চিকিৎসা সেবা এবং সামাজিক, স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রের কেস স্টাডি। সোসাইটিটি ৯২টি লিভার প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, কাবিদাক লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, প্রতিরোধ এবং রোগী ও তাদের পরিবারকে মনোসামাজিক সহায়তা দেওয়ার দিকে মনোযোগ দেয়। এ লক্ষ্যে শিক্ষামূলক কর্মসূচি, মোবাইল ক্লিনিক, প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান এবং লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এসপিএ-র সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কাবিদাকের পরিচালনা পর্ষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইল বলেন, “সোসাইটি নাগরিক ও বাসিন্দা উভয়কেই তার রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা দেয়, রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে।”
১৫ বছরে ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগী—এই সংখ্যাটি কাসিম অঞ্চলের একটি দাতব্য সংস্থার জন্য কতটা বড় অর্জন, তা ভেবে দেখেছেন কি? সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রোগীরা কাবিদাকের কাছে আসেন, কারণ লিভার রোগের চিকিৎসা ও সহায়তা সব জায়গায় সমানভাবে পাওয়া যায় না। সোসাইটির সেবা কেবল চিকিৎসা কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ নয়; কমিউনিটি সচেতনতা থেকে শুরু করে সামাজিক, স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রের কেস স্টাডি—সবই এর মধ্যে পড়ে।
লিভার রোগীরা প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং পরিবারের সহায়তার মুখোমুখি হন। কাবিদাকের মতো সংস্থা কীভাবে এই বোঝা কিছুটা হালকা করতে পারে? এসপিএ জানিয়েছে, সোসাইটির কাজের মধ্যে আছে শিক্ষামূলক কর্মসূচি, মোবাইল ক্লিনিক, প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান এবং লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ। মোবাইল ক্লিনিক বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো দূরবর্তী এলাকার রোগীদের কাছাকাছি গিয়ে সেবা দিতে পারে।
৯২টি লিভার প্রতিস্থাপন—এই সংখ্যাটি কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়; এর পেছনে রয়েছে রোগী, পরিবার, চিকিৎসক ও দাতাদের সমন্বিত প্রচেষ্টা। লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ কেন এত জরুরি, তা কি আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ভাবি? সোসাইটি রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে চিকিৎসা সেবা দেয়, যাতে রোগীরা সর্বোচ্চ মানের সেবা পান। ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইলের ভাষায়, সেবা নাগরিক ও বাসিন্দা উভয়ের জন্যই উন্মুক্ত।
সৌদি আরবে লিভার রোগের বোঝা কমাতে সচেতনতা ও প্রতিরোধ কতটা ভূমিকা রাখতে পারে? কাবিদাকের ১৫ বছরের কাজ দেখায় যে সচেতনতা, প্রাথমিক শনাক্তকরণ এবং মনোসামাজিক সহায়তা একসঙ্গে চললে ফলাফল আসে। ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগীর মধ্যে কতজন প্রতিরোধমূলক সেবা পেয়েছেন এবং কতজন চিকিৎসা সেবা—এসপিএ এই বিভাজন দেয়নি। তবে সোসাইটির কার্যক্রমের পরিধি স্পষ্ট: কমিউনিটি সচেতনতা, চিকিৎসা সেবা, কেস স্টাডি, মোবাইল ক্লিনিক, শনাক্তকরণ অভিযান ও দান উৎসাহ।
লিভার প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে ৯২টি সফল ঘটনা কাসিম অঞ্চলের বাইরের রোগীদের জন্যও আশার বার্তা বয়ে আনে। রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় মানে রোগীরা বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়: দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা রোগীদের জন্য এই সেবা কতটা সহজলভ্য? এসপিএ জানিয়েছে, সুবিধাভোগীরা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসেছেন, যা সোসাইটিরreach-এর বিস্তার দেখায়।
কাবিদাকের প্রতিষ্ঠা ১৪৩০ হিজরিতে, কাসিম অঞ্চলে। ১৫ বছর পর সংস্থাটি ৫ লাখের বেশি মানুষকে সেবা দিয়েছে এবং ৯২টি লিভার প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। এই সময়ে লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, প্রতিরোধ এবং রোগী ও পরিবারের মনোসামাজিক সহায়তা—এই তিন স্তম্ভে কাজ হয়েছে। শিক্ষামূলক কর্মসূচি ও প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান রোগীদের আগে থেকেই সতর্ক করে, আর মোবাইল ক্লিনিক সেবা পৌঁছে দেয় দূরে।
লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ কেন সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ? কারণ প্রতিস্থাপনের জন্য দাতার প্রয়োজন হয়, আর সচেতনতা ছাড়া দাতা পাওয়া কঠিন। কাবিদাকের ৯২টি প্রতিস্থাপন এই প্রচেষ্টারই ফল। ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইল এসপিএ-কে বলেন, সোসাইটি নাগরিক ও বাসিন্দা উভয়কেই রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা দেয় এবং রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করে।
৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগীর মধ্যে সামাজিক, স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রের কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত। এর মানে সেবা কেবল ওষুধ বা অপারেশনে সীমাবদ্ধ নয়; রোগীর মানসিক ও সামাজিক অবস্থাও বিবেচনায় আসে। লিভার রোগীর পরিবারও সহায়তা পান—এই দিকটি কি আমরা প্রায়ই ভুলে যাই? দীর্ঘমেয়াদি রোগে পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম, আর কাবিদাকের মনোসামাজিক সহায়তা সেই বাস্তবতা স্বীকার করে।
সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে রোগীরা কাবিদাকের সেবা পেয়েছেন। কাসিম অঞ্চলকেন্দ্রিক এই সংস্থা কীভাবে সারা দেশে পৌঁছায়? মোবাইল ক্লিনিক ও রেফারেন্স হাসপাতালের সমন্বয় এর উত্তর হতে পারে। এসপিএ জানিয়েছে, সেবার মধ্যে আছে কমিউনিটি সচেতনতা, চিকিৎসা সেবা এবং কেস স্টাডি। তবে কোন অঞ্চল থেকে কতজন সেবা পেয়েছেন, বা কোন বছর কতজন—এমন বিস্তারিত বিভাজন প্রতিবেদনে নেই।
১৫ বছর একটি সংস্থার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ সময়। কাবিদাক ১৪৩০ হিজরিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, অর্থাৎ ২০২৫ সালের হিসাবে ১৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। এই সময়ে ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগী এবং ৯২টি লিভার প্রতিস্থাপন—এই দুই সংখ্যা সংস্থার ধারাবাহিকতার প্রমাণ। লিভার রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা কতটা ফল দেয়, তা মাপা কঠিন, কিন্তু প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি সেই লক্ষ্যেই পরিচালিত।
রোগী ও পরিবারের জন্য মনোসামাজিক সহায়তা কীভাবে কাজ করে? লিভার রোগ দীর্ঘমেয়াদি হলে আর্থিক ও মানসিক চাপ বাড়ে; কাবিদাকের সেবা সেই চাপ কমাতে সহায়তা করে। ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইলের বক্তব্য অনুযায়ী, সেবা নাগরিক ও বাসিন্দা উভয়ের জন্য, এবং রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে তা দেওয়া হয়। এই সমন্বয় মানে রোগীকে একা হাসপাতাল খুঁজতে হয় না।
লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ ও ৯২টি প্রতিস্থাপন—এই দুটো কি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত? অবশ্যই, কারণ দান ছাড়া প্রতিস্থাপন সম্ভব নয়। সোসাইটির প্রচেষ্টা তাই সচেতনতা থেকে দানের দিকে এগোয়। এসপিএ জানিয়েছে, সোসাইটির কার্যক্রমে লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ আছে, তবে দাতা কতজন বা অপেক্ষমাণ রোগী কতজন—এমন তথ্য প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
কাসিম অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত কাবিদাকের কাজ সারা দেশে ছড়িয়েছে। ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগী বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসেছেন—এই তথ্যই বলে দেয় সংস্থার সেবা কাসিমের সীমানা ছাড়িয়েছে। মোবাইল ক্লিনিক ও প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান সেই বিস্তারের বাহন। লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, প্রতিরোধ এবং মনোসামাজিক সহায়তা—এই তিনটি ক্ষেত্রে সংস্থার ধারাবাহিক কাজ ১৫ বছরে একটি ভিত্তি তৈরি করেছে।
সৌদি চ্যারিটি সোসাইটি ফর লিভার পেশেন্টস (কাবিদাক) সম্পর্কে এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠার তারিখ, সুবিধাভোগীর সংখ্যা, প্রতিস্থাপনের সংখ্যা এবং সেবার ধরন উল্লেখ আছে। ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইলের সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, সেবা নাগরিক ও বাসিন্দা উভয়ের জন্য এবং রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। তবে প্রতিবেদনে সেবার বার্ষিক বিভাজন, আর্থিক তথ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বা নির্দিষ্ট অঞ্চলভিত্তিক সংখ্যা নেই।
লিভার রোগীদের জন্য আশার আলো—এই বর্ণনা কতটা যথাযথ? ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগী এবং ৯২টি প্রতিস্থাপন সেই আশার ভিত্তি। কিন্তু সচেতনতা, প্রতিরোধ ও মনোসামাজিক সহায়তার প্রকৃত প্রভাব বোঝার জন্য আরও বিস্তারিত তথ্য দরকার, যা এই প্রতিবেদনে নেই। তবু কাবিদাকের ১৫ বছরের ধারাবাহিক কাজ কাসিম অঞ্চল থেকে সারা দেশে লিভার রোগীদের সহায়তার একটি মডেল তৈরি করেছে।
কাবিদাক সোসাইটি কী এবং কত বছর ধরে কাজ করছে? সৌদি চ্যারিটি সোসাইটি ফর লিভার পেশেন্টস (কাবিদাক) কাসিম অঞ্চলে ১৪৩০ হিজরিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠার পর ১৫ বছরে সংস্থাটি ৫ লাখের বেশি সুবিধাভোগীকে সেবা দিয়েছে। সেবার মধ্যে কমিউনিটি সচেতনতা, চিকিৎসা সেবা এবং সামাজিক, স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রের কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত।
কাবিদাক কী ধরনের সেবা দেয়? এসপিএ জানিয়েছে, কাবিদাক লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, প্রতিরোধ এবং রোগী ও পরিবারকে মনোসামাজিক সহায়তা দেয়। এর মধ্যে আছে শিক্ষামূলক কর্মসূচি, মোবাইল ক্লিনিক, প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান এবং লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ। সংস্থাটি রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা দেয়।
কতটি লিভার প্রতিস্থাপন সম্পন্ন হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, কাবিদাক ৯২টি লিভার প্রতিস্থাপন সম্পন্ন করেছে। এই প্রতিস্থাপনগুলো রোগী, পরিবার, চিকিৎসক ও দাতাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল। সংস্থাটি লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগও চালায়, কারণ দান ছাড়া প্রতিস্থাপন সম্ভব নয়। তবে দাতা বা অপেক্ষমাণ রোগীর সংখ্যা প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।
কে কাবিদাকের সেবা পেতে পারেন? কাবিদাকের পরিচালনা পর্ষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইল এসপিএ-কে বলেন, সোসাইটি নাগরিক ও বাসিন্দা উভয়কেই তার রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা দেয়। রেফারেন্স হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় করে সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়। সুবিধাভোগীরা সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এসেছেন।
সোসাইটির সেবায় কী কী ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত? এসপিএ জানিয়েছে, কাবিদাকের সেবায় কমিউনিটি সচেতনতা, চিকিৎসা সেবা এবং সামাজিক, স্বাস্থ্য ও মনস্তাত্ত্বিক ক্ষেত্রের কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া আছে শিক্ষামূলক কর্মসূচি, মোবাইল ক্লিনিক, প্রাথমিক শনাক্তকরণ অভিযান এবং লিভার দান উৎসাহিত করার উদ্যোগ। এই সেবাগুলো লিভার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে পরিচালিত।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠার তারিখ, সুবিধাভোগীর সংখ্যা, প্রতিস্থাপনের সংখ্যা, সেবার ধরন এবং ড. রাশিদ মোহাম্মদ আবাআলখাইলের বক্তব্য আছে। তবে সেবার বার্ষিক বিভাজন, অঞ্চলভিত্তিক সংখ্যা, আর্থিক তথ্য, দাতা বা অপেক্ষমাণ রোগীর সংখ্যা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।