রিয়াদ থেকে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এফআইআই) ইনস্টিটিউটের প্রধান সম্মেলনের ১০তম আসর ২০২৭-এ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল “The Power of Legacy”। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এ এই তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এফআইআই ইনস্টিটিউটের সিইও প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজ সোমবার এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সিদ্ধান্তটি ইনস্টিটিউটের অংশীদার, সদস্য, বক্তা ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। পাশাপাশি ১০তম আসর যেন সব প্রত্যাশা পূরণ করে এবং অংশগ্রহণ, আয়োজনের গুণমান ও সার্বিক প্রভাবের দিক থেকে সম্মেলনের বৈশ্বিক মর্যাদা সত্যিকারভাবে ধারণ করে, তা নিশ্চিত করার ইচ্ছাও এর মধ্যে রয়েছে।
রিয়াদে এই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। এখন সেই সময়সূচি বদলে ২০২৭-এ গড়াচ্ছে। তাহলে কি এই বিলম্ব আয়োজনের পরিধি বা অংশগ্রহণের সংখ্যা নিয়ে কোনো নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিচ্ছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে নতুন তারিখ বা নতুন পরিকল্পনার বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজ আরও বলেন, ইনস্টিটিউট একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন উপস্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই আয়োজন এক দশকের অর্জন, কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্মান জানাবে। একই সঙ্গে তার বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ-আকাঙ্ক্ষাকেও ধারণ করবে। এক দশকের অর্জনকে সম্মান জানাতে গিয়ে সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়াই কি সবচেয়ে ভালো উপায়? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর অবশ্য বিবৃতিতে নেই।
তিনি জানান, নতুন তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন, বর্তমানে থাকা সব নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব বৈধ এবং অপরিবর্তিত থাকবে। ইনস্টিটিউটের দলগুলো আগামী দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাবে। তারা যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব অপরিবর্তিত থাকা মানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কী সুবিধা বয়ে আনবে? এসপিএ এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
বিবৃতিতে তিনি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও বোঝাপড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ইনস্টিটিউট তার সদস্যদের সঙ্গে যে সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে তা নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেন। ২০২৭-এ আবারও রিয়াদে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় আছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এই আস্থা ও সম্পর্কই কি সময়সূচি পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে সহজ করেছে? প্রশ্নটি খোলা রয়ে গেল।
সম্মেলনের ১০ম আসরকে ঘিরে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল “The Power of Legacy”। এই প্রতিপাদ্য এক দশকের পথচলাকে সামনে রেখে তৈরি। ২০২৬-এর অক্টোবরের বদলে ২০২৭-এ গেলে সেই ঐতিহ্য উদযাপনের পরিকল্পনায় কী পরিবর্তন আসবে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।
নতুন তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। তবে ঠিক কখন বা কোন মাসে এই ঘোষণা আসবে, তা উল্লেখ করা হয়নি। ২০২৭ সালের কোন সময়ে এই সম্মেলন হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরও আপাতত অনিশ্চিত।
ইনস্টিটিউটের দলগুলো আগামী দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে। এর মধ্যে অংশীদার, সদস্য, বক্তা ও অংশগ্রহণকারীরা রয়েছেন। এই যোগাযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা। তাহলে অংশগ্রহণকারীদের উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর উত্তর কত দ্রুত মিলবে? এসপিএ এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা দেয়নি।
বিবৃতিতে সব বিদ্যমান নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব বৈধ ও অপরিবর্তিত থাকার কথা স্পষ্ট করা হয়েছে। এর অর্থ হলো যারা ইতিমধ্যে নিবন্ধন করেছেন বা অংশীদারিত্বে যুক্ত হয়েছেন, তাদের জন্য কোনো নতুন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে না। এই ধারাবাহিকতা অংশগ্রহণকারীদের আস্থা ধরে রাখতে কতটা সহায়ক হবে? প্রশ্নটি স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে।
প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজ তার বিবৃতিতে বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি ইনস্টিটিউটের সদস্যদের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন। ২০২৭-এ রিয়াদে আবারও অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানানোর কথা বলেছেন। এই প্রত্যাশা পূরণে ইনস্টিটিউট কতটা প্রস্তুত, তা সময়ই বলে দেবে।
সম্মেলনের ১০ম আসরকে ঘিরে যে পরিকল্পনা ছিল, তা এক দশকের অর্জনকে কেন্দ্র করে সাজানো। অংশীদারিত্ব, অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ-আকাঙ্ক্ষা—এই তিনটি দিক বিবৃতিতে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। এই তিনটি উপাদান কীভাবে ২০২৭-এর আয়োজনে প্রতিফলিত হবে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই প্রশ্নের উত্তর নেই।
সম্মেলনটি রিয়াদে হওয়ার কথা ছিল। নতুন তারিখ ঘোষণার পরও স্থান রিয়াদই থাকবে কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। তবে বিবৃতিতে ২০২৭-এ রিয়াদে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানানোর কথা বলা হয়েছে। তাহলে স্থান নিয়ে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই ধরে নেওয়া যায়।
এফআইআই ইনস্টিটিউটের এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এলো, যখন ১০তম আসরকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল উঁচুতে। অংশগ্রহণ, আয়োজনের গুণমান ও সার্বিক প্রভাব—এই তিনটি মানদণ্ডে প্রত্যাশা পূরণের কথা বিবৃতিতে বলা হয়েছে। এই মানদণ্ডগুলো পূরণ করতে হলে আয়োজনে কী কী উপাদান থাকবে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে সেই তালিকা দেওয়া হয়নি।
বিবৃতিতে নতুন তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করার কথা বলা হয়েছে। তবে ‘শীঘ্রই’ বলতে কত দিন বা কত সপ্তাহ বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। অংশগ্রহণকারীরা কখন নিশ্চিত তারিখ জানতে পারবেন? এই অনিশ্চয়তা তাদের পরিকল্পনায় কতটা প্রভাব ফেলবে? প্রশ্নগুলো এখনও ঝুলে আছে।
ইনস্টিটিউটের দলগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই যোগাযোগের মধ্যে প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ও সহায়তা প্রদান অন্তর্ভুক্ত। অংশীদার, সদস্য, বক্তা ও অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা প্রয়োজন থাকতে পারে। সেই প্রয়োজনগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা হবে? এসপিএ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি।
সব বিদ্যমান নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব অপরিবর্তিত থাকার ঘোষণা অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্বস্তির বার্তা। এর ফলে নতুন করে নিবন্ধন বা চুক্তি নবায়নের ঝামেলা নেই। এই ধারাবাহিকতা ইনস্টিটিউটের প্রতি আস্থা বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখবে? প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজের বিবৃতিতে কৃতজ্ঞতা, গর্ব ও প্রত্যাশার কথা এসেছে। তিনি বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও বোঝাপড়ার কথা উল্লেখ করেছেন। ২০২৭-এ রিয়াদে আবারও সবার স্বাগত জানানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। এই প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নিতে কতটা সময় লাগবে? উত্তর মিলবে নতুন তারিখ ঘোষণার সঙ্গে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে সম্মেলনের নতুন তারিখ, আয়োজনের স্থান পরিবর্তন, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা আয়োজনের পরিধি নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। মূল্য, ক্ষমতা বা সময়সূচি সংক্রান্ত কোনো সংখ্যাও প্রতিবেদনে নেই। শুধু বলা হয়েছে, নতুন তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে এবং সব নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব অপরিবর্তিত থাকবে।
সম্মেলনটি কত তারিখে হওয়ার কথা ছিল এবং কেন সরানো হলো? সম্মেলনের ১০তম আসর রিয়াদে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। প্রতিপাদ্য ছিল “The Power of Legacy”। এফআইআই ইনস্টিটিউটের সিইও প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজ বলেন, সিদ্ধান্তটি অংশীদার, সদস্য, বক্তা ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ১০তম আসর যেন সব প্রত্যাশা পূরণ করে এবং অংশগ্রহণ, আয়োজনের গুণমান ও সার্বিক প্রভাবের দিক থেকে বৈশ্বিক মর্যাদা ধারণ করে, তা নিশ্চিত করাও উদ্দেশ্য।
নতুন তারিখ কখন ঘোষণা করা হবে? বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে। তবে ঠিক কোন মাসে বা কত দিনের মধ্যে এই ঘোষণা আসবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। সম্মেলন ২০২৭-এ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। রিয়াদে অংশগ্রহণকারীদের আবারও স্বাগত জানানোর কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে নতুন তারিখ সংক্রান্ত কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
বিদ্যমান নিবন্ধন ও অংশীদারিত্বের কী হবে? প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজ নিশ্চিত করেছেন, সব বিদ্যমান নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব বৈধ এবং অপরিবর্তিত থাকবে। এর অর্থ হলো অংশগ্রহণকারীদের নতুন করে নিবন্ধন করতে হবে না বা অংশীদারিত্ব নবায়নের প্রয়োজন নেই। ইনস্টিটিউটের দলগুলো আগামী দিনগুলোতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাবে, প্রশ্নের উত্তর দেবে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
ইনস্টিটিউটের সিইও কী বলেছেন? এফআইআই ইনস্টিটিউটের সিইও প্রিন্সেস ড. মাহা বিনতে মিশারি বিন আবদুলআজিজ সোমবার এক বিবৃতিতে সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ইনস্টিটিউট একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন উপস্থাপনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা এক দশকের অর্জন, কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে সম্মান জানাবে। বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের আস্থা ও বোঝাপড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ২০২৭-এ রিয়াদে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সম্মেলনের প্রতিপাদ্য কী এবং এর তাৎপর্য কী? সম্মেলনের ১০তম আসরের প্রতিপাদ্য ছিল “The Power of Legacy”। এই প্রতিপাদ্য এক দশকের অর্জন, কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিকে কেন্দ্র করে নির্ধারণ করা হয়েছিল। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আয়োজনটি এক দশকের অর্জনকে সম্মান জানাবে এবং বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের ভবিষ্যৎ-আকাঙ্ক্ষাকেও ধারণ করবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রতিপাদ্য পরিবর্তন বা পরিমার্জন নিয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে সম্মেলনের নতুন নির্দিষ্ট তারিখ, আয়োজনের স্থান পরিবর্তন, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা আয়োজনের পরিধি নিয়ে কোনো তথ্য নেই। মূল্য, ক্ষমতা বা সময়সূচি সংক্রান্ত কোনো সংখ্যাও দেওয়া হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, নতুন তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে এবং সব নিবন্ধন ও অংশীদারিত্ব অপরিবর্তিত থাকবে। ইনস্টিটিউটের দলগুলো সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।