Wednesday, October 21, 2026
অর্থনীতি

এনডিএমসি অক্টোবর ২০২৬ ইস্যু বন্ধ করল, বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল

এনডিএমসি অক্টোবর ২০২৬ ইস্যু বন্ধ করল, বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল

সৌদি আরব সরকারের রিয়াল-নামমাত্র সুকুক প্রোগ্রামের আওতায় অক্টোবর ২০২৬ ইস্যু বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে ন্যাশনাল ডেট ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (এনডিএমসি)। মোট বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২০ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ইস্যুটি চারটি ট্রাঞ্চে বিভক্ত ছিল। প্রথম ট্রাঞ্চের আকার ২৬৫ মিলিয়ন রিয়াল, যা ২০৩১ সালে পরিপক্ব হবে। দ্বিতীয় ট্রাঞ্চের আকার ২.৭৩৫ বিলিয়ন রিয়াল, পরিপক্বতা ২০৩৩ সালে। তৃতীয় ট্রাঞ্চের আকার ৩.৪৪৬ বিলিয়ন রিয়াল, পরিপক্বতা ২০৩৬ সালে। চতুর্থ ট্রাঞ্চের আকার ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল, পরিপক্বতা ২০৩৯ সালে।

চারটি ট্রাঞ্চের আকার যোগ করলে মোট দাঁড়ায় ৬.৭৪৮ বিলিয়ন রিয়াল, যা ঘোষিত মোট বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়ালের সঙ্গে মিলে যায়। অর্থাৎ ইস্যুটির পুরো অঙ্কই চারটি ভিন্ন পরিপক্বতার ধাপে বণ্টিত হয়েছে।

সবচেয়ে বড় অংশটি পড়েছে ২০৩৬ সালে পরিপক্ব হওয়া তৃতীয় ট্রাঞ্চে, যার আকার ৩.৪৪৬ বিলিয়ন রিয়াল। এর পরেই রয়েছে ২০৩৩ সালের দ্বিতীয় ট্রাঞ্চ, ২.৭৩৫ বিলিয়ন রিয়াল। এই দুই ট্রাঞ্চ মিলেই মোট বরাদ্দের সিংহভাগ। অন্যদিকে ২০৩১ ও ২০৩৯ সালের ট্রাঞ্চ দুটি তুলনামূলক ছোট, যথাক্রমে ২৬৫ মিলিয়ন ও ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল।

এমন বণ্টন কেন? দীর্ঘমেয়াদি পরিপক্বতার দিকে ঝুঁকছে ইস্যু—এমনটা কি বোঝা যায়? ২০৩৩ ও ২০৩৬ সালের ট্রাঞ্চ দুটি একত্রে মোট বরাদ্দের প্রায় ৯১ শতাংশের বেশি। অথচ ২০৩১ সালের ট্রাঞ্চ মাত্র ২৬৫ মিলিয়ন রিয়াল, যা মোটের প্রায় ৩.৯ শতাংশ। ২০৩৯ সালের ট্রাঞ্চ ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল, মোটের প্রায় ৪.৫ শতাংশ।

এনডিএমসি চারটি ট্রাঞ্চের আকার ও পরিপক্বতার বছর আলাদা আলাদা করে ঘোষণা করেছে। প্রথম ট্রাঞ্চ ২০৩১, দ্বিতীয় ২০৩৩, তৃতীয় ২০৩৬ এবং চতুর্থ ২০৩৯। প্রতিটি ট্রাঞ্চের আকারও আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সুকুক প্রোগ্রামটি সৌদি আরব সরকারের রিয়াল-নামমাত্র কাঠামোর অধীনে পরিচালিত। ইস্যুটির মোট বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল—এই সংখ্যাটিই ঘোষণার কেন্দ্রে।

এনডিএমসি কীভাবে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা মিলিয়েছে, তা অবশ্য ঘোষণায় বলা হয়নি। কোন কোন বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন, কোন শ্রেণির চাহিদা কেমন ছিল—এসব বিবরণ এসপিএ প্রতিবেদনে নেই।

তবে চারটি ট্রাঞ্চের আকার ও পরিপক্বতার বছর থেকে একটি চিত্র স্পষ্ট। ইস্যুর বড় অংশ দীর্ঘমেয়াদে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০৩৩ ও ২০৩৬ সালের ট্রাঞ্চ দুটিই সবচেয়ে বড়।

প্রশ্ন হলো, ২০৩১ সালের ট্রাঞ্চ এত ছোট কেন? ২৬৫ মিলিয়ন রিয়াল—মোট বরাদ্দের তুলনায় এটি নগণ্য। একইভাবে ২০৩৯ সালের ট্রাঞ্চও ছোট, ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল।

এনডিএমসি চারটি ট্রাঞ্চের মধ্যে সবচেয়ে বড় অঙ্ক বরাদ্দ করেছে ২০৩৬ সালের জন্য। ৩.৪৪৬ বিলিয়ন রিয়াল। এর পরেই ২০৩৩ সালের ২.৭৩৫ বিলিয়ন রিয়াল।

এই দুই ট্রাঞ্চের আকার যোগ করলে দাঁড়ায় ৬.১৮১ বিলিয়ন রিয়াল। মোট বরাদ্দের প্রায় ৯১.৬ শতাংশ। বাকি দুই ট্রাঞ্চ মিলে ৫৬৭ মিলিয়ন রিয়াল।

এমন বিন্যাস কি বাজারের চাহিদার প্রতিফলন? নাকি সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা? এসপিএ প্রতিবেদনে এসবের ব্যাখ্যা নেই।

ইস্যুটি অক্টোবর ২০২৬-এর। এনডিএমসি এটিকে সৌদি আরব সরকারের রিয়াল-নামমাত্র সুকুক প্রোগ্রামের আওতায় বন্ধ ঘোষণা করেছে।

মোট বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল। চারটি ট্রাঞ্চের আকার যথাক্রমে ২৬৫ মিলিয়ন, ২.৭৩৫ বিলিয়ন, ৩.৪৪৬ বিলিয়ন ও ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল।

পরিপক্বতার বছর যথাক্রমে ২০৩১, ২০৩৩, ২০৩৬ ও ২০৩৯।

এনডিএমসি ঘোষণায় ইস্যুটির মোট বরাদ্দ ও ট্রাঞ্চ-বিন্যাসের তথ্য দিয়েছে। তবে কোন ট্রাঞ্চে কত চাহিদা ছিল, কত বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন, বা ইস্যুটির উদ্দেশ্য কী—এসব কিছুই প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

শুধু চারটি ট্রাঞ্চের আকার ও পরিপক্বতার বছর এবং মোট বরাদ্দের সংখ্যাই এসপিএ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়।

এনডিএমসি-র এই ঘোষণা সৌদি আরবের রিয়াল-নামমাত্র সুকুক প্রোগ্রামের অক্টোবর ২০২৬ ইস্যু সংক্রান্ত।

মোট বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল—এই সংখ্যাটি ঘোষণার মূল উপাদান। চারটি ট্রাঞ্চের আকার যোগ করলে ৬.৭৪৮ বিলিয়ন রিয়াল হয়, যা ঘোষিত মোটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সবচেয়ে বড় ট্রাঞ্চ ২০৩৬ সালের, ৩.৪৪৬ বিলিয়ন রিয়াল। দ্বিতীয় বৃহত্তম ২০৩৩ সালের, ২.৭৩৫ বিলিয়ন রিয়াল।

২০৩১ ও ২০৩৯ সালের ট্রাঞ্চ দুটি যথাক্রমে ২৬৫ মিলিয়ন ও ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল।

এনডিএমসি-র ঘোষণায় ইস্যুটির মোট বরাদ্দ, ট্রাঞ্চ সংখ্যা, প্রতিটি ট্রাঞ্চের আকার ও পরিপক্বতার বছর রয়েছে। এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য এসপিএ প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।

অক্টোবর ২০২৬ ইস্যুতে মোট কত বরাদ্দ হয়েছে? ন্যাশনাল ডেট ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (এনডিএমসি) জানিয়েছে, সৌদি আরব সরকারের রিয়াল-নামমাত্র সুকুক প্রোগ্রামের অক্টোবর ২০২৬ ইস্যুতে মোট বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল। ইস্যুটি চারটি ট্রাঞ্চে বিভক্ত ছিল। এসপিএ ২০ অক্টোবর ২০২৬-এ এই ঘোষণা প্রকাশ করে।

ইস্যুটির চারটি ট্রাঞ্চের আকার কত? প্রথম ট্রাঞ্চ ২৬৫ মিলিয়ন রিয়াল, যা ২০৩১ সালে পরিপক্ব হবে। দ্বিতীয় ট্রাঞ্চ ২.৭৩৫ বিলিয়ন রিয়াল, পরিপক্বতা ২০৩৩ সালে। তৃতীয় ট্রাঞ্চ ৩.৪৪৬ বিলিয়ন রিয়াল, পরিপক্বতা ২০৩৬ সালে। চতুর্থ ট্রাঞ্চ ৩০২ মিলিয়ন রিয়াল, পরিপক্বতা ২০৩৯ সালে। এসপিএ এই তথ্য দিয়েছে।

সবচেয়ে বড় ট্রাঞ্চ কোনটি? সবচেয়ে বড় ট্রাঞ্চটি ২০৩৬ সালে পরিপক্ব হওয়া তৃতীয় ট্রাঞ্চ, যার আকার ৩.৪৪৬ বিলিয়ন রিয়াল। এর পরেই রয়েছে ২০৩৩ সালের দ্বিতীয় ট্রাঞ্চ, ২.৭৩৫ বিলিয়ন রিয়াল। এই দুই ট্রাঞ্চ মিলে মোট বরাদ্দের প্রায় ৯১ শতাংশের বেশি। এসপিএ চারটি ট্রাঞ্চের আকার আলাদাভাবে ঘোষণা করেছে।

ইস্যুটি কোন প্রোগ্রামের আওতায়? ইস্যুটি সৌদি আরব সরকারের রিয়াল-নামমাত্র সুকুক প্রোগ্রামের আওতায়। ন্যাশনাল ডেট ম্যানেজমেন্ট সেন্টার (এনডিএমসি) অক্টোবর ২০২৬ ইস্যুটি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। মোট বরাদ্দ ৬.৭৪৯ বিলিয়ন রিয়াল। এসপিএ ২০ অক্টোবর ২০২৬-এ এই তথ্য প্রকাশ করে।

এনডিএমসি-র ঘোষণায় কী কী তথ্য নেই? এসপিএ প্রতিবেদনে ইস্যুটির মোট বরাদ্দ, চারটি ট্রাঞ্চের আকার ও পরিপক্বতার বছর রয়েছে। তবে কোন ট্রাঞ্চে কত চাহিদা ছিল, কত বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন, বা ইস্যুটির উদ্দেশ্য কী—এসব বিবরণ ঘোষণায় নেই। মূল্য বা অতিরিক্ত শর্তের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।