Thursday, October 22, 2026
সামাজিক

কেএসরিলিফ ইয়েমেন থেকে ১৪০ সোমালি শরণার্থীকে প্রত্যাবাসন করল

কেএসরিলিফ ইয়েমেন থেকে ১৪০ সোমালি শরণার্থীকে প্রত্যাবাসন করল

এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ইয়েমেন থেকে ১৪০ জন সোমালি শরণার্থীকে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই কাজটি করেছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ), জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়ের (ইউএনএইচসিআর) সহযোগিতায়। তারিখ ছিল ২১ অক্টোবর ২০২৬।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগটি একটি বৃহত্তর প্রকল্পের অংশ, যার লক্ষ্য শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তা দেওয়া।

একটি সংখ্যা দিয়ে শুরু করা যাক, কারণ সংখ্যাটাই এখানে সবচেয়ে স্পষ্ট তথ্য: ১৪০ জন। এই ১৪০ জন মানুষ ইয়েমেনে ছিলেন শরণার্থী হিসেবে। তাঁরা সোমালিয়া থেকে এসেছিলেন। তাঁরা এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ফিরে গেছেন। ফেরাটা স্বেচ্ছায় হয়েছে কি না, সেটাই বা কেন গুরুত্বপূর্ণ? এসপিএ স্পষ্ট করেছে, যাঁরা স্বেচ্ছায় নিজের ঘরে ফিরতে চান, তাঁদের জন্য সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করাই এই কাজের লক্ষ্য।

কে এই কাজটি করেছে? কেএসরিলিফ। কীভাবে? ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায়। কোথা থেকে? ইয়েমেন থেকে। কোথায় গিয়ে? এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে। কখন? ২১ অক্টোবর ২০২৬। এই পাঁচটি প্রশ্নের উত্তরই এসপিএ-র প্রতিবেদনে আছে। এর বাইরে কিছু নেই।

এখন একটু পেছনে তাকানো যাক। কেএসরিলিফ কী ধরনের প্রতিষ্ঠান? নামেই উত্তর আছে: কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার। এটি সৌদি আরবের মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ সংস্থা। এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগ সৌদি আরবের অঙ্গীকারের প্রতিফলন, যা কেএসরিলিফের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা দেওয়ার কাজে প্রকাশ পায়।

আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় মানে কী? এখানে সেই সংস্থা হলো ইউএনএইচসিআর, জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়। শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে ইউএনএইচসিআরের ভূমিকা কী, সেটা এসপিএ বিস্তারিত বলেনি। তবে এসপিএ বলেছে, কাজটি তাদের সহযোগিতায় হয়েছে। এই সহযোগিতা ছাড়া ১৪০ জনের ফেরা কি সম্ভব হতো? প্রশ্নটা খোলা থাকল, কারণ সূত্রে উত্তর নেই।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, এই কাজ সৌদি আরবের সেই প্রচেষ্টারও প্রকাশ, যেখানে দুর্বল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটানো হয় এবং যাঁরা স্বেচ্ছায় নিজের ঘরে ফিরতে চান, তাঁদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করা হয়। এখানে দুটি কথা আলাদা করে দেখা দরকার। এক, দুর্বল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটানো। দুই, স্বেচ্ছায় ফেরা। দ্বিতীয় কথাটা মানে হলো, জোর করে কাউকে পাঠানো হয়নি, অন্তত এসপিএ-র ভাষায় এমনটাই বোঝা যায়। শরণার্থী প্রত্যাবাসনে স্বেচ্ছা শব্দটা কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা কি ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে?

এখন ভৌগোলিক দিকটা দেখা যাক। ইয়েমেনের এডেন। এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এই বিমানবন্ধর দিয়েই প্রত্যাবাসন হয়েছে। ইয়েমেন থেকে সোমালিয়া যাওয়ার পথে এডেন একটি পরিচিত নাম। এসপিএ অবশ্য এই প্রতিবেদনে ইয়েমেন-সোমালিয়া পথের বিস্তারিত ভূগোল ব্যাখ্যা করেনি। শুধু বলেছে, ইয়েমেন থেকে ১৪০ জন সোমালি শরণার্থীকে ফেরানো হয়েছে, এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে।

তারিখ ও সময়ের দিকটাও লক্ষণীয়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে তারিখ ২১ অক্টোবর ২০২৬। স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিট, গ্রিনিচ মান সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট। সূত্রের নিচে ০০৮৯ নম্বরও আছে। এসবই এসপিএ-র নিজের তথ্য।

এখন প্রশ্ন হলো, এই প্রত্যাবাসন কি এককালীন? এসপিএ বলছে, এটি একটি বৃহত্তর প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটির লক্ষ্য শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তা দেওয়া। তাহলে ১৪০ জন কি প্রথম দল, নাকি শেষ দল? সূত্রে উত্তর নেই। প্রকল্পটি কত দিন চলবে, কত জনকে ফেরানো হবে, কোন কোন দেশ থেকে ফেরানো হবে, এসপিএ এসব কিছু জানায়নি।

আরেকটি দিক: ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে সহযোগিতা। আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করার অর্থ হলো, প্রত্যাবাসনের আগে শরণার্থীদের অবস্থা যাচাই, তাদের সম্মতি নেওয়া, গন্তব্যে পৌঁছানোর পর কী হবে, এসব বিষয়ে সমন্বয় থাকা। এসপিএ এসব প্রক্রিয়ার বিস্তারিত দেয়নি। শুধু বলেছে, কাজটি ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায় হয়েছে। প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে, কিন্তু সূত্রে সেই প্রশ্নের উত্তর নেই।

সৌদি আরবের ভূমিকা এখানে কেএসরিলিফের মাধ্যমে। এসপিএ বলেছে, এই প্রচেষ্টা সৌদি আরবের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। কোন অঙ্গীকার? আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা দেওয়ার অঙ্গীকার। দুর্বল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটানোর অঙ্গীকার। স্বেচ্ছায় ফেরা মানুষদের সম্মানজনক জীবনের অঙ্গীকার। এই তিনটি কথা এসপিএ-র প্রতিবেদনে সরাসরি আছে।

এখন একটু ভাবা যাক, ১৪০ সংখ্যাটা কত বড়। একটি বিমানবন্দর দিয়ে ১৪০ জনের যাত্রা। একটি দল। কিন্তু প্রত্যাবাসন মানে শুধু একটি যাত্রা নয়। এর পেছনে থাকে কাগজপত্র, যাচাই, পরিবহন, গন্তব্যে গ্রহণ। এসপিএ এই ধাপগুলোর কোনোটির বিস্তারিত দেয়নি। শুধু ফলাফলটা দিয়েছে: ১৪০ জন ফিরেছেন।

প্রশ্ন করা যাক, এই ধরনের প্রত্যাবাসন কেন হয়? এসপিএ-র ভাষায়, শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা দেওয়ার বৃহত্তর প্রকল্পের অংশ হিসেবে। অর্থাৎ এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পটি কে চালায়? কেএসরিলিফ, ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায়। কারা উপকৃত হন? শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ। কারা ফেরেন? যাঁরা স্বেচ্ছায় ফিরতে চান।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে একটি বাক্য আছে, যা বারবার পড়ার মতো: সৌদি আরবের প্রচেষ্টা দুর্বল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটায় এবং যাঁরা স্বেচ্ছায় নিজের ঘরে ফিরতে চান, তাঁদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করে। এখানে সম্মানজনক শব্দটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যাবাসন যদি সম্মানজনক না হয়, তাহলে সেটা প্রত্যাবাসন নয়, বিতাড়ন। এসপিএ স্পষ্টভাবে স্বেচ্ছা ও সম্মানজনক দুটো শব্দই ব্যবহার করেছে। এটা কি কেবল ভাষার বিষয়, নাকি নীতির? সূত্রে এর ব্যাখ্যা নেই, তবে শব্দ দুটো আছে।

এখন কাঠামোর দিকটা দেখা যাক। কেএসরিলিফ সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান। ইউএনএইচসিআর জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠান। দুটির মধ্যে সহযোগিতা মানে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্তরের সমন্বয়। এই সমন্বয় কীভাবে হয়, কে সিদ্ধান্ত নেয়, কে খরচ বহন করে, এসপিএ এসব জানায়নি। শুধু বলেছে, কাজটি সহযোগিতায় হয়েছে।

আরও একটি প্রশ্ন: এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কেন? ইয়েমেন থেকে প্রত্যাবাসনে এডেন একটি প্রধান প্রবেশপথ। কিন্তু এসপিএ কেন এই বিমানবন্দর বেছে নেওয়া হলো, তা ব্যাখ্যা করেনি। শুধু বলেছে, এই বিমানবন্দর দিয়েই প্রত্যাবাসন হয়েছে।

এখন পাঠকের জন্য একটি প্রশ্ন: ১৪০ জন ফিরেছেন, কিন্তু বাকিরা? ইয়েমেনে আরও সোমালি শরণার্থী আছেন কি? থাকলে তাঁদের কী হবে? এসপিএ এই প্রশ্নের উত্তর দেয়নি। প্রতিবেদনে শুধু ১৪০ জনের কথা আছে। বৃহত্তর প্রকল্পের কথা আছে, কিন্তু প্রকল্পের পরিধি কত, তা নেই।

আরেকটি প্রশ্ন: এই প্রত্যাবাসনের খরচ কে বহন করেছে? কেএসরিলিফ, ইউএনএইচসিআর, নাকি অন্য কেউ? এসপিএ খরচের কোনো উল্লেখ করেনি।

আরেকটি প্রশ্ন: প্রত্যাবাসিত ১৪০ জনের মধ্যে কতজন নারী, কতজন শিশু, কতজন পুরুষ? এসপিএ এই ভাঙন দেয়নি। শুধু ১৪০ জন সোমালি শরণার্থী।

আরেকটি প্রশ্ন: তাঁরা সোমালিয়ার কোথায় ফিরেছেন? কোন শহরে, কোন অঞ্চলে? এসপিএ গন্তব্যের বিস্তারিত দেয়নি। শুধু বলেছে, সোমালি শরণার্থী এবং ইয়েমেন থেকে প্রত্যাবাসন।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সূত্রে নেই, তাই এখানেও নেই। যা আছে, তা হলো: ১৪০ জন, সোমালি শরণার্থী, ইয়েমেন থেকে, এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে, ২১ অক্টোবর ২০২৬, কেএসরিলিফ, ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায়, একটি বৃহত্তর প্রকল্পের অংশ, যার লক্ষ্য সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা।

এখন সংক্ষেপে সাজানো যাক। প্রথমত, ঘটনাটি মানবিক। দ্বিতীয়ত, এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফল। তৃতীয়ত, এটি একটি প্রকল্পের অংশ, একক ঘটনা নয়। চতুর্থত, এতে স্বেচ্ছা ও সম্মানজনক ফেরার কথা আছে। পঞ্চমত, সৌদি আরবের ভূমিকা কেএসরিলিফের মাধ্যমে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনের ভাষা সংক্ষিপ্ত। তিনটি অনুচ্ছেদ। প্রথমে ঘটনা, তারপর প্রেক্ষাপট, শেষে সূত্র। এই সংক্ষিপ্ততার মধ্যে একটি বড় বার্তা আছে: সৌদি আরব, কেএসরিলিফের মাধ্যমে, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে মিলে, শরণার্থীদের ফেরাতে সহায়তা করছে। বার্তাটি এসপিএ-র নিজের ভাষায় দেওয়া।

এখন একটি প্রশ্ন পাঠকের কাছে: এই ধরনের খবর কি সাধারণ? মানবিক সহায়তার খবর প্রায়ই আসে, কিন্তু প্রত্যাবাসনের খবর কম আসে। প্রত্যাবাসন মানে একটি অধ্যায়ের শেষ। ১৪০ জনের জন্য ইয়েমেনের শরণার্থী জীবন শেষ হলো, সোমালিয়ার ঘরের জীবন শুরু হলো। এই পরিবর্তন কতটা সহজ, তা কেউ জানে না। এসপিএ জানায়নি।

আরেকটি প্রশ্ন: ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতা মানে কি প্রত্যাবাসন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে হয়েছে? এসপিএ মানদণ্ডের কথা বলেনি, শুধু সহযোগিতার কথা বলেছে।

আরেকটি প্রশ্ন: এই প্রকল্পের আওতায় আর কত জনকে ফেরানো হবে? এসপিএ প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা দেয়নি।

আরেকটি প্রশ্ন: প্রত্যাবাসনের পর তাঁদের কী হবে? এসপিএ এই প্রশ্নের উত্তর দেয়নি।

এই প্রশ্নগুলো খোলা রেখেই প্রতিবেদন শেষ হচ্ছে, কারণ সূত্রে উত্তর নেই। যা আছে, তা হলো ঘটনার মূল তথ্য। আর সেই তথ্যের কেন্দ্রে ১৪০ জন মানুষ, যাঁরা ইয়েমেন থেকে সোমালিয়ায় ফিরেছেন, এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে, কেএসরিলিফ ও ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায়, ২১ অক্টোবর ২০২৬।

সবশেষে একটি কথা। এসপিএ-র প্রতিবেদনে মূল্য, খরচ, সময়সূচি, প্রকল্পের মেয়াদ, প্রত্যাবাসিতদের বিস্তারিত পরিচয় বা গন্তব্যের কোনো তথ্য নেই। শুধু আছে ঘটনা ও তার প্রেক্ষাপট। এই সীমাবদ্ধতাটুকু স্পষ্ট করে বলা দরকার, যাতে পাঠক জানেন কোন প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

কেএসরিলিফ কতজন শরণার্থীকে প্রত্যাবাসন করেছে এবং কোথা থেকে কোথায়? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ) ১৪০ জন সোমালি শরণার্থীকে ইয়েমেন থেকে প্রত্যাবাসন করেছে। প্রত্যাবাসনটি হয়েছে এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে। তারিখ ছিল ২১ অক্টোবর ২০২৬। এসপিএ আরও জানিয়েছে, কাজটি জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়ের (ইউএনএইচসিআর) সহযোগিতায় হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রত্যাবাসিতদের বিস্তারিত পরিচয় বা সোমালিয়ার গন্তব্য সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।

এই প্রত্যাবাসন কোন প্রকল্পের অংশ এবং এর লক্ষ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগটি একটি বৃহত্তর প্রকল্পের অংশ, যার লক্ষ্য শরণার্থী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সুরক্ষা এবং মানবিক সহায়তা দেওয়া। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রচেষ্টা সৌদি আরবের অঙ্গীকারের প্রতিফলন, যা কেএসরিলিফের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা দেওয়ার কাজে প্রকাশ পায়। এসপিএ প্রকল্পের মেয়াদ, লক্ষ্যমাত্রা বা পরিধি সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়নি।

সৌদি আরবের ভূমিকা সম্পর্কে এসপিএ কী বলেছে? এসপিএ জানিয়েছে, এই প্রচেষ্টা সৌদি আরবের অঙ্গীকারের প্রতিফলন, যা কেএসরিলিফের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে মানবিক সহায়তা দেওয়ার কাজে প্রকাশ পায়। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এটি সৌদি আরবের সেই প্রচেষ্টার প্রকাশ, যেখানে দুর্বল জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটানো হয় এবং যাঁরা স্বেচ্ছায় নিজের ঘরে ফিরতে চান, তাঁদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করা হয়। এসপিএ খরচ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু জানায়নি।

প্রত্যাবাসনে ইউএনএইচসিআরের ভূমিকা কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনটি জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয়ের (ইউএনএইচসিআর) সহযোগিতায় হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে করা হয়েছে। তবে এসপিএ এই সহযোগিতার বিস্তারিত প্রক্রিয়া, যেমন যাচাই, সম্মতি গ্রহণ বা গন্তব্যে গ্রহণের ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু জানায়নি। শুধু বলা হয়েছে, প্রত্যাবাসনটি ইউএনএইচসিআরের সহযোগিতায় সম্পন্ন হয়েছে।

প্রত্যাবাসনের তারিখ ও সময় সম্পর্কে কী জানা যায়? এসপিএ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনটি হয়েছে ২১ অক্টোবর ২০২৬। প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিট এবং গ্রিনিচ মান সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্রের নিচে ০০৮৯ নম্বরও দেওয়া আছে। এসপিএ আরও জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনটি হয়েছে এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে। প্রতিবেদনে এই সময়সূচির বাইরে অন্য কোনো সময় বা তারিখের উল্লেখ নেই।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রত্যাবাসনের খরচ, প্রকল্পের মেয়াদ, প্রত্যাবাসিত ১৪০ জনের মধ্যে নারী-শিশু-পুরুষের ভাঙন, সোমালিয়ার গন্তব্য এবং প্রত্যাবাসনের পর তাঁদের কী হবে, এসব তথ্য নেই। এছাড়া এই প্রত্যাবাসন এককালীন কি না, প্রকল্পের আওতায় আর কত জনকে ফেরানো হবে, বা ইয়েমেনে আরও সোমালি শরণার্থী আছেন কি না, সে বিষয়েও কিছু বলা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু ঘটনা ও তার প্রেক্ষাপট দেওয়া হয়েছে।