সিরিয়ার ১৪টি গভর্নরেটের ৮৩টি ডায়ালাইসিস কেন্দ্রে সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ), যার সরাসরি সুবিধাভোগী ৫ হাজার মানুষ। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ১৩ আগস্ট থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত এই স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ৪৮টি বিশেষায়িত পানি পরিশোধন ইউনিট ও ৫০০টি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এর সঙ্গে দেওয়া হয়েছে চিকিৎসা সামগ্রী ও ডায়ালাইসিস সলিউশন, যা ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ ডায়ালাইসিস সেশনের জন্য প্রয়োজন।
ডায়ালাইসিস সেশন মানে কী, তা হয়তো অনেকেরই জানা। কিডনি বিকল হয়ে পড়া রোগীর রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল যন্ত্রের মাধ্যমে ছেঁকে বের করার প্রক্রিয়াই ডায়ালাইসিস। সিরিয়ার মতো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে এই সেবা টিকিয়ে রাখতে যন্ত্রপাতির পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি ও স্থির বিদ্যুৎ কতটা জরুরি, তা ভেবে দেখেছেন কি?
কেএসরিলিফের এই প্রকল্প শুধু ওষুধ বা সলিউশন সরবরাহেই থেমে থাকেনি। ডায়ালাইসিস মেশিন চালাতে যে পানি লাগে, তা পরিশোধনের জন্য ৪৮টি ইউনিট দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুতের ওঠানামা যাতে মেশিনের ক্ষতি না করে বা সেশন ব্যাহত না করে, সেজন্য বসানো হয়েছে ৫০০টি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার। এই দুটি উপাদান ছাড়া ডায়ালাইসিস সেবা কতটা ঝুঁকিতে পড়ে, তা কি কল্পনা করা যায়?
প্রকল্পটি ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ শুরু হয়ে ১২ অক্টোবর ২০২৬-এ শেষ হয়। দুই মাসের এই সময়কালে ১৪টি গভর্নরেটের ৮৩টি কেন্দ্রে সহায়তা পৌঁছেছে। সিরিয়ার স্বাস্থ্য খাত দীর্ঘ সংঘাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত; হাসপাতাল ও ক্লিনিকের অবকাঠামো, সরবরাহ শৃঙ্খল ও জনবল—সব ক্ষেত্রেই চাপ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কিডনি রোগীদের নিয়মিত ডায়ালাইসিস সেশন বন্ধ হয়ে গেলে কী ঘটতে পারে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক।
কেএসরিলিফ জানিয়েছে, এই উদ্যোগ সৌদি আরবের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ। এর লক্ষ্য সিরিয়ার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, অত্যাবশ্যক সেবা টিকিয়ে রাখা এবং স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারকে সহায়তা করা। ৫ হাজার মানুষ সরাসরি সুবিধা পেয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। তবে এই সংখ্যা কি প্রকৃত চাহিদার পুরোটাই পূরণ করে?
ডায়ালাইসিস রোগীর জন্য সেশন মানে শুধু একটি চিকিৎসা নয়, বেঁচে থাকার নিয়মিত চক্র। সপ্তাহে কয়েকবার কেন্দ্রে যাওয়া, যন্ত্রের সঙ্গে ঘণ্টা কাটানো, রক্ত পরীক্ষা, খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে একটি দীর্ঘ যাত্রা। এই যাত্রায় পানি পরিশোধনের ইউনিট বা ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ছোট মনে হলেও, সেশন ব্যর্থ হলে রোগীর জীবনে তার প্রভাব কতটা বড় হতে পারে?
১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ ডায়ালাইসিস সেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সলিউশন ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে। এই সংখ্যাটি একদিকে যেমন বড়, তেমনি এটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের হিসাব। ৮৩টি কেন্দ্রে প্রতিদিন কত সেশন হয়, তার হিসাব সূত্রে আলাদা করে দেওয়া হয়নি। প্রকল্প শেষ হওয়ার পর এই কেন্দ্রগুলো কীভাবে চলবে, সে প্রশ্নও সামনে আসে।
সিরিয়ার ১৪টি গভর্নরেটে সহায়তা পৌঁছেছে। কোন কোন গভর্নরেট বা কোন কেন্দ্রগুলোতে কত ইউনিট গেছে, তা এসপিএ প্রতিবেদনে বিস্তারিত বলা হয়নি। ৪৮টি পানি পরিশোধন ইউনিট ও ৫০০টি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার কীভাবে বণ্টন করা হয়েছে, সেই ভৌগোলিক বিভাজনও স্পষ্ট নয়। এই তথ্য না থাকলে কেন্দ্রগুলোর মধ্যে বণ্টন নিয়ে প্রশ্ন ওঠা কি অস্বাভাবিক?
সৌদি আরবের মানবিক সংস্থা কেএসরিলিফ বিভিন্ন দেশে স্বাস্থ্য, খাদ্য, আশ্রয় ও পানি খাতে সহায়তা দিয়ে থাকে। সিরিয়ার স্বাস্থ্য খাতে এই ধরনের সহায়তা নতুন কিছু নয়, তবে প্রতিটি প্রকল্পের পরিধি ও সময়সীমা আলাদা। এই প্রকল্পের মোট ব্যয় কত, তা সূত্রে উল্লেখ করা হয়নি। ব্যয়ের হিসাব না জানলে কার্যকারিতা মূল্যায়ন কতটা সম্ভব?
কিডনি বিকল রোগীর সংখ্যা বিশ্বজুড়ে বাড়ছে। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে চিকিৎসা সরবরাহ বিঘ্নিত হলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েন দীর্ঘমেয়াদি রোগীরা। ডায়ালাইসিস বন্ধ হলে কয়েক দিনের মধ্যেই রোগীর অবস্থা গুরুতর হতে পারে। তাই সেশন সংখ্যা, সলিউশনের মজুত ও যন্ত্রপাতির নির্ভরযোগ্যতা—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে দেখতে হয়। এই প্রকল্প তিনটি ক্ষেত্রেই কিছুটা সহায়তা দিয়েছে বলে সূত্র জানাচ্ছে।
পানি পরিশোধন ইউনিটের ভূমিকা নিয়ে আলাদা করে ভাবা দরকার। ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত পানিতে নির্দিষ্ট মান না থাকলে রোগীর রক্তে ক্ষতিকর উপাদান ঢুকতে পারে। তাই ইউনিটের রক্ষণাবেক্ষণ ও ফিল্টার পরিবর্তন কতটা নিয়মিত হবে, তা গুরুত্বপূর্ণ। ৪৮টি ইউনিটের জন্য রক্ষণাবেক্ষণের পরিকল্পনা কী, তা সূত্রে বলা হয়নি। এই প্রশ্ন কি অপ্রাসঙ্গিক?
ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ৫০০টি সরবরাহ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত হলে ডায়ালাইসিস মেশিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। স্ট্যাবিলাইজার সেই ঝুঁকি কমায়। কিন্তু যেখানে বিদ্যুৎই থাকে না, সেখানে স্ট্যাবিলাইজার দিয়ে কী হবে? সিরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি ভিন্ন। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে কি?
প্রকল্পের সময়কাল ১৩ আগস্ট থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬। দুই মাসে ৫ হাজার রোগী সরাসরি সুবিধা পেয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ সেশন হয়েছে। হিসাব করলে দেখা যায়, প্রতি রোগীর জন্য গড়ে কত সেশন পড়ে, তা নিয়ে ভাবা যায়। তবে সূত্রে রোগীর সংখ্যা ও সেশনের সংখ্যার বাইরে বিস্তারিত পরিসংখ্যান নেই। গড় হিসাব করলে প্রকৃত চিত্র কি পুরোপুরি ধরা পড়ে?
সিরিয়ার স্বাস্থ্য খাতের পুনরুদ্ধার একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। একটি প্রকল্প দুই মাস চললেও সেই প্রক্রিয়ার একটি অংশমাত্র। কেএসরিলিফের লক্ষ্য অত্যাবশ্যক সেবা টিকিয়ে রাখা ও দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা। কিন্তু একবার সহায়তা শেষ হলে কেন্দ্রগুলো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে কি? এই প্রশ্নের উত্তর সূত্রে নেই।
ডায়ালাইসিস কেন্দ্র চালাতে জনবলও দরকার। প্রশিক্ষিত নার্স, টেকনিশিয়ান ও চিকিৎসক ছাড়া যন্ত্রপাতি থাকলেও সেবা দেওয়া যায় না। এই প্রকল্পে জনবল প্রশিক্ষণ বা নিয়োগের কথা সূত্রে উল্লেখ করা হয়নি। শুধু সরঞ্জাম সরবরাহ করলে সেবার মান কতটা টেকে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকা স্বাভাবিক।
চিকিৎসা সামগ্রী ও ডায়ালাইসিস সলিউশন ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ সেশনের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু সলিউশনের মজুত শেষ হলে নতুন সরবরাহ কোথা থেকে আসবে, তা স্পষ্ট নয়। সরবরাহ শৃঙ্খল সংঘাত, অবরোধ বা অর্থনৈতিক সংকটে ব্যাহত হতে পারে। এমন ঝুঁকি মোকাবিলায় কী পরিকল্পনা আছে, তা সূত্রে বলা হয়নি।
সৌদি আরবের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তার একটি অংশ। কেএসরিলিফের নাম সংযুক্ত থাকায় প্রকল্পটি সৌদি সরকারের মানবিক ভূমিকার সঙ্গে যুক্ত। তবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় কতটা হয়েছে, তা সূত্রে উল্লেখ নেই। সমন্বয় ছাড়া সহায়তা পৌঁছানো কতটা কার্যকর হয়, তা নিয়ে বিতর্ক আছে।
সিরিয়ার ১৪টি গভর্নরেটের ৮৩টি কেন্দ্র—এই বিস্তৃত পরিসর দেখায় যে সহায়তা তুলনামূলকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি কেন্দ্রের চাহিদা সমান নয়। কোথাও রোগীর চাপ বেশি, কোথাও কম। চাহিদা অনুযায়ী বণ্টন হয়েছে কি না, সেই তথ্য সূত্রে নেই। এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলে প্রকল্পের কার্যকারিতা বোঝা সহজ হতো।
প্রকল্পটি ১২ অক্টোবর ২০২৬-এ শেষ হয়েছে। এর পরবর্তী ধাপ কী, তা সূত্রে জানানো হয়নি। নতুন কোনো প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে কি না, বা এই কেন্দ্রগুলোর জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহায়তার পরিকল্পনা আছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর প্রতিবেদনে নেই। এসপিএ শুধু প্রকল্পের সময়কাল, সুবিধাভোগীর সংখ্যা, সরবরাহকৃত সরঞ্জাম ও সেশনের সংখ্যা জানিয়েছে।
এসপিএ প্রতিবেদনে প্রকল্পের মোট ব্যয়, কেন্দ্রভিত্তিক বণ্টনের বিস্তারিত, জনবল প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনা বা ভবিষ্যতের ধাপ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় ২১টা ৩৪ মিনিট ও জিএমটি ১৮টা ৩৪ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফ সিরিয়ায় কী কী সরবরাহ করেছে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় ৪৮টি বিশেষায়িত পানি পরিশোধন ইউনিট ও ৫০০টি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এর সঙ্গে দেওয়া হয়েছে চিকিৎসা সামগ্রী ও ডায়ালাইসিস সলিউশন, যা ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ ডায়ালাইসিস সেশনের জন্য প্রয়োজন। সহায়তা পৌঁছেছে সিরিয়ার ১৪টি গভর্নরেটের ৮৩টি ডায়ালাইসিস কেন্দ্রে।
প্রকল্পটি কত দিন চলেছিল এবং কত মানুষ উপকৃত হয়েছেন? প্রকল্পটি ১৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, এতে সরাসরি ৫ হাজার মানুষ সুবিধা পেয়েছেন। সহায়তা দেওয়া হয়েছে ১৪টি গভর্নরেটের ৮৩টি ডায়ালাইসিস কেন্দ্রে। সূত্রে কেন্দ্রভিত্তিক বণ্টন বা প্রতিটি কেন্দ্রে কত রোগী ছিলেন, সেই বিস্তারিত আলাদা করে বলা হয়নি।
এই প্রকল্পের লক্ষ্য কী ছিল? এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগ সৌদি আরবের মানবিক প্রচেষ্টার অংশ। এর লক্ষ্য সিরিয়ার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা, অত্যাবশ্যক সেবা টিকিয়ে রাখা এবং স্বাস্থ্য খাতের দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধারকে সহায়তা করা। কিডনি বিকল রোগীদের চিকিৎসার মান উন্নত করাও প্রকল্পের উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পানি পরিশোধন ইউনিট ও ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার কেন গুরুত্বপূর্ণ? ডায়ালাইসিসে ব্যবহৃত পানির নির্দিষ্ট মান না থাকলে রোগীর রক্তে ক্ষতিকর উপাদান ঢুকতে পারে, তাই পরিশোধন ইউনিট জরুরি। আবার বিদ্যুতের ওঠানামা ডায়ালাইসিস মেশিনের ক্ষতি করতে পারে বা সেশন ব্যাহত করতে পারে, যা ঠেকাতে ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার কাজ করে। এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পে ৪৮টি পানি পরিশোধন ইউনিট ও ৫০০টি ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার সরবরাহ করা হয়েছে।
প্রকল্পটি কোন সময়ে ও কোন তারিখে ঘোষণা করা হয়? এসপিএ ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে। এতে স্থানীয় সময় ২১টা ৩৪ মিনিট ও জিএমটি ১৮টা ৩৪ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয় ১৩ আগস্ট ২০২৬ থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। প্রতিবেদনের সূত্র হিসেবে দামেস্কের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকল্প শেষ হওয়ার পর কী হবে, তা কি জানা গেছে? এসপিএ প্রতিবেদনে প্রকল্প শেষ হওয়ার পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। মোট ব্যয়, কেন্দ্রভিত্তিক বণ্টনের বিস্তারিত, জনবল প্রশিক্ষণ বা রক্ষণাবেক্ষণ পরিকল্পনাও সূত্রে উল্লেখ নেই। শুধু প্রকল্পের সময়কাল, সুবিধাভোগীর সংখ্যা, সরবরাহকৃত সরঞ্জাম ও ডায়ালাইসিস সেশনের সংখ্যা জানানো হয়েছে।