Friday, October 23, 2026
অর্থনীতি

সৌদি আরব জি২০-তে অডিটিং ও অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিস সূচকে প্রথম

সৌদি আরব জি২০-তে অডিটিং ও অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিস সূচকে প্রথম

জি২০-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে সৌদি আরব প্রথম স্থান অর্জন করেছে। সূচকটি ব্যবসায়িক পরিবেশে পেশাগত চর্চার গুণমান এবং অ্যাকাউন্টিং খাতের অগ্রগতিকে প্রতিফলিত করে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, গত এক দশকে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশটির অডিটিং ও অ্যাকাউন্টিং পেশায় বড় রকমের রূপান্তর ঘটেছে। এই পরিবর্তনগুলো আইন, পেশাগত মান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পারফরম্যান্সের গুণমান তদারকি—এই চারটি ক্ষেত্রকে ঘিরে হয়েছে। এর ফলে আর্থিক বিবরণী ও প্রতিবেদনের ওপর আস্থা জোরদার হয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, চলতি বছরের জুন মাসে সৌদি অর্গানাইজেশন ফর চার্টার্ড অ্যান্ড প্রফেশনাল অ্যাকাউন্ট্যান্টস (SOCPA) ঘোষণা করেছিল যে অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে অন্তর্ভুক্ত দেশ ও অর্থনীতিগুলোর মধ্যে সৌদি আরব বিশ্বে নবম স্থানে উঠে এসেছে। সূচকটি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট (IMD) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড কম্পিটিটিভনেস ইয়ারবুক ২০২৬-এর অংশ।

সেই তালিকায় সৌদি আরবের আগে ছিল ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, তাইওয়ান, অস্ট্রিয়া, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও হংকং।

এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের অ্যাকাউন্টিং খাতে ৩০০-র বেশি সংস্কার হয়েছে, যা আইনি, পদ্ধতিগত ও পেশাগত দিককে কভার করে। এই সংস্কারগুলো পেশার প্রতিরোধমূলক ভূমিকা জোরদার করেছে, আর্থিক লেনদেন সুরক্ষিত করেছে, তার দক্ষতা বাড়িয়েছে এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৈচিত্র্যময় হওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রকাশের গুণমান উন্নত করেছে।

SOCPA-র সিইও ড. আহমদ আল-মেঘামেস বলেছেন, উচ্চমানের অডিটিং ও অ্যাকাউন্টিং চর্চা আর্থিক বিবরণীর ওপর আস্থা বাড়ায়। বিনিয়োগকারীরা এই বিবরণীর ওপর ভরসা করে সুযোগ মূল্যায়ন করেন, অর্থদাতারা ঝুঁকি মূল্যায়নে ব্যবহার করেন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সিদ্ধান্ত নিতে ব্যবহার করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পেশার উন্নয়ন জাতীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের আকর্ষণীয়তা বাড়ায়।

আল-মেঘামেস উল্লেখ করেন, সংস্থার ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের কৌশল এই অর্জনগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে চর্চার গুণমান ও পেশাগত মান আরও এগিয়ে নেবে।

এসপিএ আরও জানিয়েছে, সৌদি আরব জি২০-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে প্রথম হয়েছে। এই সূচকটি পেশাগত চর্চার গুণমান এবং অ্যাকাউন্টিং খাতের অগ্রগতির প্রতিফলন।

প্রশ্ন থেকে যায়, একটি সূচকে শীর্ষে ওঠা কি সত্যিই বিনিয়োগকারীর আস্থার সবচেয়ে বড় প্রমাণ? নাকি আস্থা তৈরি হয় দৈনন্দিন লেনদেনের স্বচ্ছতা থেকে?

দশকের রূপান্তরের কথা বলতে গিয়ে এসপিএ চারটি ক্ষেত্রের কথা বলেছে—আইন, পেশাগত মান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পারফরম্যান্সের গুণমান তদারকি। এই চারটি ক্ষেত্র একসঙ্গে না এগোলে কি আস্থা টেকসই হয়?

এসপিএ জানিয়েছে, এই পরিবর্তনগুলো আর্থিক বিবরণী ও প্রতিবেদনের ওপর আস্থা জোরদার করতে সাহায্য করেছে। আস্থা যদি বাড়ে, তবে তার সুফল কি শুধু বড় প্রতিষ্ঠান পায়, নাকি ছোট ব্যবসাও?

জুন মাসে SOCPA-র ঘোষণায় সৌদি আরব বিশ্বে নবম স্থানে উঠে আসে। ওয়ার্ল্ড কম্পিটিটিভনেস ইয়ারবুক ২০২৬-এর এই সূচকে সৌদি আরবের আগে ছিল ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, তাইওয়ান, অস্ট্রিয়া, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও হংকং।

নবম থেকে জি২০-তে প্রথম—এই দুই অবস্থানের মধ্যে দূরত্ব কীভাবে মাপা হয়? সূচকের মানদণ্ড কি সব দেশের জন্য একই?

এসপিএ জানিয়েছে, অ্যাকাউন্টিং খাতে ৩০০-র বেশি সংস্কার হয়েছে। এগুলো আইনি, পদ্ধতিগত ও পেশাগত দিক কভার করে। সংস্কারগুলো পেশার প্রতিরোধমূলক ভূমিকা জোরদার করেছে এবং আর্থিক লেনদেন সুরক্ষিত করেছে।

সংখ্যাগত সংস্কার আর মাঠপর্যায়ের পরিবর্তন কি একই গতি ধরে রাখে? প্রতিরোধমূলক ভূমিকা জোরদার হলে কি জালিয়াতির ঝুঁকি কমে?

এসপিএ জানিয়েছে, সংস্কারগুলো আর্থিক লেনদেনের দক্ষতা বাড়িয়েছে এবং প্রকাশের গুণমান উন্নত করেছে। এটি হয়েছে বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৈচিত্র্যময় হওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।

বিনিয়োগ বাড়লে কি স্বচ্ছতার চাপও বাড়ে? নাকি স্বচ্ছতা আগে বাড়লে বিনিয়োগ আসে?

SOCPA-র সিইও ড. আহমদ আল-মেঘামেস বলেছেন, উচ্চমানের অডিটিং ও অ্যাকাউন্টিং চর্চা আর্থিক বিবরণীর ওপর আস্থা বাড়ায়। বিনিয়োগকারীরা এই বিবরণী দিয়ে সুযোগ মূল্যায়ন করেন, অর্থদাতারা ঝুঁকি মূল্যায়নে ব্যবহার করেন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সিদ্ধান্ত নেয়।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, পেশার উন্নয়ন জাতীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের আকর্ষণীয়তা বাড়ায়।

একটি পেশার মান উন্নত হলে তা কি সত্যিই গোটা অর্থনীতির আকর্ষণীয়তা বাড়ায়? নাকি আকর্ষণীয়তা নির্ভর করে আরও বড় নীতির ওপর?

আল-মেঘামেস উল্লেখ করেন, সংস্থার ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের কৌশল এই অর্জনগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে চর্চার গুণমান ও পেশাগত মান আরও এগিয়ে নেবে।

ছয় বছরের এই কৌশল কি নতুন সংস্কারের পথ দেখাবে? আর সেই সংস্কার কতটা দ্রুত বাস্তবে পৌঁছাবে?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে সৌদি আরবের প্রথম স্থানের কথা বলা হয়েছে, যা জি২০-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সূচকটি পেশাগত চর্চার গুণমান এবং অ্যাকাউন্টিং খাতের অগ্রগতির প্রতিফলন।

এসপিএ জানিয়েছে, গত এক দশকে পেশাটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। পরিবর্তনগুলো আইন, পেশাগত মান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পারফরম্যান্সের গুণমান তদারকিতে হয়েছে। এতে আর্থিক বিবরণী ও প্রতিবেদনের ওপর আস্থা জোরদার হয়েছে।

এসপিএ জানিয়েছে, ৩০০-র বেশি সংস্কার পেশার প্রতিরোধমূলক ভূমিকা জোরদার করেছে, আর্থিক লেনদেন সুরক্ষিত করেছে, দক্ষতা বাড়িয়েছে এবং প্রকাশের গুণমান উন্নত করেছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সূচকের স্কোর, দেশভিত্তিক পয়েন্ট, সংস্কারের সময়সীমা বা ভবিষ্যতের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়নি।

সৌদি আরব কোন সূচকে জি২০-তে প্রথম হয়েছে?\ সৌদি আরব জি২০-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে প্রথম স্থান পেয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, সূচকটি পেশাগত চর্চার গুণমান এবং অ্যাকাউন্টিং খাতের অগ্রগতির প্রতিফলন করে। একই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অর্জন ব্যবসায়িক পরিবেশে পেশাগত চর্চার মানও তুলে ধরে।

বিশ্ব সূচকে সৌদি আরবের অবস্থান কী ছিল?\ চলতি বছরের জুন মাসে SOCPA ঘোষণা করেছিল, অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে অন্তর্ভুক্ত দেশ ও অর্থনীতিগুলোর মধ্যে সৌদি আরব বিশ্বে নবম স্থানে উঠে এসেছে। সূচকটি IMD প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড কম্পিটিটিভনেস ইয়ারবুক ২০২৬-এর অংশ। সৌদি আরবের আগে ছিল ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, তাইওয়ান, অস্ট্রিয়া, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও হংকং।

অ্যাকাউন্টিং খাতে কত সংস্কার হয়েছে?\ এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের অ্যাকাউন্টিং খাতে ৩০০-র বেশি সংস্কার হয়েছে, যা আইনি, পদ্ধতিগত ও পেশাগত দিক কভার করে। এই সংস্কারগুলো পেশার প্রতিরোধমূলক ভূমিকা জোরদার করেছে, আর্থিক লেনদেন সুরক্ষিত করেছে, দক্ষতা বাড়িয়েছে এবং প্রকাশের গুণমান উন্নত করেছে। এসপিএ বলেছে, এটি বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৈচিত্র্যময় হওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হয়েছে।

SOCPA-র সিইও কী বলেছেন?\ SOCPA-র সিইও ড. আহমদ আল-মেঘামেস বলেছেন, উচ্চমানের অডিটিং ও অ্যাকাউন্টিং চর্চা আর্থিক বিবরণীর ওপর আস্থা বাড়ায়। বিনিয়োগকারীরা এই বিবরণী দিয়ে সুযোগ মূল্যায়ন করেন, অর্থদাতারা ঝুঁকি মূল্যায়নে ব্যবহার করেন এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পেশার উন্নয়ন জাতীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে এবং ব্যবসায়িক পরিবেশের আকর্ষণীয়তা বাড়ায়।

২০২৬–২০৩০ মেয়াদের কৌশল কী?\ আল-মেঘামেস উল্লেখ করেন, SOCPA-র ২০২৬–২০৩০ মেয়াদের কৌশল এই অর্জনগুলোর ওপর দাঁড়িয়ে চর্চার গুণমান ও পেশাগত মান আরও এগিয়ে নেবে। এসপিএ জানিয়েছে, গত এক দশকে পেশাটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আইন, পেশাগত মান, দক্ষতা উন্নয়ন ও পারফরম্যান্সের গুণমান তদারকিতে রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী দেওয়া হয়নি?\ এসপিএ-র প্রতিবেদনে সূচকের স্কোর, দেশভিত্তিক পয়েন্ট, সংস্কারের সময়সীমা বা ভবিষ্যতের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে, সৌদি আরব জি২০-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অডিটিং অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিং প্র্যাকটিসেস ইনডেক্সে প্রথম হয়েছে এবং ৩০০-র বেশি সংস্কার হয়েছে। জুন মাসে SOCPA জানিয়েছিল, সৌদি আরব বিশ্বে নবম স্থানে উঠে এসেছে।