Sunday, October 25, 2026
পর্যটন

গ্লোবাল সিটি দাম্মামের দ্বিতীয় মৌসুমে ৫২ লাখ দর্শনার্থীর লক্ষ্য, ২৩টি আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়ন

গ্লোবাল সিটি দাম্মামের দ্বিতীয় মৌসুমে ৫২ লাখ দর্শনার্থীর লক্ষ্য, ২৩টি আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়ন

গ্লোবাল সিটি দাম্মামের দ্বিতীয় মৌসুমে প্রায় ৫২ লাখ দর্শনার্থী আসার লক্ষ্য ধরা হয়েছে, যা প্রথম মৌসুমে রেকর্ড করা ৩০ লাখেরও বেশি দর্শনার্থীর চেয়ে বেশি। পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের মেয়র প্রকৌশলী ফাহাদ আল-জুবাইর আজ উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি ও দ্বিতীয় মৌসুমের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৫ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, নতুন মৌসুমে দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার পাশাপাশি পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে একটি শীর্ষস্থানীয় পর্যটন, বিনোদন ও বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে শহরের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আকর্ষণ ও সম্প্রসারণ যুক্ত করা হবে।

মেয়র তাঁর পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়নগুলোর উন্নয়ন এবং সুবিধা, বিনিয়োগ অঞ্চল ও বিনোদন এলাকার সম্প্রসারণ পরিদর্শন করেন। তিনি নতুন আকর্ষণ ও অভিজ্ঞতাও পর্যালোচনা করেন, যা দর্শনার্থীদের জন্য সাংস্কৃতিক, বিনোদনমূলক ও বাণিজ্যিক বিকল্প বিস্তৃত করবে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি পৌর ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে রাজ্যে আসা পর্যটকদের জন্য উদ্ভাবনী অভিজ্ঞতা উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।

দ্বিতীয় মৌসুমে থাকবে ২৩টি আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়ন, পাঁচটি উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক বাজার, ১৩টি রেস্তোরাঁ, ছয়টি ক্যাফে এবং ৬০টি খাদ্য ও পানীয় কিয়স্ক। নতুন আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে একটি এশীয় গ্রাম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিকসের জন্য নিবেদিত একটি ভবিষ্যৎ অঞ্চল, একটি ডাইনোসর সিটি এবং একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ ফোয়ারা, যা দর্শনার্থীদের জন্য বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা দেবে।

এই সম্প্রসারণগুলো পৌর সম্পদ উন্নয়ন, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ বিস্তৃত করার প্রচেষ্টার অংশ। এসপিএ জানিয়েছে, এই উদ্যোগগুলো পর্যটন, বিনোদন ও বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি সমর্থন করবে, স্থানীয় অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।

প্রথম মৌসুমে ৩০ লাখেরও বেশি দর্শনার্থী এসেছিল, আর দ্বিতীয় মৌসুমে লক্ষ্য প্রায় ৫২ লাখ। এই ব্যবধানে দর্শনার্থী সংখ্যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বাড়ার হিসাব ধরা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এক মৌসুম থেকে পরের মৌসুমে এত বড় লাফ ধরে রাখতে কোন উপাদানগুলো সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে?

আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ২৩টি। এর পাশে থাকছে পাঁচটি উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক বাজার। বাজারগুলো খোলা পরিবেশে আন্তর্জাতিক পণ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন তৈরি করবে বলে এসপিএর বর্ণনায় উঠে এসেছে। প্রশ্ন হলো, উন্মুক্ত বাজারগুলো স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য কতটা সুযোগ তৈরি করবে?

খাদ্য ও পানীয় খাতে থাকছে ১৩টি রেস্তোরাঁ, ছয়টি ক্যাফে এবং ৬০টি কিয়স্ক। এই সংখ্যাগুলো একসঙ্গে ধরলে খাদ্য ও পানীয় সেবার মোট পয়েন্ট দাঁড়ায় ৭৯টি। এত বড় পরিসরে খাদ্য ও পানীয় ব্যবস্থাপনা চ্যালেঞ্জও বটে। প্রশ্ন হলো, দর্শনার্থীর ভিড় সামলাতে এই সেবা পয়েন্টগুলো কতটা প্রস্তুত?

নতুন আকর্ষণের তালিকায় এশীয় গ্রাম অন্যতম। এশীয় সংস্কৃতির উপাদান এক জায়গায় উপস্থাপনের এই উদ্যোগ দর্শনার্থীদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে? আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিকসের জন্য নিবেদিত ভবিষ্যৎ অঞ্চল প্রযুক্তি-আগ্রহী দর্শনার্থীদের টানবে কি? এসপিএ এই অঞ্চলের সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের বিস্তারিত দেয়নি।

ডাইনোসর সিটি ও ইন্টারঅ্যাকটিভ ফোয়ারা—এই দুটি আকর্ষণ বিশেষভাবে পরিবার ও শিশুদের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পিত বলে প্রতীয়মান হয়। ইন্টারঅ্যাকটিভ ফোয়ারায় দর্শনার্থীর অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে বলে উল্লেখ আছে। প্রশ্ন হলো, পরিবারকেন্দ্রিক এই আকর্ষণগুলো দ্বিতীয় মৌসুমের দর্শনার্থী সংখ্যার লক্ষ্যে কতটা অবদান রাখবে?

মেয়র আল-জুবাইর সরেজমিনে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেছেন। এসপিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়ন, সুবিধা, বিনিয়োগ অঞ্চল ও বিনোদন এলাকার সম্প্রসারণ দেখেছেন। পাশাপাশি নতুন আকর্ষণ ও অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করেছেন। এই পরিদর্শন প্রস্তুতির গতি বোঝার একটি সংকেত। প্রশ্ন হলো, পরিদর্শনের পর কোন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে?

পৌর ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্যের কথা এসপিএর প্রতিবেদনে সরাসরি উল্লেখ আছে। মন্ত্রণালয় রাজ্যে আসা পর্যটকদের জন্য উদ্ভাবনী অভিজ্ঞতা উপস্থাপনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। গ্লোবাল সিটি দাম্মামের সম্প্রসারণ সেই লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, মন্ত্রণালয়ের অন্য প্রকল্পগুলোর সঙ্গে এই শহরের সমন্বয় কেমন হবে?

পৌর সম্পদ উন্নয়ন ও তার সর্বোচ্চ ব্যবহার—এই দুই বিষয় এসপিএর প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ বিস্তৃত করার কথাও বলা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা কোন খাতে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখাবেন?

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগগুলো পর্যটন, বিনোদন ও বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি সমর্থন করবে। স্থানীয় অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করার কথাও আছে। পাশাপাশি জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রশ্ন হলো, স্থানীয় অর্থনীতিতে এই প্রভাব কোন সূচকে মাপা হবে?

দ্বিতীয় মৌসুমের প্রস্তুতি নিয়ে এসপিএর প্রতিবেদনে তারিখ হিসেবে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ উল্লেখ আছে। প্রতিবেদনটি স্থানীয় সময় ২০:৩৮ এবং জিএমটি ১৭:৩৮-এ প্রকাশিত। তবে দ্বিতীয় মৌসুম কবে শুরু হবে বা কতদিন চলবে, সেই সময়সীমা প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হলো, মৌসুম শুরুর তারিখ কবে ঘোষণা করা হবে?

প্রথম মৌসুমের ৩০ লাখেরও বেশি দর্শনার্থীর তথ্যটি এসপিএর প্রতিবেদনে তুলনার ভিত্তি হিসেবে আছে। দ্বিতীয় মৌসুমের লক্ষ্য প্রায় ৫২ লাখ। এই লক্ষ্য পূরণ হলে দর্শনার্থী সংখ্যায় বড় পরিবর্তন আসবে। কিন্তু লক্ষ্য পূরণের জন্য কোন কোন সূচক নজরে রাখা হবে, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট নয়। প্রশ্ন হলো, দর্শনার্থী সংখ্যা কীভাবে গণনা করা হবে?

আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়নগুলোর উন্নয়ন পরিদর্শনের কথা প্রতিবেদনে আছে। কোন কোন দেশের প্যাভিলিয়ন থাকবে, সেই তালিকা এসপিএ দেয়নি। একইভাবে পাঁচটি উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক বাজারে কোন কোন অঞ্চলের পণ্য থাকবে, তা উল্লেখ করা হয়নি। প্রশ্ন হলো, প্যাভিলিয়নের চূড়ান্ত তালিকা কবে প্রকাশ পাবে?

ভবিষ্যৎ অঞ্চলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিকসের প্রদর্শনী থাকবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন প্রযুক্তি সেখানে থাকবে, সেই বিস্তারিত নেই। ডাইনোসর সিটির আকার বা ইন্টারঅ্যাকটিভ ফোয়ারার অবস্থানও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। প্রশ্ন হলো, এই আকর্ষণগুলোর বিস্তারিত কবে জানা যাবে?

বিনিয়োগ অঞ্চলের সম্প্রসারণের কথা প্রতিবেদনে আছে। তবে কতটি বিনিয়োগ অঞ্চল থাকবে বা সেখানে কী ধরনের সুবিধা মিলবে, তা স্পষ্ট নয়। বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ বিস্তৃত করার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু অংশীদারত্বের ধরন বা শর্তের বিবরণ দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হলো, বিনিয়োগ অঞ্চলে আবেদন প্রক্রিয়া কেমন হবে?

এসপিএর প্রতিবেদনে খাদ্য ও পানীয় কিয়স্কের সংখ্যা ৬০। রেস্তোরাঁ ১৩ এবং ক্যাফে ছয়টি। এই তিন ধরনের সেবার মিশ্রণে দর্শনার্থীদের জন্য খাবারের বৈচিত্র্য বাড়বে বলে ধরে নেওয়া যায়। তবে কোন ধরনের খাবার বা কোন রন্ধনশৈলী থাকবে, সেই তথ্য প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, স্থানীয় খাবারের উপস্থাপনা কতটা জায়গা পাবে?

পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে পর্যটন, বিনোদন ও বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে শহরের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যের কথা প্রতিবেদনে বারবার এসেছে। এই লক্ষ্য পূরণে গ্লোবাল সিটি দাম্মামের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। প্রশ্ন হলো, অঞ্চলের অন্য গন্তব্যের সঙ্গে এই শহরের পার্থক্য কী হবে?

দ্বিতীয় মৌসুমের প্রস্তুতি নিয়ে মেয়রের পরিদর্শনের তথ্য এসপিএ দিয়েছে। কিন্তু পরিদর্শনে কোন নির্দিষ্ট নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত এসেছে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। উন্নয়ন কাজের কত শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, সেই তথ্যও দেওয়া হয়নি। প্রশ্ন হলো, কাজের অগ্রগতির আনুষ্ঠানিক হিসাব কবে প্রকাশ করা হবে?

প্রতিবেদনে দ্বিতীয় মৌসুমের জন্য বরাদ্দ অর্থ বা বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়নি। কোন ঠিকাদার কাজ করছে বা কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় থাকবে, সেই তথ্যও নেই। এসপিএ শুধু পরিকল্পনার উপাদান ও লক্ষ্যের কথা জানিয়েছে। প্রশ্ন হলো, অর্থায়নের বিস্তারিত কবে জানা যাবে?

দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার লক্ষ্য প্রতিবেদনে স্পষ্ট। কিন্তু অভিজ্ঞতার মান মাপার কোন পদ্ধতি থাকবে, তা বলা হয়নি। প্রথম মৌসুমের অভিজ্ঞতা থেকে কী শেখা হয়েছে, সেই পর্যালোচনাও প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, প্রথম মৌসুমের কোন বিষয়গুলো দ্বিতীয় মৌসুমে বদলাবে?

সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। পর্যটন, বিনোদন, বিনিয়োগ, স্থানীয় অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মান—এই পাঁচটি ক্ষেত্রে প্রভাবের কথা বলা হয়েছে। তবে কোন ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব পড়বে, তার পরিমাণ প্রতিবেদনে নেই। প্রশ্ন হলো, এই প্রভাবের মূল্যায়ন কে করবে?

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় মৌসুমের পরিকল্পনায় সংখ্যার দিক থেকে বড় সম্প্রসারণ দেখা যায়। ২৩টি প্যাভিলিয়ন, পাঁচটি বাজার, ১৩টি রেস্তোরাঁ, ছয়টি ক্যাফে, ৬০টি কিয়স্ক এবং চারটি নতুন ধরনের আকর্ষণ। লক্ষ্য প্রায় ৫২ লাখ দর্শনার্থী। এসপিএর প্রতিবেদনে অবশ্য মৌসুম শুরুর তারিখ, টিকিটের মূল্য, বিনিয়োগের পরিমাণ বা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

দ্বিতীয় মৌসুমে কত দর্শনার্থীর লক্ষ্য ধরা হয়েছে? দ্বিতীয় মৌসুমে প্রায় ৫২ লাখ দর্শনার্থী আসার লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, প্রথম মৌসুমে ৩০ লাখেরও বেশি দর্শনার্থী রেকর্ড করা হয়েছিল। অর্থাৎ লক্ষ্যটি প্রথম মৌসুমের চেয়ে বড়। পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের মেয়র প্রকৌশলী ফাহাদ আল-জুবাইর উন্নয়ন কাজ ও প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন। প্রতিবেদনে মৌসুম শুরুর তারিখ বা সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

দ্বিতীয় মৌসুমে কী কী নতুন আকর্ষণ থাকবে? নতুন আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে একটি এশীয় গ্রাম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিকসের জন্য নিবেদিত একটি ভবিষ্যৎ অঞ্চল, একটি ডাইনোসর সিটি এবং একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ ফোয়ারা। এসপিএ জানিয়েছে, এই আকর্ষণগুলো দর্শনার্থীদের জন্য বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা দেবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়ন ও উন্মুক্ত বাজারের সম্প্রসারণও হচ্ছে। প্রতিবেদনে এই আকর্ষণগুলোর বিস্তারিত কার্যক্রম বা অবস্থান উল্লেখ করা হয়নি।

খাদ্য ও পানীয় সেবায় কী কী থাকছে? দ্বিতীয় মৌসুমে থাকবে ১৩টি রেস্তোরাঁ, ছয়টি ক্যাফে এবং ৬০টি খাদ্য ও পানীয় কিয়স্ক। এসপিএ জানিয়েছে, এসব সেবা দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার লক্ষ্যের অংশ। এছাড়া পাঁচটি উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক বাজার থাকবে। প্রতিবেদনে কোন ধরনের খাবার বা রন্ধনশৈলী থাকবে, সেই তথ্য দেওয়া হয়নি। খাদ্য ও পানীয় সেবার মোট পয়েন্ট সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৯টি।

এই সম্প্রসারণের উদ্দেশ্য কী? এসপিএ জানিয়েছে, সম্প্রসারণগুলো পৌর সম্পদ উন্নয়ন, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ বিস্তৃত করার প্রচেষ্টার অংশ। এই উদ্যোগ পর্যটন, বিনোদন ও বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি সমর্থন করবে, স্থানীয় অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করবে এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। বিনিয়োগের পরিমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

মেয়রের পরিদর্শনে কী দেখা হয়েছে? পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলের মেয়র প্রকৌশলী ফাহাদ আল-জুবাইর আন্তর্জাতিক প্যাভিলিয়নগুলোর উন্নয়ন এবং সুবিধা, বিনিয়োগ অঞ্চল ও বিনোদন এলাকার সম্প্রসারণ পরিদর্শন করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি নতুন আকর্ষণ ও অভিজ্ঞতাও পর্যালোচনা করেছেন। এই পরিদর্শন দ্বিতীয় মৌসুমের প্রস্তুতির অংশ। প্রতিবেদনে পরিদর্শনে কোন নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত এসেছে বা কাজের কত শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে কোন তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএর প্রতিবেদনে দ্বিতীয় মৌসুম শুরুর তারিখ, সময়সীমা, টিকিটের মূল্য, বিনিয়োগের পরিমাণ বা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করা হয়নি। কোন কোন দেশের প্যাভিলিয়ন থাকবে, সেই তালিকাও দেওয়া হয়নি। ভবিষ্যৎ অঞ্চলে কোন প্রতিষ্ঠান বা প্রযুক্তি থাকবে, সেই বিস্তারিতও নেই। প্রতিবেদনে শুধু পরিকল্পনার উপাদান, লক্ষ্য ও মেয়রের পরিদর্শনের তথ্য জানানো হয়েছে।