Monday, October 26, 2026
সৌদি সংবাদ

জেদ্দায় ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী শুরু ৮ নভেম্বর, অংশ নেবে ৫২০ প্রতিষ্ঠান

জেদ্দায় ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী শুরু ৮ নভেম্বর, অংশ নেবে ৫২০ প্রতিষ্ঠান

জেদ্দা ৮ থেকে ১১ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনীর আয়োজন করবে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটির আয়োজক হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়, সহযোগিতায় রয়েছে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অন্যতম কর্মসূচি পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম।

দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের ৫২০-এর বেশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, বেসরকারি ও তৃতীয় খাতের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা একত্র হবেন।

সম্মেলনটি নেতৃত্বের হজযাত্রীদের সেবার প্রতি অব্যাহত অঙ্গীকার এবং হজ সেবা ব্যবস্থা উন্নয়ন ও সেবার গুণগত মান বাড়ানোর সৌদি প্রচেষ্টার প্রতিফলন। এটি সৌদি ভিশন ২০৩০ ও পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের লক্ষ্যগুলোকে সমর্থন করে। আয়োজনটি ১৪৪৮ হিজরি হজ মৌসুমের প্রাথমিক প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে চুক্তি সম্পন্ন করা, পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনা, সমাধান ও উদ্যোগ উপস্থাপন, অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি বাড়ানো।

হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী বিশ্বের নেতা, কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের তিনটি প্রধান ট্র্যাকে একত্র করে: অবকাঠামো ও পরিচালন সেবা, ক্ষমতায়ন ও একীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন। ষষ্ঠ সংস্করণে ১৫টির বেশি প্রধান জোন ও কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যে আছে হজ সম্মেলন, হজ কাউন্সিল, প্রথমবারের মতো আয়োজিত সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ ফোরাম, কর্মশালা, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন জোন, একটি হ্যাকাথন এবং বিজনেস সেন্টার।

এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, মিডিয়া ও বিমান চলাচল ওয়েসিস এবং হজ বিষয়ক অফিস প্রধানদের জন্য একটি বিশেষ বৈঠক থাকবে। এসব কার্যক্রম সংলাপ, সমাধান প্রদর্শন, ব্যবসা উন্নয়ন ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ দেয়। সম্মেলনের পাশাপাশি হজ সেবা ব্যবস্থার জন্য নিবেদিত একটি বিশেষায়িত প্রদর্শনী থাকবে।

হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী শুধু একটি বার্ষিক আয়োজন নয়; এটি হজ মৌসুমের প্রস্তুতির একটি কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম। ১৪৪৮ হিজরি মৌসুমের আগে চুক্তি সম্পন্ন করা, পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং প্রস্তুতি বাড়ানোর কাজ এই সম্মেলন ঘিরেই সংঘটিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা এখানে সমাধান ও উদ্যোগ উপস্থাপন করেন এবং নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলেন।

সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক—তিন খাতের প্রতিষ্ঠান একই ছাদের নিচে এলে হজ সেবার মানোন্নয়নে কী ধরনের সমন্বয় সম্ভব হয়, তা এই আয়োজনের একটি বড় দিক। ৫২০-এর বেশি প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি সেই সমন্বয়ের পরিধি কতটা বিস্তৃত, তা-ই তুলে ধরে।

সম্মেলনের তিনটি প্রধান ট্র্যাক হজ সেবা ব্যবস্থার ভিন্ন ভিন্ন মাত্রাকে নির্দেশ করে। অবকাঠামো ও পরিচালন সেবা ট্র্যাকটি মাঠপর্যায়ের সেবা নিশ্চিত করার দিকে মনোযোগ দেয়। ক্ষমতায়ন ও একীকরণ ট্র্যাকটি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও খাতকে একসঙ্গে কাজ করানোর বিষয়ে আলোচনা করে। টেকসই উন্নয়ন ট্র্যাকটি ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনার দিকটি সামনে আনে।

ষষ্ঠ সংস্করণে ১৫টির বেশি প্রধান জোন ও কর্মসূচি থাকার কথা এসপিএ জানিয়েছে। এর মধ্যে হজ সম্মেলন ও হজ কাউন্সিল অন্যতম। প্রথমবারের মতো আয়োজিত সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ ফোরাম হজ সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দক্ষতা ও সচেতনতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করবে।

কর্মশালাগুলোতে বিশেষজ্ঞরা পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনা করবেন। উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন জোন নতুন ধারণা ও সমাধান তুলে ধরার জায়গা। হ্যাকাথন প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান খোঁজার একটি প্ল্যাটফর্ম। বিজনেস সেন্টার ব্যবসায়িক আলোচনা ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ দেবে।

প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, মিডিয়া ও বিমান চলাচল ওয়েসিস হজ সেবার বিভিন্ন খাতকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করবে। হজ বিষয়ক অফিস প্রধানদের বিশেষ বৈঠক বিভিন্ন দেশের অফিসগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে আনবে।

সম্মেলনের পাশাপাশি একটি বিশেষায়িত প্রদর্শনী হজ সেবা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক প্রদর্শন করবে। এই প্রদর্শনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবা ও সমাধান সরাসরি দেখার সুযোগ দেয়।

হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে এবং পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের সহযোগিতায় এই সম্মেলন সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত। পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম ভিশন ২০৩০-এর অন্যতম কর্মসূচি হিসেবে হজ ও উমরাহ অভিজ্ঞতা উন্নয়নে কাজ করে।

দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতা এই আয়োজনের গুরুত্ব বোঝায়। নেতৃত্বের হজযাত্রীদের সেবার প্রতি অব্যাহত অঙ্গীকার সম্মেলনের মূল বার্তাগুলোর একটি।

১৪৪৮ হিজরি হজ মৌসুমের প্রাথমিক প্রস্তুতি এই সম্মেলন ঘিরে এগিয়ে চলে। চুক্তি সম্পন্ন করা, পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনা, সমাধান ও উদ্যোগ উপস্থাপন, অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি বাড়ানো—এই কাজগুলো সম্মেলনের সময়সূচির সঙ্গে যুক্ত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নেতা, কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা জেদ্দায় একত্র হবেন। তিনটি প্রধান ট্র্যাকে তাদের আলোচনা হজ সেবা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।

৫২০-এর বেশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ এই আয়োজনের পরিধি কতটা বিস্তৃত, তা স্পষ্ট করে। সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো একই মঞ্চে মিলিত হলে হজ সেবার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা আরও সমন্বিত হয়।

প্রথমবারের মতো আয়োজিত সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ ফোরাম হজ সেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা সেবার গুণগত মান বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

হ্যাকাথন ও উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন জোন নতুন সমাধান খোঁজার দিকে মনোযোগ দেয়। প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্য ওয়েসিস হজ সেবার বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার তুলে ধরে। মিডিয়া ও বিমান চলাচল ওয়েসিস সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ উপস্থাপন করে।

হজ বিষয়ক অফিস প্রধানদের বিশেষ বৈঠক বিভিন্ন দেশের অফিসগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে আনে। এই বৈঠক হজযাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব বোঝায়।

সম্মেলনের সময়সূচি ৮ থেকে ১১ নভেম্বর ২০২৬, আর স্থান জেদ্দা। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই দুই তথ্যই স্পষ্ট। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫২০-এর বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্মেলনের তিনটি ট্র্যাক, ১৫টির বেশি জোন ও কর্মসূচি এবং বিশেষায়িত প্রদর্শনীর কথা এসপিএ জানিয়েছে। তবে প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর বিস্তারিত বিবরণ, নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম বা সম্মেলনের নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা উল্লেখ করা হয়নি।

ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী কবে, কোথায় হবে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জেদ্দা ৮ থেকে ১১ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ষষ্ঠ হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনীর আয়োজন করবে। আয়োজক হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়, সহযোগিতায় রয়েছে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর অন্যতম কর্মসূচি পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম। অনুষ্ঠানটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় হবে।

কতটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে এবং কোন কোন খাত থেকে? এসপিএ জানিয়েছে, সম্মেলনে ৫২০-এর বেশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এগুলো সরকারি, বেসরকারি ও অলাভজনক খাতের। পাশাপাশি সরকারি, বেসরকারি ও তৃতীয় খাতের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরাও উপস্থিত থাকবেন। এই অংশগ্রহণ হজ সেবা ব্যবস্থার বিভিন্ন খাতের সমন্বয়ের পরিধি তুলে ধরে।

সম্মেলনের প্রধান ট্র্যাকগুলো কী কী? এসপিএ জানিয়েছে, হজ সম্মেলন ও প্রদর্শনী বিশ্বের নেতা, কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞদের তিনটি প্রধান ট্র্যাকে একত্র করে। ট্র্যাকগুলো হলো অবকাঠামো ও পরিচালন সেবা, ক্ষমতায়ন ও একীকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন। এই ট্র্যাকগুলো হজ সেবা ব্যবস্থার ভিন্ন ভিন্ন মাত্রা নিয়ে আলোচনার সুযোগ দেয়।

ষষ্ঠ সংস্করণে কোন নতুন আয়োজন থাকছে? এসপিএ জানিয়েছে, ষষ্ঠ সংস্করণে ১৫টির বেশি প্রধান জোন ও কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো আয়োজিত সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ ফোরাম অন্যতম। এছাড়া আছে হজ সম্মেলন, হজ কাউন্সিল, কর্মশালা, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন জোন, একটি হ্যাকাথন এবং বিজনেস সেন্টার।

সম্মেলনের সঙ্গে আর কী কী কার্যক্রম থাকবে? এসপিএ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, মিডিয়া ও বিমান চলাচল ওয়েসিস থাকবে। এছাড়া হজ বিষয়ক অফিস প্রধানদের জন্য একটি বিশেষ বৈঠক হবে। সম্মেলনের পাশাপাশি হজ সেবা ব্যবস্থার জন্য নিবেদিত একটি বিশেষায়িত প্রদর্শনীও থাকবে। এসব কার্যক্রম সংলাপ, সমাধান প্রদর্শন ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ দেয়।

এই সম্মেলন ১৪৪৮ হিজরি হজ মৌসুমের প্রস্তুতিতে কী ভূমিকা রাখে? এসপিএ জানিয়েছে, আয়োজনটি ১৪৪৮ হিজরি হজ মৌসুমের প্রাথমিক প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই প্রস্তুতির মধ্যে রয়েছে চুক্তি সম্পন্ন করা, পরিচালন ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনা, সমাধান ও উদ্যোগ উপস্থাপন, অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি বাড়ানো। সম্মেলন সৌদি ভিশন ২০৩০ ও পিলগ্রিম এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রামের লক্ষ্যগুলোকে সমর্থন করে।