Tuesday, October 27, 2026
বিজ্ঞান

রিয়াদে গ্লোবাল স্পেস কানেক্টিভিটি এবং সাসটেইনেবিলিটি ইভেন্ট শুরু হচ্ছে সোমবার

রিয়াদে গ্লোবাল স্পেস কানেক্টিভিটি এবং সাসটেইনেবিলিটি ইভেন্ট শুরু হচ্ছে সোমবার

রিয়াদে সোমবার থেকে “গ্লোবাল স্পেস কানেক্টিভিটি এবং সাসটেইনেবিলিটি ইভেন্টস” শুরু হতে যাচ্ছে, যার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “কানেক্টেড আর্থ, সাসটেইনেবল স্পেস”। কমিউনিকেশনস অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি মন্ত্রী এবং কমিউনিকেশনস, স্পেস অ্যান্ড টেকনোলজি কমিশন (CST) বোর্ডের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আলসওয়াহর পৃষ্ঠপোষকতায় এই ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জানিয়েছে, CST তাদের রিয়াদের সদর দপ্তরে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (ITU)-এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এই ইভেন্টটি মূলত “কানেক্টিং দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্রম দ্য স্কাইস ফোরাম (NTN)” এবং “স্পেস সাসটেইনেবিলিটি ফোরাম (SSF)”-এর তৃতীয় সংস্করণকে একটি ছাতার নিচে নিয়ে এসেছে। নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক এবং মহাকাশ স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি কি এই ইভেন্টের মাধ্যমে আরও দৃঢ় হবে?

অনুষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য হলো স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটির ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা এবং টেরেস্টিয়াল ও নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্কের একীকরণ শক্তিশালী করা। নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রক এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন পর্যালোচনা করার পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল বিভাজন দূর করতে এর প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হবে। মহাকাশ সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং মহাকাশ স্থায়িত্বের ওপর আলোকপাত করার জন্য আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলন এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ থাকবে। এই সমন্বিত প্রচেষ্টা কি ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে?

CST জানিয়েছে যে, ইভেন্টটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে “ইনটিগ্রেটেড কানেক্টিভিটি ফর দ্য 6G এরা”, “পেভিং দ্য ওয়ে টু WRC-27” এবং “ওপেনিং হরাইজনস ফর ডাইরেক্ট-টু-ডিভাইস (D2D) স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি”। এছাড়া “স্পেস ইকোনমিকস অ্যান্ড ইমার্জিং মার্কেটস” এবং “স্পেস অ্যাজ ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার” বিষয়ে আলোচনা হবে। মহাকাশ ভিত্তিক স্থায়িত্বের মাধ্যমে পৃথিবীর পরিবেশ রক্ষা, মহাকাশে বৈশ্বিক শাসন এবং দায়িত্বশীল আচরণ এবং মহাকাশের ভিড় ব্যবস্থাপনা, ইন্টারফেয়ারেন্স প্রশমন ও ধ্বংসাবশেষ প্রতিরোধ নিয়েও আলোচনা করা হবে। মহাকাশের এই জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কতটা ফলপ্রসূ হবে?

ইভেন্টটিতে নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিগত ট্রায়াল এবং কানেক্টিভিটি সমাধানের ফলাফল প্রদর্শিত হবে। পাশাপাশি নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্কস ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ কম্পিটিশন (NTN 2026)-এর বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উদ্ভাবনী গবেষণার নতুন দিগন্ত কি উন্মোচিত হবে? প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তন কি আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ বদলে দেবে? মহাকাশ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন কোনো বৈশ্বিক মানদণ্ড কি এখানে নির্ধারিত হবে?

প্রদত্ত তথ্যে ইভেন্টের নির্দিষ্ট সময়সূচি বা অংশগ্রহণকারী দেশের তালিকা উল্লেখ করা হয়নি।

ইভেন্টটির প্রতিপাদ্য এবং আয়োজক কারা? ইভেন্টটির প্রতিপাদ্য হলো “কানেক্টেড আর্থ, সাসটেইনেবল স্পেস”। এটি কমিউনিকেশনস, স্পেস অ্যান্ড টেকনোলজি কমিশন (CST) দ্বারা তাদের রিয়াদের সদর দপ্তরে আয়োজিত হয়েছে এবং এতে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (ITU) অংশীদার হিসেবে রয়েছে।

এই ইভেন্টের মূল লক্ষ্যগুলো কী কী? এর লক্ষ্য স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটির ভবিষ্যৎ আলোচনা করা এবং টেরেস্টিয়াল ও নন-টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্কের একীকরণ শক্তিশালী করা। এছাড়া ডিজিটাল বিভাজন দূর করা এবং মহাকাশ সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহারের মাধ্যমে মহাকাশ স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা এর উদ্দেশ্য।

কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হবে? সেশনগুলোতে 6G যুগের ইন্টিগ্রেটেড কানেক্টিভিটি, WRC-27-এর প্রস্তুতি এবং ডাইরেক্ট-টু-ডিভাইস (D2D) স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া মহাকাশ অর্থনীতি, বৈশ্বিক শাসন এবং মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ প্রতিরোধ ও ভিড় ব্যবস্থাপনা আলোচনা করা হবে।