ইন্দোনেশিয়ার প্রজাতন্ত্রে একটি আনুষ্ঠানিক সফর শুরু করেছেন Islamic Development Bank (IsDB) গ্রুপের চেয়ারম্যান ডক্টর মুহাম্মদ আল-জাসের। ৭ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই সফরের কর্মসূচিতে ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রী এবং IsDB গভর্নর প্রফেসর সুয়াহাসিল নাজারা সহ বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকের কথা রয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো ২০২৬-২০৩০ সালের জন্য IsDB গ্রুপ সদস্য দেশ অংশীদারিত্ব কৌশল চালু করা। এই কৌশলের আওতায় আনুমানিক ২.৫৬ বিলিয়ন ডলারের একটি নির্দেশক অর্থায়ন খাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১১ সাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে এটি চতুর্থ কৌশল হিসেবে গণ্য হবে। এই পরিকল্পনাটি মূলত অবকাঠামো, সংযোগ এবং স্থিতিস্থাপকতা, শিল্প আধুনিকায়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতার দিকনির্দেশনা প্রদান করবে। এই বিশাল বিনিয়োগ কীভাবে ইন্দোনেশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করবে?
সফরের আলোচনায় IsDB-এর অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, কৌশলগত সংযোগ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং ইন্দোনেশিয়ার অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত অন্যান্য ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হবে। ইসলামিক ফাইন্যান্স, ট্রেড ফাইন্যান্স, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং জ্ঞান বিনিময়ের ক্ষেত্রে গ্রুপের বিভিন্ন স্তরে সহযোগিতার সুযোগগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। এই বহুমুখী সহযোগিতা কি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় নতুন মাত্রা যোগ করবে?
ইন্দোনেশিয়া এবং IsDB গ্রুপের মধ্যে অংশীদারিত্বের সম্পর্ক পাঁচ দশকেরও বেশি পুরনো। এই দীর্ঘ সময়ে প্রায় ৩৫০টি কার্যক্রমের জন্য মোট আনুমানিক ৭.২ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে। দীর্ঘ পাঁচ দশকের এই সম্পর্কের গভীরতা কি ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়ক হবে? এই কৌশলগত বিনিয়োগ কি স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে? কীভাবে এই অর্থায়ন স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের গুণগত মান উন্নত করবে? এই অংশীদারিত্ব কি বিশ্বব্যাপী ইসলামিক ফাইন্যান্সের প্রভাব আরও বিস্তৃত করবে?
সফরের বিস্তারিত কর্মসূচিতে নির্দিষ্ট কোনো বৈঠকের সময়সূচি বা অংশগ্রহণকারী মন্ত্রীদের নামের তালিকা উল্লেখ করা হয়নি।
IsDB এবং ইন্দোনেশিয়ার নতুন কৌশলটির লক্ষ্য কী? ২০২৬-২০৩০ সালের জন্য প্রণীত এই অংশীদারিত্ব কৌশলের লক্ষ্য হলো অবকাঠামো, সংযোগ, স্থিতিস্থাপকতা, শিল্প আধুনিকায়ন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা করা। এর জন্য আনুমানিক ২.৫৬ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন খাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সফরে কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে? আলোচনায় IsDB-এর অর্থায়িত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্য, কৌশলগত সংযোগ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া ইসলামিক ফাইন্যান্স, ট্রেড ফাইন্যান্স এবং বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সহযোগিতার সুযোগ খোঁজা হবে।
IsDB এবং ইন্দোনেশিয়ার দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ইতিহাস কী? উভয় পক্ষের মধ্যে অংশীদারিত্ব পাঁচ দশকেরও বেশি পুরনো। এই সময়ে প্রায় ৩৫০টি কার্যক্রমের জন্য মোট আনুমানিক ৭.২ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করা হয়েছে।