বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অনুষ্ঠিত ১৫তম পরামর্শমূলক বৈঠকে GCC সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাতীয় লক্ষ্য অর্জন এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (GCC) মহাসচিব Jasem Albudaiwi।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৭ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, বাণিজ্য মন্ত্রীদের এবং GCC চেম্বার ফেডারেশনের প্রধানদের এই ১৫তম পরামর্শমূলক বৈঠকটি নীতি-নির্ধারক, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের একত্রিত করার একটি কৌশলগত সংলাপ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।
মহাসচিব Jasem Albudaiwi তার বক্তব্যে বলেন, এই বৈঠকটি সরকারি কর্মকর্তা এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরের সম্পৃক্ততা তৈরি করে। এর মূল লক্ষ্য হলো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও দৃঢ় করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং উপসাগরীয় বেসরকারি খাতের সামনে থাকা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করা। বেসরকারি খাতের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ কি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার মূল চাবিকাঠি হতে পারে?
বুধবার মানামায় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান এবং বাহরাইনের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী Abdulla bin Adel Fakhro। বৈঠকে GCC সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বাণিজ্য মন্ত্রী এবং চেম্বার ফেডারেশনের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সরকারি এবং বেসরকারি খাতের এই মেলবন্ধন কি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক একীকরণকে আরও সহজ করবে?
Jasem Albudaiwi আরও উল্লেখ করেন যে, GCC রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের বিচক্ষণ নির্দেশনার আলোকে এই পরামর্শমূলক বৈঠকটি বেসরকারি খাতের চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করতে এবং উপযুক্ত সমাধানের মাধ্যমে সেগুলো কাটিয়ে উঠতে আহ্বান জানিয়েছে। নেতারা এই খাতকে ক্ষমতায়ন করতে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক একীকরণ অর্জনে সক্রিয় ভূমিকা পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই প্রক্রিয়ায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি কি দীর্ঘমেয়াদী প্রবৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করবে?
বক্তব্যের শেষ অংশে মহাসচিব আশা প্রকাশ করেন যে, ১৫তম পরামর্শমূলক বৈঠকটি এজেন্ডার বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করে এমন সব উদ্যোগ তৈরি করবে যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করবে। তিনি মনে করেন, বেসরকারি খাত একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ইঞ্জিন হিসেবে কাজ করবে যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে অবদান রাখবে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। এই উদ্যোগগুলো কি আঞ্চলিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে? বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি কি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় GCC রাষ্ট্রগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে? শেষ পর্যন্ত এই সংলাপগুলো কি বাস্তবমুখী অর্থনৈতিক সংস্কারে রূপ নেবে?
প্রদত্ত তথ্যে বৈঠকের নির্দিষ্ট কোনো নতুন চুক্তি, আর্থিক বরাদ্দ বা ভবিষ্যৎ তারিখের উল্লেখ নেই।
১৫তম পরামর্শমূলক বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি কর্মকর্তা এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরের সম্পৃক্ততা তৈরি করা। এর মাধ্যমে GCC সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৈঠকটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয় এবং কে সভাপতিত্ব করেন? বৈঠকটি বাহরাইনের রাজধানী মানামায় অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন বর্তমান অধিবেশনের চেয়ারম্যান এবং বাহরাইনের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী Abdulla bin Adel Fakhro।
বেসরকারি খাতের ভূমিকা সম্পর্কে মহাসচিব কী বলেছেন? মহাসচিব Jasem Albudaiwi বলেছেন যে, GCC সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জাতীয় লক্ষ্য অর্জন এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি একে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ইঞ্জিন হিসেবে বর্ণনা করেছেন যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে অবদান রাখে।