সৌদি আরবের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সাধারণ অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬-এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্যাভিলিয়নে বহনযোগ্য থার্মাল নজরদারি ব্যবস্থা প্রদর্শন করছে। রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত ব্যবস্থাটি সৌদি আরবের সীমান্ত সুরক্ষায় নজরদারি ও পুনর্বাসন অভিযানে ব্যবহৃত হয়।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৫ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই মোবাইল থার্মাল নজরদারি ব্যবস্থা লক্ষ্য শনাক্ত করতে ইনফ্রারেড ইমেজিং ব্যবহার করে, সঙ্গে থাকে লেজার রেঞ্জফাইন্ডার যা লক্ষ্যের স্থানাঙ্ক নির্ধারণ করে।
এসপিএ জানিয়েছে, ব্যবস্থাটি দুর্গম এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী ও চোরাচালানকারীদের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, যা রাজ্যের সীমান্তের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাড়ায়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রদর্শনীটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্যাভিলিয়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সাধারণ অধিদপ্তর এই প্রযুক্তি উপস্থাপন করছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর সময়সূচি, ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বা ব্যবহারের পরিসংখ্যান সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
প্রদর্শনীতে কী প্রদর্শিত হচ্ছে? সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সাধারণ অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকন ও শিকার প্রদর্শনী ২০২৬-এ বহনযোগ্য থার্মাল নজরদারি ব্যবস্থা প্রদর্শন করছে। এসপিএ জানিয়েছে, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্যাভিলিয়নে উপস্থাপিত হচ্ছে এবং সীমান্ত সুরক্ষায় নজরদারি ও পুনর্বাসন অভিযানে ব্যবহৃত হয়।
ব্যবস্থাটি কীভাবে কাজ করে? এসপিএ অনুযায়ী, মোবাইল থার্মাল নজরদারি ব্যবস্থা লক্ষ্য শনাক্ত করতে ইনফ্রারেড ইমেজিং ব্যবহার করে। এর সঙ্গে লেজার রেঞ্জফাইন্ডার থাকে, যা লক্ষ্যের স্থানাঙ্ক নির্ধারণ করে। প্রতিবেদনে ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বা উৎপাদনকারী সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।
কোথায় এটি ব্যবহার করা হয়? এসপিএ জানিয়েছে, ব্যবস্থাটি দুর্গম এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনকারী ও চোরাচালানকারীদের পর্যবেক্ষণ ও প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। এটি রাজ্যের সীমান্তের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাড়ায়। প্রতিবেদনে ব্যবহারের পরিসংখ্যান বা নির্দিষ্ট এলাকার নাম উল্লেখ করা হয়নি।