Thursday, October 29, 2026
খেলাধুলা

খালিজি ২৭-এর সমর্থকরা জেদ্দা কর্নিশে লোহিত সাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন

খালিজি ২৭-এর সমর্থকরা জেদ্দা কর্নিশে লোহিত সাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন

জেদ্দা কর্নিশ ও রোশন ওয়াটারফ্রন্ট খালিজি ২৭ উপসাগরীয় কাপের ২৭তম আসরে আসা দর্শনার্থীদের জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে। ম্যাচের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া, লোহিত সাগরের জলসীমা উপভোগ করা এবং জেদ্দার কয়েকটি পরিচিত স্থাপনা ঘুরে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন সমর্থকরা।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৫ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, রোশন ওয়াটারফ্রন্ট উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। তাঁরা উপভোগ করেছেন উপকূল ধরে বিস্তৃত সমুদ্রতীরবর্তী প্রমেনেড, খোলা বসার জায়গা এবং হাঁটা, জগিং ও সাইক্লিংয়ের জন্য নির্ধারিত পথ। বালুকাময় সৈকত ও সবুজ এলাকা দিনভর পরিবার ও ব্যক্তিদের বিশ্রামের সুযোগ দিচ্ছে।

রোশন ওয়াটারফ্রন্ট জেদ্দার অন্যতম পরিচিত পর্যটন ও বিনোদন গন্তব্য। এটি লোহিত সাগরের উপকূল ধরে ৪.৫ কিলোমিটারের বেশি বিস্তৃত। এখানে সাতটি বিনোদন অঞ্চল, বিভিন্ন সেবা ও সুবিধা, শিশুদের এলাকা এবং নানা ধরনের ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের স্থান রয়েছে।

এই গন্তব্য একসঙ্গে ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষকে ধারণ করতে পারে। এতে বিস্তৃত সবুজ এলাকা ও বিশ্রামের জন্য সৈকত রয়েছে। প্রশ্ন হলো, একটি শহরের জলসীমা কীভাবে এত বড় সংখ্যক মানুষের একসঙ্গে সময় কাটানোর জায়গা হয়ে উঠতে পারে?

রোশন ওয়াটারফ্রন্ট দীর্ঘতম পেভমেন্ট পেইন্টিংয়ের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের শিরোনামও ধারণ করে। ১৬ হাজার বর্গমিটার জুড়ে বিস্তৃত এই শিল্পকর্মটি সৌদি শিল্পী ও স্বেচ্ছাসেবকরা তৈরি করেছেন। এটি রোশন গ্রুপ, স্বেচ্ছাসেবা ও কমিউনিটি পার্টনারশিপ কর্মসূচি ‘লেনোবাদির’ এবং জেদ্দার সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে সম্পন্ন হয়েছে।

টুর্নামেন্টে আসা দর্শনার্থীরা ওয়াটারফ্রন্টের আধুনিক পরিবেশ এবং বিনোদন, ক্রীড়া ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের মিশ্রণের প্রশংসা করেছেন। লোহিত সাগরের সরাসরি দৃশ্য এবং প্রমেনেডের পাশে সারিবদ্ধ শিল্পকর্ম এটিকে ছবি তোলার জনপ্রিয় স্থানও করে তুলেছে। প্রশ্ন হলো, একটি ক্রীড়া আসর কীভাবে তার আয়োজক শহরের পর্যটন পরিচয়কে এতটা সামনে নিয়ে আসে?

খালিজি ২৭-এর সমর্থকদের জন্য জেদ্দা কর্নিশ ও রোশন ওয়াটারফ্রন্ট কেবল ম্যাচ দেখার বাইরে সময় কাটানোর জায়গা হয়ে উঠেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীরা এখানে সমুদ্রতীরের পরিবেশে মিশে যাচ্ছেন। প্রশ্ন হলো, এমন মিলনস্থল কি ভবিষ্যতের আঞ্চলিক ক্রীড়া আয়োজনেও একই ভূমিকা রাখবে?

রোশন ওয়াটারফ্রন্টের সাতটি বিনোদন অঞ্চল নানা ধরনের অভিজ্ঞতার সুযোগ দেয়। শিশুদের এলাকা পরিবারগুলোর জন্য আলাদা আকর্ষণ। ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের স্থানগুলো সক্রিয় থাকার সুযোগ করে দেয়। প্রশ্ন হলো, একই জায়গায় বিশ্রাম ও সক্রিয়তা—দুই ধরনের চাহিদা কীভাবে একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে?

৪.৫ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ প্রমেনেড ধরে হাঁটা, জগিং ও সাইক্লিংয়ের নির্ধারিত পথ রয়েছে। খোলা বসার জায়গা দর্শনার্থীদের থেমে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেয়। বালুকাময় সৈকত ও সবুজ এলাকা দিনভর সময় কাটানোর পরিবেশ তৈরি করে। প্রশ্ন হলো, এত বড় পরিসরে দৈনন্দিন ভিড় সামলাতে কী ধরনের ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন?

১ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষের ধারণক্ষমতা এই গন্তব্যের বড় বৈশিষ্ট্য। বিস্তৃত সবুজ এলাকা ও সৈকত সেই ধারণক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। প্রশ্ন হলো, এমন ধারণক্ষমতা কি বড় আন্তর্জাতিক আয়োজনের সময়ও যথেষ্ট প্রমাণিত হবে?

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের শিরোনাম এই স্থানের পরিচিতি বাড়িয়েছে। ১৬ হাজার বর্গমিটারের শিল্পকর্মটি সৌদি শিল্পী ও স্বেচ্ছাসেবকদের যৌথ effort-এর ফল। রোশন গ্রুপ, ‘লেনোবাদির’ ও জেদ্দার সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি অ্যাসোসিয়েশন এই উদ্যোগে যুক্ত ছিল। প্রশ্ন হলো, স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণ কীভাবে একটি পর্যটন স্থানের পরিচয় গড়ে তোলে?

দর্শনার্থীদের প্রশংসায় ওয়াটারফ্রন্টের আধুনিক পরিবেশ উঠে এসেছে। বিনোদন, ক্রীড়া ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের মিশ্রণ তাঁদের পছন্দ হয়েছে। লোহিত সাগরের সরাসরি দৃশ্য ও শিল্পকর্ম ছবি তোলার আকর্ষণ বাড়িয়েছে। প্রশ্ন হলো, ছবি তোলার জনপ্রিয়তা কি এই স্থানকে আরও দর্শনার্থীর কাছে পৌঁছে দিচ্ছে?

খালিজি ২৭-এর সমর্থকরা ম্যাচের মধ্যে সময়ে এই স্থানগুলো বেছে নিচ্ছেন। জেদ্দার পরিচিত স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখার সুযোগও তাঁরা পাচ্ছেন। প্রশ্ন হলো, ক্রীড়া পর্যটন কি শহরের অন্যান্য গন্তব্যকেও একইভাবে উপকৃত করে?

এসপিএ জানিয়েছে, রোশন ওয়াটারফ্রন্ট উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। প্রতিবেদনে দর্শনার্থীদের সংখ্যা, টিকিট বা নির্দিষ্ট কোনো ইভেন্টের সময়সূচি উল্লেখ নেই। খালিজি ২৭-এর ম্যাচের ফলাফল বা অবস্থানও এতে দেওয়া হয়নি।

দর্শনার্থীদের কাছে স্থানটি কেন জনপ্রিয়? দর্শনার্থীরা ওয়াটারফ্রন্টের আধুনিক পরিবেশ এবং বিনোদন, ক্রীড়া ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের মিশ্রণের প্রশংসা করেছেন। এসপিএ জানিয়েছে, লোহিত সাগরের সরাসরি দৃশ্য ও প্রমেনেডের পাশে সারিবদ্ধ শিল্পকর্ম এটিকে ছবি তোলার জনপ্রিয় স্থান করেছে। পরিবার ও ব্যক্তিরা দিনভর বিশ্রামের সুযোগ পান।