Thursday, October 29, 2026
সংস্কৃতি

আরবীয় ঘোড়া ও বাজপাখির ঐতিহ্য রক্ষায় দুই কেন্দ্রের চুক্তি

আরবীয় ঘোড়া ও বাজপাখির ঐতিহ্য রক্ষায় দুই কেন্দ্রের চুক্তি

রিয়াদে আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৬-এর পাশে কিং আবদুলআজিজ আরবিয়ান হর্স সেন্টার ও ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনস সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির লক্ষ্য, খাঁটি আরবীয় ঘোড়া ও বাজপাখির সঙ্গে যুক্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে যৌথ প্রচেষ্টা জোরদার করা, যা জাতীয় পরিচয়ের প্রামাণ্য উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন কিং আবদুলআজিজ আরবিয়ান হর্স সেন্টারের মহাপরিচালক আবদুলআজিজ আলমুকবিল এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনসের ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহমেদ আল-হাবাবি।

চুক্তির আওতায় রয়েছে পারস্পরিক আগ্রহের ইভেন্ট ও কর্মসূচিতে সহযোগিতা, ঐতিহ্যবাহী উদ্যোগের উন্নয়ন, গণমাধ্যম সহযোগিতা এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই ক্ষেত্রগুলোর বাইরে চুক্তির অন্য কোনো শর্ত বা সময়সীমার উল্লেখ নেই।

আলমুকবিল বলেন, চুক্তিটি আরবীয় ঘোড়ার ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রতি কেন্দ্রের অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মূল্য তুলে ধরার প্রয়াস। তাঁর ভাষায়, এই অংশীদারিত্ব আরবীয় ঘোড়া ও ফ্যালকনরি একসঙ্গে নিয়ে আসা যৌথ উদ্যোগের নতুন পথ খুলে দেয়।

আল-হাবাবি উল্লেখ করেন, চুক্তিটি এমন কর্মসূচি ও ইভেন্ট উন্নয়নের কাঠামো তৈরি করে, যেখানে দুই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বাজপাখি ও আরবীয় ঘোড়ার সঙ্গে যুক্ত ঐতিহ্য নতুন উপস্থাপনায় তুলে ধরা হবে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে চুক্তির মেয়াদ, বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

চুক্তিতে কারা স্বাক্ষর করেছেন? কিং আবদুলআজিজ আরবিয়ান হর্স সেন্টারের মহাপরিচালক আবদুলআজিজ আলমুকবিল এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফ্যালকনসের ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আহমেদ আল-হাবাবি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এসপিএ জানিয়েছে, স্বাক্ষর হয়েছে আন্তর্জাতিক সৌদি ফ্যালকনস অ্যান্ড হান্টিং এক্সিবিশন ২০২৬-এর পাশে।

চুক্তির আওতায় কী কী ক্ষেত্র রয়েছে? চুক্তিতে পারস্পরিক আগ্রহের ইভেন্ট ও কর্মসূচিতে সহযোগিতা, ঐতিহ্যবাহী উদ্যোগের উন্নয়ন, গণমাধ্যম সহযোগিতা এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অন্তর্ভুক্ত। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই ক্ষেত্রগুলোর বাইরে অতিরিক্ত শর্ত বা সময়সীমার উল্লেখ নেই।

কেন এই ঐতিহ্য সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ? চুক্তিতে খাঁটি আরবীয় ঘোড়া ও বাজপাখিকে জাতীয় পরিচয়ের প্রামাণ্য উপাদান হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আলমুকবিল বলেন, আরবীয় ঘোড়ার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক মূল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাই কেন্দ্রের লক্ষ্য। এসপিএ এই মূল্যায়নের বাইরে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেয়নি।

দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কী বলেছেন? আলমুকবিল বলেন, চুক্তি আরবীয় ঘোড়ার ঐতিহ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকারের প্রতিফলন এবং আরবীয় ঘোড়া ও ফ্যালকনরি একসঙ্গে আনা যৌথ উদ্যোগের নতুন পথ খোলে। আল-হাবাবি বলেন, এটি দুই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে নতুন উপস্থাপনায় ঐতিহ্য তুলে ধরার কাঠামো তৈরি করে।

চুক্তির মেয়াদ বা বিনিয়োগের পরিমাণ জানা গেছে কি? না। এসপিএ-র প্রতিবেদনে চুক্তির মেয়াদ, বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট কোনো কর্মসূচির নাম উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু সহযোগিতার ক্ষেত্র ও দুই প্রতিনিধির বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।