Monday, November 2, 2026
সাধারণ

সৌদির ৯ অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, লোহিত সাগরে বাতাস ৩৫ কিমি/ঘণ্টা

সৌদির ৯ অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, লোহিত সাগরে বাতাস ৩৫ কিমি/ঘণ্টা

নাজরান, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, কাসিম ও হাইল অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। একই অঞ্চলগুলোর কিছু অংশে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে বলেও জানানো হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৯ এপ্রিল ২০২৫-এ জানিয়েছে, জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট ও গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের সময়সূচি উল্লেখ করা হয়েছে।

নয়টি অঞ্চলের নাম একসঙ্গে পড়লে বোঝা যায়, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে মধ্য ও উত্তর-মধ্যাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত একটি ভৌগোলিক বলয়ে এই বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। নাজরান, জাজান, আসির ও আল-বাহা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত; মক্কা ও মদিনা পশ্চিমাঞ্চলে; আর রিয়াদ, কাসিম ও হাইল মধ্য ও উত্তর-মধ্যাঞ্চলে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসে বৃষ্টির তীব্রতা নিয়ে দুটি স্তর ব্যবহার করা হয়েছে — মাঝারি ও ভারী। কোন অঞ্চলে কোন স্তরের বৃষ্টি হবে, তা এই সংক্ষিপ্ত বিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলোর কিছু অংশে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

বৃষ্টির পাশাপাশি আরেকটি আবহাওয়াগত বিষয় উঠে এসেছে এসপিএ-র প্রতিবেদনে — ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস। এই বাতাসও একই অঞ্চলগুলোর কিছু অংশে বইবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা ও ধুলোবালির সম্ভাবনা একই ভৌগোলিক এলাকায় উল্লেখ করা হয়েছে কি না, তা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়নি; শুধু বলা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলোর কিছু অংশে এমন বাতাস বইবে।

এখন প্রশ্ন হলো, একই অঞ্চলে বৃষ্টি ও ধুলোবালি — দুটোই যখন সম্ভাব্য, তখন বাতাসের গতিপ্রকৃতি কেমন হবে? বিজ্ঞপ্তিতে স্থলভাগের বাতাসের গতিবেগ নিয়ে কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি। শুধু সমুদ্রের বাতাসের গতিবেগ ও ঢেউয়ের উচ্চতা নিয়ে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেওয়া হয়েছে।

লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিমমুখী থেকে উত্তরমুখী হবে এবং গতিবেগ ঘণ্টায় ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত হতে পারে। সমুদ্রের অবস্থা শান্ত থেকে সামান্য উত্তাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিমমুখী থেকে পশ্চিমমুখী হবে এবং গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। সেখানেও ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে সামান্য উত্তাল থাকবে।

দুই জলাশয়ের তথ্য পাশাপাশি রাখলে একটি মিল চোখে পড়ে — ঢেউয়ের উচ্চতার পরিসর দুই জায়গাতেই এক, আধা মিটার থেকে দেড় মিটার। সমুদ্রের অবস্থাও দুই জায়গাতেই শান্ত থেকে সামান্য উত্তাল। তবে বাতাসের গতিবেগের নিম্নসীমা দুই জায়গায় আলাদা — লোহিত সাগরে ১২ কিমি/ঘণ্টা, আরব উপসাগরে ১৫ কিমি/ঘণ্টা। ঊর্ধ্বসীমা দুই জায়গাতেই ৩৫ কিমি/ঘণ্টা।

বাতাসের দিকও দুই জলাশয়ে ভিন্নভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। লোহিত সাগরে তা উত্তর-পশ্চিমমুখী থেকে উত্তরমুখী; আরব উপসাগরে তা উত্তর-পশ্চিমমুখী থেকে পশ্চিমমুখী। অর্থাৎ উত্তর-পশ্চিমমুখী দিকটি দুই জলাশয়েই আছে, কিন্তু দ্বিতীয় দিকটি এক জায়গায় উত্তর এবং অন্য জায়গায় পশ্চিম।

এই পার্থক্যগুলো কি সমুদ্রগামী নৌযান ও উপকূলীয় কার্যক্রমের পরিকল্পনায় প্রভাব ফেলবে? বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি এমন কোনো নির্দেশনা বা সতর্কতা দেওয়া হয়নি। শুধু বাতাস, ঢেউ ও সমুদ্রের অবস্থার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।

স্থলভাগের পূর্বাভাসে নয়টি অঞ্চলের নাম থাকলেও কোন শহর বা কোন উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি, তা আলাদা করে বলা হয়নি। শুধু অঞ্চলভিত্তিক উল্লেখ আছে। ফলে একটি অঞ্চলের ভেতরেই কোথাও বৃষ্টি হতে পারে, আবার অন্য অংশ শুষ্ক থাকতে পারে — বিজ্ঞপ্তিতে ঠিক এই অনিশ্চয়তাটিই প্রতিফলিত হয়েছে «কিছু অংশে» শব্দবন্ধের মাধ্যমে।

ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাসের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কোন অঞ্চলে ধুলার ঘনত্ব কত হবে, দৃশ্যমানতা কতটা কমতে পারে বা কত সময় ধরে এই অবস্থা থাকবে — এসবের কোনো পরিমাপ বিজ্ঞপ্তিতে নেই। শুধু সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে সময় উল্লেখ করা হয়েছে দুই ফরম্যাটে — স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট। প্রতিবেদনের শেষে ০০১৬ সংখ্যাটি রয়েছে।

জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাস কোন সময়কালের জন্য প্রযোজ্য — শনিবারের পুরো দিন, না দিনের নির্দিষ্ট কোনো অংশ — তা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়নি। শিরোনামে শনিবারের পূর্বাভাস বলা হলেও পাঠ্যে সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

নয়টি অঞ্চলের মধ্যে চারটি — নাজরান, জাজান, আসির ও আল-বাহা — দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এই চার অঞ্চল একসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বিস্তৃত হতে পারে। তবে এই ইঙ্গিত বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি বলা হয়নি।

অপর দিকে মক্কা ও মদিনা পশ্চিমাঞ্চলের দুটি বড় অঞ্চল। রিয়াদ, কাসিম ও হাইল মধ্য ও উত্তর-মধ্যাঞ্চলে। এই বিন্যাসে দেশের একটি বড় অংশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

এমন বিস্তৃত ভৌগোলিক পরিসরে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়ার সময় সাধারণত কোন তথ্য সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে? নাগরিকদের জন্য বৃষ্টির সময়, স্থান ও তীব্রতা — এই তিনটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই বিজ্ঞপ্তিতে তিনটির কোনোটিরই বিস্তারিত বিবরণ নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে বৃষ্টির পরিমাণ মিলিমিটারে দেওয়া হয়নি। বৃষ্টি কত সময় স্থায়ী হতে পারে, তাও বলা হয়নি। বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি বা হঠাৎ বন্যার মতো ঘটনার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়নি। শুধু মাঝারি ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা এবং ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাসের কথা বলা হয়েছে।

সমুদ্রের তথ্যে বাতাসের গতিবেগ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় দেওয়া হয়েছে। ঢেউয়ের উচ্চতা মিটারে। সমুদ্রের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে «শান্ত থেকে সামান্য উত্তাল» হিসেবে। এই বর্ণনাগুলো দুই জলাশয়ের জন্যই প্রায় অভিন্ন।

লোহিত সাগরের বাতাসের গতিবেগের পরিসর ১২ থেকে ৩৫ কিমি/ঘণ্টা এবং আরব উপসাগরের ১৫ থেকে ৩৫ কিমি/ঘণ্টা — এই দুই পরিসরের মধ্যে পার্থক্য মূলত নিম্নসীমায়। ঊর্ধ্বসীমা দুই ক্ষেত্রেই একই।

এই ধরনের পূর্বাভাস সাধারণত কোন শ্রোতাদের জন্য সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক — উপকূলীয় বাসিন্দা, মাছ ধরার নৌকা, বাণিজ্যিক জাহাজ, না স্থলপথে চলাচলকারী? বিজ্ঞপ্তিতে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে উদ্দেশ্য করে নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাসের প্রসঙ্গে সাধারণত দৃশ্যমানতা ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কিন্তু বিজ্ঞপ্তিতে এসবের কোনো উল্লেখ নেই। শুধু বাতাস বইবে — এই তথ্যটুকুই দেওয়া হয়েছে।

নয়টি অঞ্চলের তালিকায় দক্ষিণ থেকে উত্তর পর্যন্ত একটি ধারাবাহিকতা দেখা যায়। নাজরান সবচেয়ে দক্ষিণে, তারপর জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, কাসিম ও হাইল। এই ক্রমটি ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-মধ্য পর্যন্ত বিস্তৃত।

তবে এই ক্রমটি কি ইচ্ছাকৃতভাবে সাজানো, না কেবল উল্লেখের সুবিধার জন্য — তা বিজ্ঞপ্তি থেকে বোঝা যায় না।

এসপিএ-র প্রতিবেদনটি সংক্ষিপ্ত। এতে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে বৃষ্টি, ধুলোবালি এবং দুই সমুদ্রের অবস্থার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে কোনো কর্মকর্তার নাম, উদ্ধৃতি বা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা নেই।

শেষে একটি বিষয় স্পষ্ট — এই বিজ্ঞপ্তিতে বৃষ্টির সঠিক সময়, পরিমাণ, কোন শহরে কী প্রভাব পড়বে বা কতক্ষণ এই অবস্থা থাকবে — এসবের কোনো তথ্য নেই। জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্ণ পূর্বাভাসে সম্ভবত এসব বিস্তারিত থাকতে পারে, কিন্তু এসপিএ-র এই প্রতিবেদনে তা অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

কোন কোন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে এসপিএ জানিয়েছে, নাজরান, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, কাসিম ও হাইল অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। একই অঞ্চলগুলোর কিছু অংশে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। কোন অঞ্চলে কোন স্তরের বৃষ্টি হবে, তা আলাদা করে বলা হয়নি।

লোহিত সাগরে বাতাস ও ঢেউ কেমন থাকবে? লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিমমুখী থেকে উত্তরমুখী হবে এবং গতিবেগ ঘণ্টায় ১২ থেকে ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে সামান্য উত্তাল থাকবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে এই তথ্য জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরব উপসাগরের অবস্থা কেমন হবে? আরব উপসাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিমমুখী থেকে পশ্চিমমুখী হবে এবং গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫ থেকে ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। ঢেউয়ের উচ্চতাও আধা মিটার থেকে দেড় মিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে সামান্য উত্তাল থাকবে। লোহিত সাগরের তুলনায় এখানে বাতাসের গতিবেগের নিম্নসীমা ১৫ কিমি/ঘণ্টা, যা তিন কিমি/ঘণ্টা বেশি।

ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাসের বিষয়ে কী বলা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, যে অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে — নাজরান, জাজান, আসির, আল-বাহা, মক্কা, মদিনা, রিয়াদ, কাসিম ও হাইল — সেগুলোর কিছু অংশে ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাস বইবে। তবে কোন অঞ্চলে ধুলার ঘনত্ব কত হবে, দৃশ্যমানতা কতটা কমতে পারে বা কত সময় এই অবস্থা থাকবে, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছু বলা হয়নি।

পূর্বাভাসে বৃষ্টির সময় ও পরিমাণ কি উল্লেখ করা হয়েছে? না। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ মিলিমিটারে দেওয়া হয়নি, কত সময় বৃষ্টি স্থায়ী হতে পারে তাও বলা হয়নি। বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি বা হঠাৎ বন্যার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়নি। শুধু মাঝারি ও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা এবং ধুলোবালি উড়িয়ে দেওয়া বাতাসের কথা বলা হয়েছে। কোন সময়কালের জন্য এই পূর্বাভাস প্রযোজ্য, তাও স্পষ্ট করা হয়নি।

প্রতিবেদনে কোন সময় ও সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৫ মিনিট এবং গ্রিনিচ মান সময় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিট উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে ০০১৬ সংখ্যাটি রয়েছে। তথ্যের সূত্র হিসেবে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে কোনো কর্মকর্তার নাম, উদ্ধৃতি বা অতিরিক্ত ব্যাখ্যা নেই।