সৌদি আরবের জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র। এই বৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে এবং সঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়া থাকতে পারে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণ অংশে বজ্রমেঘ তৈরি হতে পারে এবং এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা পড়তে পারে। উত্তর সীমান্ত, আল-জউফ ও তাবুক অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে। ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে।
আরব উপসাগরে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে এবং উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে এক মিটার হবে এবং সমুদ্র শান্ত থাকবে।
আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস এমন সময়ে এল, যখন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বর্ষা-পরবর্তী মৌসুমি বৃষ্টিপাত সাধারণত সক্রিয় থাকে। জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চল ভৌগোলিকভাবে উঁচু পর্বত ও উপকূলীয় সমভূমির মিশ্রণ। এই বৈচিত্র্যের কারণে একই দিনে একই অঞ্চলের কোথাও ভারী বৃষ্টি, আবার কোথাও কুয়াশা বা দমকা হাওয়া দেখা দিতে পারে।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসে আকস্মিক বন্যার কথা বলা হয়েছে। পাহাড়ি ঢালে ভারী বৃষ্টি হলে অল্প সময়ে পানি নিচে নেমে আসে এবং উপত্যকা ও নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি করতে পারে। শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়া একসঙ্গে থাকলে রাস্তাঘাট ও খোলা মাঠে চলাচলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন হয়।
মদিনা অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস তুলনামূলক কম তীব্রতা বোঝায়। তবে মেঘের গতিপথ বদলালে বৃষ্টির পরিমাণ ও এলাকা বদলাতে পারে। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণ অংশে বজ্রমেঘ তৈরির সম্ভাবনা মানে সেখানেও বজ্রপাত ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
উত্তর সীমান্ত, আল-জউফ ও তাবুক অঞ্চলে বৃষ্টির বদলে ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস বেশি। শুষ্ক ও মরু এলাকায় এমন হাওয়া দৃশ্যমানতা কমিয়ে দিতে পারে এবং রাস্তায় চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে। এসব অঞ্চলে কুয়াশার কথা আলাদাভাবে বলা হয়নি, তবে সামগ্রিক পূর্বাভাসে কিছু অঞ্চলে কুয়াশার সম্ভাবনার উল্লেখ আছে।
লোহিত সাগরের পূর্বাভাসে বাতাসের গতি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে। সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে।
আরব উপসাগরের পূর্বাভাসে বাতাসের গতি দুই দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে এক মিটার এবং সমুদ্র শান্ত থাকবে। অর্থাৎ উপসাগরের অবস্থা লোহিত সাগরের তুলনায় কম অস্থির থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ মিলিমিটারে বা নির্দিষ্ট কোনো শহরের জন্য আলাদা কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি। কোন এলাকায় কতটুকু বৃষ্টি হবে বা কত সময় ধরে হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। শুধু অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
একইভাবে আকস্মিক বন্যার সতর্কতার মাত্রা, সতর্কবার্তার সময়সীমা বা কোন এলাকা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে তা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কুয়াশার ক্ষেত্রেও কোন অঞ্চলের কোন অংশে তা বেশি হতে পারে, সে বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস সাধারণত দিনের নির্দিষ্ট সময়ে হালনাগাদ হয়। এই প্রতিবেদন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে এবং স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে হালনাগাদ করা হয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী তা সকাল ৫টা ৩১ মিনিট।
পূর্বাভাসে বাতাসের গতির পাশাপাশি ঢেউয়ের উচ্চতাও দেওয়া হয়েছে। সমুদ্রযাত্রী ও উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের জন্য এই দুই তথ্যই গুরুত্বপূর্ণ। লোহিত সাগরে ঢেউ দুই মিটারের বেশি হতে পারে, যা ছোট নৌকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আরব উপসাগরে ঢেউ এক মিটার পর্যন্ত হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থাকবে। ফলে উপসাগরীয় উপকূলে সামুদ্রিক কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা কম। তবে বাতাসের গতি ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে ধুলো উড়ানো হাওয়ার পূর্বাভাস উত্তর সীমান্ত, আল-জউফ ও তাবুকের কিছু অংশে। এই অঞ্চলগুলো দেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এবং শুষ্ক আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। দমকা হাওয়া ধুলো ও বালি উড়িয়ে দৃশ্যমানতা কমাতে পারে।
দক্ষিণাঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কার কিছু অংশে। এসব অঞ্চলে বৃষ্টির সঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়া থাকতে পারে। আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও রয়েছে।
মদিনা অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা। পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণ অংশে বজ্রমেঘ তৈরির সম্ভাবনা। এসব অঞ্চলের কিছু অংশে কুয়াশা পড়তে পারে।
লোহিত সাগরে বাতাসের গতি দুই দিকে ভিন্ন। উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি। সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির।
আরব উপসাগরে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার এবং উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে এক মিটার। সমুদ্র শান্ত।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের এই পূর্বাভাসে সতর্কতার মাত্রা বা সময়সীমা আলাদাভাবে বলা হয়নি। কোন অঞ্চলে কতটুকু বৃষ্টি হবে, তাও সংখ্যায় দেওয়া হয়নি। শুধু সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
পূর্বাভাসে কুয়াশার কথা বলা হয়েছে কিছু অঞ্চলে। তবে কোন অঞ্চলে কুয়াশা বেশি হবে, তা স্পষ্ট নয়। বজ্রমেঘের কথাও বলা হয়েছে পূর্বাঞ্চলের দক্ষিণ অংশে।
আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কার কিছু অংশে। শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। মদিনায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি।
উত্তর সীমান্ত, আল-জউফ ও তাবুকে ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়া। লোহিত সাগরে ঢেউ দুই মিটারের বেশি হতে পারে। আরব উপসাগরে ঢেউ এক মিটার পর্যন্ত।
এই পূর্বাভাস ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে হালনাগাদ। গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৫টা ৩১ মিনিট।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ, সময়কাল বা সতর্কতার মাত্রা উল্লেখ না থাকায় প্রকৃত প্রভাব কতটা হবে, তা স্পষ্ট নয়। কোন শহরে কী পরিস্থিতি হবে, তাও আলাদাভাবে বলা হয়নি।
তবে অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনা স্পষ্ট। দক্ষিণ-পশ্চিমে বজ্রবৃষ্টি ও বন্যার আশঙ্কা। মদিনায় হালকা বৃষ্টি। পূর্বাঞ্চলে বজ্রমেঘ। উত্তরে ধুলো। লোহিত সাগরে অস্থিরতা। উপসাগরে শান্ত অবস্থা।
এই তথ্য জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বৃষ্টির পরিমাণ বা সতর্কতার মাত্রা সংখ্যায় দেওয়া হয়নি। শুধু সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
পূর্বাভাসে কোন এলাকায় কত সময় ধরে বৃষ্টি হবে, তা বলা হয়নি। কুয়াশার তীব্রতাও স্পষ্ট নয়। বাতাসের গতি ও ঢেউয়ের উচ্চতা অবশ্য সংখ্যায় দেওয়া হয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাসের গতি ২০ থেকে ৫০ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি। আরব উপসাগরে বাতাসের গতি ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার। ঢেউ আধা মিটার থেকে এক মিটার।
দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণ-পশ্চিমে। উত্তরে ধুলো উড়ানো হাওয়া। পূর্বাঞ্চলে বজ্রমেঘ। মদিনায় হালকা বৃষ্টি। এসবই সম্ভাবনার ভিত্তিতে বলা হয়েছে।
আকস্মিক বন্যা, শিলাবৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এসব প্রাকৃতিক ঘটনা একসঙ্গে ঘটলে প্রভাব বাড়তে পারে। তবে পূর্বাভাসে সতর্কতার মাত্রা বা সময়সীমা নেই।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের পূর্বাভাসে কোন অঞ্চলে কতটুকু বৃষ্টি হবে, তা সংখ্যায় নেই। শুধু মাঝারি থেকে ভারী বা হালকা থেকে মাঝারি বলা হয়েছে। ঢেউ ও বাতাসের গতি অবশ্য সংখ্যায় দেওয়া হয়েছে।
এই প্রতিবেদন ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে হালনাগাদ। গ্রিনিচ মান সময় সকাল ৫টা ৩১ মিনিট। সূত্র: সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ।
কোন অঞ্চলে ভারী বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস? জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্রের বরাত দিয়ে সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, জাজান, আসির, আল-বাহা ও মক্কা অঞ্চলের কিছু অংশে মাঝারি থেকে ভারী বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই বৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যা হতে পারে এবং সঙ্গে শিলাবৃষ্টি ও ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়া থাকতে পারে। মদিনা অঞ্চলের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
লোহিত সাগরে বাতাস ও ঢেউ কেমন থাকবে? এসপিএ জানিয়েছে, লোহিত সাগরে বাতাস উত্তর-পশ্চিম থেকে উত্তর দিকে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে এবং দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে। ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে দুই মিটারের বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র শান্ত থেকে অস্থির থাকবে। পূর্বাভাসে সতর্কতার মাত্রা বা সময়সীমা আলাদাভাবে বলা হয়নি।
আরব উপসাগরের অবস্থা কেমন হবে? এসপিএ জানিয়েছে, আরব উপসাগরে বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পশ্চিম দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে এবং উত্তর-পূর্ব থেকে পূর্ব দিকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ কিলোমিটার বেগে বইবে। ঢেউয়ের উচ্চতা আধা মিটার থেকে এক মিটার হবে এবং সমুদ্র শান্ত থাকবে। অর্থাৎ উপসাগরের অবস্থা লোহিত সাগরের তুলনায় কম অস্থির থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তরাঞ্চলে কী ধরনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস? এসপিএ জানিয়েছে, উত্তর সীমান্ত, আল-জউফ ও তাবুক অঞ্চলের কিছু অংশে ধুলো উড়ানো দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এসব অঞ্চলে বৃষ্টির কথা আলাদাভাবে বলা হয়নি। শুষ্ক ও মরু এলাকায় এমন হাওয়া দৃশ্যমানতা কমিয়ে দিতে পারে এবং রাস্তায় চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে। পূর্বাভাসে কুয়াশার তীব্রতা বা সতর্কতার মাত্রা স্পষ্ট করা হয়নি।
পূর্বাভাসে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ জানিয়েছে, পূর্বাভাসে বৃষ্টির পরিমাণ মিলিমিটারে বা নির্দিষ্ট কোনো শহরের জন্য আলাদা কোনো সংখ্যা দেওয়া হয়নি। কোন এলাকায় কতটুকু বৃষ্টি হবে বা কত সময় ধরে হবে, তা স্পষ্ট করা হয়নি। আকস্মিক বন্যার সতর্কতার মাত্রা, সতর্কবার্তার সময়সীমা বা কোন এলাকা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে তা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কুয়াশার ক্ষেত্রেও বিস্তারিত দেওয়া হয়নি।





