রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের ১২তম আসর আগামী ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় এই আসরে সরকারি কর্মকর্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একটি বিশিষ্ট দল অংশ নেবে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, ফোরামের এবারের আসর তার আগের ১১টি আসরের বিস্তৃত ধারাবাহিকতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। সেই ১১টি আসরে মোট ৫৭টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলো থেকে ৩৮৪টি সুপারিশ ও উদ্যোগ এসেছে। এসব সুপারিশ ও উদ্যোগ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে কার্যকরভাবে অবদান রেখেছে।
ফোরামের লক্ষ্য হলো সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব জোরদার করা। এর পাশাপাশি ব্যবসায়ী সমাজ, নীতি নির্ধারক এবং রাজ্যের প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃবৃন্দের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের আয়োজন করা। ফোরাম চায় সুপারিশ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করা, যাতে জাতীয় অর্থনীতির দক্ষতা সমর্থিত হয় এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এর প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ে।
১১টি আসরে ৫৭টি গবেষণা—এই সংখ্যাটি কি কেবল পরিসংখ্যান, নাকি এর পেছনে রয়েছে ধারাবাহিক পরিকল্পনার গল্প? ফোরামের নিজস্ব বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতিটি আসর আগের আসরের ওপর ভিত্তি করে এগিয়েছে। ৩৮৪টি সুপারিশ ও উদ্যোগ কেবল কাগজে থেকে যায়নি; এসপিএ বলছে, সেগুলো রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে কার্যকরভাবে অবদান রেখেছে।
সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব জোরদার করাই ফোরামের অন্যতম ঘোষিত উদ্দেশ্য। এই অংশীদারিত্ব কেবল ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে কী হবে? ফোরাম তাই ব্যবসায়ী সমাজ, নীতি নির্ধারক ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃবৃন্দের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের আয়োজনের কথা বলছে। সরাসরি বৈঠক মানে মুখোমুখি আলোচনা, যেখানে নীতি ও বাস্তবতার ফাঁক কমার সুযোগ থাকে।
ফোরামের আরেকটি স্পষ্ট লক্ষ্য হলো সুপারিশ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করা। গবেষণা যদি বাস্তবে রূপ না নেয়, তাহলে ৫৭টি গবেষণা আর ৩৮৪টি সুপারিশের তাৎপর্য কোথায়? ফোরামের ভাষায়, এই রূপান্তরের উদ্দেশ্য জাতীয় অর্থনীতির দক্ষতা সমর্থন করা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো।
১২তম আসরের সময়সূচি নির্ধারিত হয়েছে ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর। বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতা এই আসরের অন্যতম ঘোষিত বৈশিষ্ট্য। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থাকবেন সরকারি কর্মকর্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আগের ১১টি আসরের ধারাবাহিকতা বিবেচনায় এবারের আসরও একই ধরনের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব, সরাসরি বৈঠক এবং গবেষণার বাস্তব প্রয়োগ—এই তিনটি স্তম্ভই ফোরামের ঘোষণায় বারবার ফিরে এসেছে।
৫৭টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা কোন কোন বিষয়ে ছিল, তা এসপিএ-র বর্ণনায় বিস্তারিত নেই। ৩৮৪টি সুপারিশ ও উদ্যোগের কোনটি কোন সিদ্ধান্তে রূপ নিয়েছে, তার তালিকাও উল্লেখ করা হয়নি। তবে ফোরামের নিজস্ব বর্ণনা বলছে, এসব সুপারিশ ও উদ্যোগ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে কার্যকরভাবে অবদান রেখেছে।
জাতীয় অর্থনীতির দক্ষতা সমর্থন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো—এই দুই লক্ষ্য একসঙ্গে কীভাবে অর্জিত হবে? ফোরামের ঘোষণা অনুযায়ী, সুপারিশ ও গবেষণাকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করার মধ্য দিয়েই এই লক্ষ্য অর্জনের পথ তৈরি হবে।
সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সরাসরি বৈঠক কতটা কার্যকর হতে পারে? ফোরামের বর্ণনায় এই বৈঠকের উদ্দেশ্য স্পষ্ট—ব্যবসায়ী সমাজ, নীতি নির্ধারক ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের নেতাদের মধ্যে সংলাপ তৈরি করা। এই সংলাপই অংশীদারিত্ব জোরদারের হাতিয়ার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১২তম আসরের আয়োজনের সময় ঘোষণা করা হয়েছে ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ, স্থানীয় সময় ১৪:৩৭ এবং জিএমটি ১১:৩৭-এ। ফোরামের স্থান হিসেবে এসপিএ রিয়াদ উল্লেখ করেছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে ফোরামের অতীত ১১টি আসরের সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বিবরণ নেই। ৫৭টি গবেষণার বিষয়বস্তু, ৩৮৪টি সুপারিশের তালিকা কিংবা কোন সুপারিশ কোন সিদ্ধান্তে রূপ নিয়েছে—এসবের বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি। ১২তম আসরে কতজন অংশ নেবেন, তার সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়নি।
তবু ফোরামের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো স্পষ্ট। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদার, সরাসরি বৈঠকের আয়োজন এবং সুপারিশ ও গবেষণাকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তর—এই তিনটি দিকই ১২তম আসরের মূল বর্ণনায় উঠে এসেছে।
১১টি আসরের অভিজ্ঞতা থেকে ১২তম আসরে কী নতুন কিছু আসবে? ফোরামের বর্ণনা অনুযায়ী, এবারের আসর তার আগের ১১টি আসরের বিস্তৃত ধারাবাহিকতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। অর্থাৎ অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতাই এখানে মূল ভিত্তি।
জাতীয় অর্থনীতির দক্ষতা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা—এই দুইয়ের মধ্যে সম্পর্ক কী? ফোরামের ভাষায়, সুপারিশ ও গবেষণার বাস্তব রূপান্তরই জাতীয় অর্থনীতির দক্ষতা সমর্থন করে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ায়।
ফোরামের ১২তম আসর ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই আসরে সরকারি কর্মকর্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একটি বিশিষ্ট দল অংশ নেবেন।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে ফোরামের সুনির্দিষ্ট আলোচ্যসূচি, সেশন সংখ্যা বা অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। ৫৭টি গবেষণা ও ৩৮৪টি সুপারিশের বিস্তারিত তালিকাও প্রতিবেদনে নেই।
রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের ১২তম আসর কবে অনুষ্ঠিত হবে? সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রিয়াদ ইকোনমিক ফোরামের ১২তম আসর ১২ থেকে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজনটি দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদের পৃষ্ঠপোষকতায় হবে। অংশ নেবেন সরকারি কর্মকর্তা, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একটি বিশিষ্ট দল।
আগের ১১টি আসরে কী কী অর্জন হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, ফোরামের আগের ১১টি আসরে মোট ৫৭টি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এসব গবেষণা থেকে ৩৮৪টি সুপারিশ ও উদ্যোগ এসেছে। ফোরামের বর্ণনা অনুযায়ী, এই সুপারিশ ও উদ্যোগ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে কার্যকরভাবে অবদান রেখেছে।
ফোরামের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো কী? ফোরাম সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব জোরদার করতে চায়। পাশাপাশি ব্যবসায়ী সমাজ, নীতি নির্ধারক ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানের নেতাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের আয়োজন করতে চায়। লক্ষ্য হলো সুপারিশ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করা, যাতে জাতীয় অর্থনীতির দক্ষতা সমর্থিত হয় এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ে।
ফোরাম কাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের আয়োজন করতে চায়? এসপিএ-র বর্ণনা অনুযায়ী, ফোরাম ব্যবসায়ী সমাজ, নীতি নির্ধারক এবং রাজ্যের প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃবৃন্দের মধ্যে সরাসরি বৈঠকের আয়োজন করতে চায়। এই সংলাপের উদ্দেশ্য সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারিত্ব জোরদার করা।
ফোরামের সুপারিশ ও গবেষণা কীভাবে কাজে লাগানো হয়? ফোরামের ঘোষণা অনুযায়ী, সুপারিশ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বাস্তব ফলাফলে রূপান্তরিত করাই এর মূল কাজ। এসপিএ জানিয়েছে, আগের ১১টি আসরের ৫৭টি গবেষণা থেকে আসা ৩৮৪টি সুপারিশ ও উদ্যোগ রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তে কার্যকরভাবে অবদান রেখেছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? প্রতিবেদনে ৫৭টি গবেষণার বিষয়বস্তু বা ৩৮৪টি সুপারিশের বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হয়নি। কোন সুপারিশ কোন সিদ্ধান্তে রূপ নিয়েছে, তার বিবরণও নেই। ১২তম আসরে কতজন অংশ নেবেন বা আলোচ্যসূচি কী হবে, তাও উল্লেখ করা হয়নি।





