মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়াদের বারবার হামলার নিন্দা জানিয়েছেন, যেখানে বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ নিজের পক্ষ থেকে এবং মরক্কোর জনগণের পক্ষ থেকে এই নিন্দা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, হামলাগুলো কেবল স্থাপনা ও বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পৃথিবীর পবিত্রতম স্থান এবং প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়ে সবচেয়ে পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টা পর্যন্ত গড়িয়েছে।
মরক্কোর রাজা দুটি কেবলে এই নিন্দা জানিয়েছেন—একটি খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদকে এবং অন্যটি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী His Royal Highness Prince Mohammed bin Salman bin Abdulaziz Al Saud-কে।
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন: “বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভাগ্যবন্ধনের বন্ধন এবং আমাদের ব্যক্তিগতভাবে, আমাদের দুই পরিবার ও আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে একত্রিত করা ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধনের প্রতি আনুগত্য থেকে, আমি আপনার প্রিয় দেশের সামনে এই সংকটময় মুহূর্তে আপনাদের সম্বোধন করছি, যখন আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কৌশলগত বিবেচনা আমাদের সকলকে সত্য, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর দাবি রাখে।”
তিনি আরও বলেছেন: “এই ঘৃণ্য হামলা এবং গর্বিত সৌদি জনগণের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ undermining করার মরিয়া প্রচেষ্টাগুলো কেবল ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরব, তার জনগণ এবং সেখানে অবস্থানরত উমরাহ পালনকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়; এগুলো বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিমের অনুভূতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আক্রমণও। এগুলো মহান ইসলামি বিশ্বাসের ভিত্তি যে মূল্যবোধ ও নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত—শান্তি, সহনশীলতা এবং রক্ত, সম্মান ও পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা—তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনও।”
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন: “আমরা এই অপরাধমূলক কাজগুলোর নিন্দা জানাই, যার জন্য…”
মরক্কোর রাজার এই নিন্দা এমন সময়ে এলো যখন সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি মিলিশিয়াদের হামলা অব্যাহত রয়েছে। হামলাগুলো বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠের বক্তব্যে তিনি মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলাগুলো কেবল স্থাপনা ও বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পৃথিবীর পবিত্রতম স্থান এবং প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়ে সবচেয়ে পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টা পর্যন্ত গড়িয়েছে।
মরক্কোর রাজা তার কেবলে বলেছেন: “বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভাগ্যবন্ধনের বন্ধন এবং আমাদের ব্যক্তিগতভাবে, আমাদের দুই পরিবার ও আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে একত্রিত করা ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধনের প্রতি আনুগত্য থেকে, আমি আপনার প্রিয় দেশের সামনে এই সংকটময় মুহূর্তে আপনাদের সম্বোধন করছি, যখন আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কৌশলগত বিবেচনা আমাদের সকলকে সত্য, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর দাবি রাখে।”
তিনি বলেছেন: “এই ঘৃণ্য হামলা এবং গর্বিত সৌদি জনগণের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ undermining করার মরিয়া প্রচেষ্টাগুলো কেবল ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরব, তার জনগণ এবং সেখানে অবস্থানরত উমরাহ পালনকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়; এগুলো বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিমের অনুভূতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আক্রমণও। এগুলো মহান ইসলামি বিশ্বাসের ভিত্তি যে মূল্যবোধ ও নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত—শান্তি, সহনশীলতা এবং রক্ত, সম্মান ও পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা—তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনও।”
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন: “আমরা এই অপরাধমূলক কাজগুলোর নিন্দা জানাই, যার জন্য…”
মরক্কোর রাজার এই নিন্দা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি মিলিশিয়াদের হামলার প্রেক্ষাপটে এসেছে। হামলাগুলো বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠের বক্তব্যে তিনি মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলাগুলো কেবল স্থাপনা ও বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পৃথিবীর পবিত্রতম স্থান এবং প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়ে সবচেয়ে পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টা পর্যন্ত গড়িয়েছে।
মরক্কোর রাজা তার কেবলে বলেছেন: “বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভাগ্যবন্ধনের বন্ধন এবং আমাদের ব্যক্তিগতভাবে, আমাদের দুই পরিবার ও আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে একত্রিত করা ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধনের প্রতি আনুগত্য থেকে, আমি আপনার প্রিয় দেশের সামনে এই সংকটময় মুহূর্তে আপনাদের সম্বোধন করছি, যখন আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কৌশলগত বিবেচনা আমাদের সকলকে সত্য, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর দাবি রাখে।”
তিনি বলেছেন: “এই ঘৃণ্য হামলা এবং গর্বিত সৌদি জনগণের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ undermining করার মরিয়া প্রচেষ্টাগুলো কেবল ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরব, তার জনগণ এবং সেখানে অবস্থানরত উমরাহ পালনকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়; এগুলো বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিমের অনুভূতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আক্রমণও। এগুলো মহান ইসলামি বিশ্বাসের ভিত্তি যে মূল্যবোধ ও নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত—শান্তি, সহনশীলতা এবং রক্ত, সম্মান ও পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা—তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনও।”
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন: “আমরা এই অপরাধমূলক কাজগুলোর নিন্দা জানাই, যার জন্য…”
মরক্কোর রাজার এই নিন্দা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি মিলিশিয়াদের হামলার প্রেক্ষাপটে এসেছে। হামলাগুলো বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠের বক্তব্যে তিনি মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলাগুলো কেবল স্থাপনা ও বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পৃথিবীর পবিত্রতম স্থান এবং প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়ে সবচেয়ে পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টা পর্যন্ত গড়িয়েছে।
মরক্কোর রাজা তার কেবলে বলেছেন: “বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভাগ্যবন্ধনের বন্ধন এবং আমাদের ব্যক্তিগতভাবে, আমাদের দুই পরিবার ও আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে একত্রিত করা ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধনের প্রতি আনুগত্য থেকে, আমি আপনার প্রিয় দেশের সামনে এই সংকটময় মুহূর্তে আপনাদের সম্বোধন করছি, যখন আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কৌশলগত বিবেচনা আমাদের সকলকে সত্য, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর দাবি রাখে।”
তিনি বলেছেন: “এই ঘৃণ্য হামলা এবং গর্বিত সৌদি জনগণের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ undermining করার মরিয়া প্রচেষ্টাগুলো কেবল ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরব, তার জনগণ এবং সেখানে অবস্থানরত উমরাহ পালনকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়; এগুলো বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিমের অনুভূতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আক্রমণও। এগুলো মহান ইসলামি বিশ্বাসের ভিত্তি যে মূল্যবোধ ও নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত—শান্তি, সহনশীলতা এবং রক্ত, সম্মান ও পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা—তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনও।”
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন: “আমরা এই অপরাধমূলক কাজগুলোর নিন্দা জানাই, যার জন্য…”
মরক্কোর রাজার এই নিন্দা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি মিলিশিয়াদের হামলার প্রেক্ষাপটে এসেছে। হামলাগুলো বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠের বক্তব্যে তিনি মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই হামলাগুলো কেবল স্থাপনা ও বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং পৃথিবীর পবিত্রতম স্থান এবং প্রতিটি মুসলিমের হৃদয়ে সবচেয়ে পবিত্র মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টা পর্যন্ত গড়িয়েছে।
মরক্কোর রাজা তার কেবলে বলেছেন: “বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভাগ্যবন্ধনের বন্ধন এবং আমাদের ব্যক্তিগতভাবে, আমাদের দুই পরিবার ও আমাদের দুই ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে একত্রিত করা ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধনের প্রতি আনুগত্য থেকে, আমি আপনার প্রিয় দেশের সামনে এই সংকটময় মুহূর্তে আপনাদের সম্বোধন করছি, যখন আমাদের ঐতিহাসিক দায়িত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কৌশলগত বিবেচনা আমাদের সকলকে সত্য, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর দাবি রাখে।”
তিনি বলেছেন: “এই ঘৃণ্য হামলা এবং গর্বিত সৌদি জনগণের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ undermining করার মরিয়া প্রচেষ্টাগুলো কেবল ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরব, তার জনগণ এবং সেখানে অবস্থানরত উমরাহ পালনকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়; এগুলো বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিমের অনুভূতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আক্রমণও। এগুলো মহান ইসলামি বিশ্বাসের ভিত্তি যে মূল্যবোধ ও নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত—শান্তি, সহনশীলতা এবং রক্ত, সম্মান ও পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা—তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনও।”
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন: “আমরা এই অপরাধমূলক কাজগুলোর নিন্দা জানাই, যার জন্য…”
মরক্কোর রাজা কাদের কাছে কেবল পাঠিয়েছেন? মরক্কোর রাজা ষষ্ঠ মোহাম্মদ দুটি কেবল পাঠিয়েছেন—একটি খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সৌদকে এবং অন্যটি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী His Royal Highness Prince Mohammed bin Salman bin Abdulaziz Al Saud-কে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি নিজের পক্ষ থেকে এবং মরক্কোর জনগণের পক্ষ থেকে এই কেবল পাঠিয়েছেন।
হামলাগুলো কী কী লক্ষ্যবস্তু করেছে? এসপিএ অনুযায়ী, হামলাগুলো বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন, হামলাগুলো কেবল স্থাপনা ও বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার মরিয়া ও অপরাধমূলক প্রচেষ্টা পর্যন্ত গড়িয়েছে।
রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ কী বলেছেন? রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ বলেছেন, বিশ্বাস, ইতিহাস ও ভাগ্যবন্ধনের বন্ধন এবং ভ্রাতৃত্বের দৃঢ় বন্ধনের প্রতি আনুগত্য থেকে তিনি এই সংকটময় মুহূর্তে সম্বোধন করছেন, যখন ঐতিহাসিক দায়িত্ব, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও কৌশলগত বিবেচনা সকলকে সত্য, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং মুসলিম উম্মাহর পবিত্র স্থানগুলোর প্রতিরক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর দাবি রাখে।
হামলাকে কীভাবে বর্ণনা করা হয়েছে? রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ হামলাগুলোকে ঘৃণ্য ও মরিয়া প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এগুলো কেবল সৌদি আরব, তার জনগণ ও উমরাহ পালনকারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়, বরং বিশ্বের ১.৮ বিলিয়নেরও বেশি মুসলিমের অনুভূতির বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আক্রমণ। তিনি বলেছেন, এগুলো ইসলামি বিশ্বাসের মূল্যবোধ ও নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এই নিন্দার প্রেক্ষাপট কী? এসপিএ জানিয়েছে, মরক্কোর রাজার এই নিন্দা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুথি মিলিশিয়াদের বারবার হামলার প্রেক্ষাপটে এসেছে। হামলাগুলো বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনা, গুরুত্বপূর্ণ ইনস্টলেশন, শহর এবং বেসামরিক লোকদের বসবাসের এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রাজা মোহাম্মদ ষষ্ঠ মক্কা ও মদিনাকে লক্ষ্যবস্তু করার প্রচেষ্টার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।





