জাজানের পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও বিনিয়োগের লক্ষ্য অর্জনে একটি নতুন পর্যায় শুরু হয়েছে, যেখানে কৃষি ও পরিবেশগত অভিজ্ঞতার সাথে উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং অর্থনৈতিক ও পর্যটন বিনিয়োগের সমন্বয় করা হবে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৬ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাজান অঞ্চলের পার্বত্য এলাকা উন্নয়ন ও নির্মাণ কর্তৃপক্ষ (Authority for Development and Reconstruction of Mountainous Areas in Jazan Region) বিলুপ্ত করা হয়েছে। এই কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব এখন জাজান অঞ্চল উন্নয়ন কৌশলগত কার্যালয় এবং পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই যাত্রার শুরু হয়েছিল ১৩৯৬ হিজরিতে ফিফা অঞ্চল উন্নয়ন ও নির্মাণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। পরবর্তীতে ১৪২৯ হিজরিতে এর নাম পরিবর্তন করে জাজান অঞ্চলের পার্বত্য এলাকা উন্নয়ন ও নির্মাণ কর্তৃপক্ষ করা হয়, যার আওতায় ফিফা, আল-দায়ের, আল-রাইথ, হারুব, আল-আরদাহ এবং আল-আইদাবি জেলাগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।
কর্তৃপক্ষ পার্বত্য পরিবেশের উপযোগী ফসল ও জাত নিয়ে গবেষণা করেছে এবং কৃষকদের জ্ঞান ও চারা দিয়ে সহায়তা করেছে। বিশেষ করে সৌদি কফির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কফি সংস্থায় সৌদি আরবের যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া, প্রতিশ্রুতিশীল জাত আবিষ্কার এবং সৌদি ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অথরিটির কাছে তা নিবন্ধনের কাজ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষকদের ১০ লাখের বেশি কফি এবং চন্দন গাছের চারা সরবরাহ করা হয়েছে এবং রোগমুক্ত উদ্ভিদ উৎপাদনের জন্য টিস্যু কালচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে নতুন কাঠামোর নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।
Frequently Asked Questions
জাজানের পার্বত্য অঞ্চলের প্রশাসনিক পরিবর্তনটি কী? মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাজান অঞ্চলের পার্বত্য এলাকা উন্নয়ন ও নির্মাণ কর্তৃপক্ষ বিলুপ্ত করা হয়েছে। এর সমস্ত দায়িত্ব এখন জাজান অঞ্চল উন্নয়ন কৌশলগত কার্যালয় এবং পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এই কর্তৃপক্ষের আওতায় কোন কোন জেলা ছিল? ১৪২৯ হিজরিতে নাম পরিবর্তনের পর এই কর্তৃপক্ষের আওতায় ফিফা, আল-দায়ের, আল-রাইথ, হারুব, আল-আরদাহ এবং আল-আইদাবি জেলাগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
কৃষি খাতে এই কর্তৃপক্ষের প্রধান অবদানগুলো কী ছিল? কর্তৃপক্ষ ১০ লাখের বেশি কফি এবং চন্দন গাছের চারা বিতরণ করেছে। এছাড়া তারা টিস্যু কালচার প্রযুক্তি ব্যবহার করে রোগমুক্ত উদ্ভিদ উৎপাদন এবং সৌদি কফির নতুন জাত আবিষ্কার ও নিবন্ধনের কাজ করেছে।