সৌদি আরবের আল-জউফ অঞ্চলে উর্বর মাটি ও উন্নত পানির গুণগত মানের কারণে বছরে ৮৮০ টনের বেশি ডুমুর উৎপাদিত হচ্ছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, সাকাকা শহরের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ের পরিচালক ডক্টর উকাব বিন মুখাইলিফ আল-রুওয়াইলি এই তথ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, এখানে ব্রাউন তুর্কি, সুলতানি, বালদি, স্প্যানিশ হলুদ, ঘানি, আল-উবাইদ, ফ্রেঞ্চ, আসালি এবং স্প্যানিশ কালোসহ বিভিন্ন প্রজাতির ডুমুর চাষ করা হচ্ছে।
কৃষক মুসায়েদ আল-শামারি এই অঞ্চলের কৃষি সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে জানান, সঠিক জাত নির্বাচন, সেচ, সার প্রয়োগ এবং সঠিক সময়ে ফসল সংগ্রহের মাধ্যমে পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়। তিনি মনে করেন, আধুনিক কৃষি পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে স্থানীয় পণ্যের মান বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো সম্ভব।
আল-জউফ অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় কৃষি উৎপাদন স্থানীয় বাজারে দেশীয় ফলের উপস্থিতি বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে। প্রতিবেদনে মোট চাষযোগ্য জমির পরিমাণ বা নির্দিষ্ট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।
আল-জউফ অঞ্চলে কত পরিমাণ ডুমুর উৎপাদিত হয়? আল-জউফ অঞ্চলে বছরে ৮৮০ টনের বেশি ডুমুর উৎপাদিত হয়। সাকাকা শহরের পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ের পরিচালক ডক্টর উকাব বিন মুখাইলিফ আল-রুওয়াইলি এই তথ্য প্রদান করেছেন।
ডুমুরের কোন কোন জাত এখানে চাষ করা হয়? এখানে ব্রাউন তুর্কি, সুলতানি, বালদি, স্প্যানিশ হলুদ, ঘানি, আল-উবাইদ, ফ্রেঞ্চ, আসালি এবং স্প্যানিশ কালোসহ বিভিন্ন জাতের ডুমুর চাষ করা হয়। এই বৈচিত্র্য অঞ্চলের কৃষি পরীক্ষার সফলতাকে প্রতিফলিত করে।
উৎপাদনের গুণগত মান কীভাবে নিশ্চিত করা হয়? সঠিক জাত নির্বাচন, নিয়মিত সেচ, সার প্রয়োগ এবং সঠিক সময়ে ফসল সংগ্রহের মাধ্যমে গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়। কৃষক মুসায়েদ আল-শামারি আধুনিক কৃষি পদ্ধতির গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেছেন।