রিয়াদের উত্তরে মালহামে ন্যাশনাল সেন্টার অফ ফ্যালকন্স (SFC)-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বাজপাখি খামার নিলামে গেরফালকন, পিলগ্রিম, ল্যানিয়ার এবং হাইব্রিডসহ বিভিন্ন প্রজাতির বাজপাখি প্রদর্শিত হচ্ছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১৩ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, প্রতিটি প্রজাতির আকার, রঙ, অঙ্গসংস্থান এবং কর্মক্ষমতা ভিন্ন, যা বাজপাখি পালনকারীদের প্রয়োজন ও ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হয়।
অংশগ্রহণকারী একটি স্থানীয় খামারের প্রতিনিধি সামের আল-সালিমি জানান, গেরফালকন তার বিশাল আকার, দৃঢ়তা এবং সাদা থেকে ধূসর ও গাঢ় রঙের বৈচিত্র্যের জন্য পরিচিত। পিলগ্রিম তার গতি, অ্যারোডাইনামিক গঠন এবং সরু ডানার জন্য বিখ্যাত, যা তাকে উন্নত উড্ডয়ন ও ডাইভ করার ক্ষমতা দেয়। অন্যদিকে ল্যানিয়ার তার দৃঢ়তা এবং এই অঞ্চলের শিকার ও বাজপাখি পালনের ঐতিহ্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।
খামারগুলোতে বিভিন্ন প্রজাতির সংমিশ্রণে হাইব্রিড বাজপাখিও তৈরি করা হয়, যাতে গতি, আকার বা রঙের নির্দিষ্ট গুণাবলি পাওয়া যায়। বাজপাখির নির্বাচন তার বংশধারা, ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য এবং এটি দৌড় বা অন্য কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হবে কি না তার ওপর নির্ভর করে। এই নিলামে সৌদি ও আন্তর্জাতিক খামারের বিভিন্ন প্রজাতি এবং তাদের বংশবৃদ্ধি ও নির্বাচনের পদ্ধতি প্রদর্শিত হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে শেষ তারিখ উল্লেখ নেই।
নিলামে কোন প্রজাতির বাজপাখি প্রদর্শিত হচ্ছে? নিলামে গেরফালকন, পিলগ্রিম, ল্যানিয়ার এবং হাইব্রিড প্রজাতির বাজপাখি প্রদর্শিত হচ্ছে। এই প্রজাতিগুলো তাদের আকার, রঙ এবং কর্মক্ষমতার ভিন্নতার জন্য পরিচিত।
পিলগ্রিম ও গেরফালকন বাজপাখির বৈশিষ্ট্য কী? পিলগ্রিম তার গতি, অ্যারোডাইনামিক গঠন এবং সরু ডানার জন্য পরিচিত। অন্যদিকে গেরফালকন তার বিশাল আকার, দৃঢ়তা এবং সাদা থেকে গাঢ় রঙের বৈচিত্র্যের জন্য বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
হাইব্রিড বাজপাখি কীভাবে তৈরি করা হয়? খামারিরা বিভিন্ন প্রজাতির সংমিশ্রণে হাইব্রিড বাজপাখি তৈরি করেন। এর মাধ্যমে গতি, আকার, রঙ বা কর্মক্ষমতার নির্দিষ্ট গুণাবলি অর্জনের চেষ্টা করা হয়।