বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রকাশিত ২০২৬ সালের বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন ‘প্রমিস অফ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’-এ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির বৈশ্বিক ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অগ্রণী অবস্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই প্রতিবেদনে সৌদি আরবকে এআই খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি এআই প্রতিভা আকর্ষণ এবং সরকারি তথ্যের একীকরণের ক্ষেত্রে দেশটিকে একটি মডেল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ‘ভিশন কেএসএ ২০৩০’-এর অধীনে গৃহীত জাতীয় পদক্ষেপের ফল, যার লক্ষ্য ডেটা, কম্পিউটিং রিসোর্স এবং উদ্ভাবন-ভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা।
বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদনটি উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এআই-এর প্রভাব, সুযোগ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তার ওপর প্রথম সামগ্রিক মূল্যায়ন। এটি সক্ষমতা, প্রযুক্তির কেন্দ্রীকরণ এবং অবকাঠামো, ডেটা ও দক্ষতার মতো তিনটি প্রধান দিকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
প্রতিবেদনে বিদ্যমান এআই টুলস ব্যবহার থেকে শুরু করে স্থানীয় ভাষা ও প্রয়োজন অনুযায়ী সেগুলোর অভিযোজন এবং উন্নত প্রযুক্তি তৈরির একটি পর্যায়ক্রমিক পথ প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিবেদনে এআই ব্যবহারের বিস্তারিত প্রভাবের অংশটি অসম্পূর্ণ।
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে সৌদি আরবের অবস্থান কী? বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে সৌদি আরবকে এআই খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি দেশের একটি হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়া এআই প্রতিভা আকর্ষণ এবং সরকারি তথ্যের একীকরণে দেশটিকে একটি মডেল হিসেবে দেখানো হয়েছে।
এই অগ্রগতির পেছনে কোন পরিকল্পনা কাজ করছে? এই অর্জন ‘ভিশন কেএসএ ২০৩০’-এর জাতীয় পদক্ষেপের ফল। এর লক্ষ্য হলো ডেটা, কম্পিউটিং রিসোর্স এবং উদ্ভাবনের ওপর ভিত্তি করে একটি অর্থনীতি গঠন করা এবং এআই-এর ভবিষ্যৎ রূপরেখায় সৌদি আরবের অবস্থান শক্তিশালী করা।
বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদনের মূল বিষয় কী? এটি উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এআই-এর প্রভাব, সুযোগ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার প্রথম সামগ্রিক মূল্যায়ন। প্রতিবেদনটি সক্ষমতা, প্রযুক্তির কেন্দ্রীকরণ এবং অবকাঠামো, ডেটা ও দক্ষতার মতো তিনটি প্রধান দিকের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে।