মক্কায় সৌদি আরবের ইসলামি বিষয়ক, দাওয়াত ও ইরশাদ মন্ত্রণালয় এবং ফিলিপিন্স প্রজাতন্ত্রের মুসলিম বিষয়ক জাতীয় কমিশনের মধ্যে ইসলামি বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১২ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, মন্ত্রী শেখ ডক্টর আবদুললতিফ বিন আবদুল আজিজ আল শেখের প্রতিনিধি হিসেবে উপমন্ত্রী ডক্টর আওয়াদ বিন সাবতি আল-এনেজি এবং ফিলিপিনসের পক্ষ থেকে মুসলিম বিষয়ক জাতীয় কমিশনের মন্ত্রী সাবুদিন আবদুর রহিম এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই সমঝোতা স্মারকের লক্ষ্য হলো ইসলামি বিষয়ে সহযোগিতা জোরদার করা, ইসলামের উচ্চ মূল্যবোধ ও সমসাময়িক বিষয়ে এর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা এবং মুসলিমদের সাংস্কৃতিক স্তর উন্নত করার পাশাপাশি তাদের পরিচয় ও অস্তিত্ব রক্ষা করা। এটি উভয় দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ভালোবাসা, রহমত এবং সংহতির মূল্যবোধ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।
চুক্তির আওতায় বিভিন্ন ভাষায় ইসলামি গবেষণা, বই ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা বিনিময়, ফিলিপিনসে হারামাইন শরীফাইন-এর ইমামদের সফরের সমন্বয় এবং মুবাল্লিগ, খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করা হবে।
এছাড়াও উভয় দেশে আয়োজিত ইসলামি সম্মেলন ও বৈঠকে বিশেষজ্ঞ আলেম এবং মুবাল্লিগদের অংশগ্রহণের বিষয়টি এই সহযোগিতার অন্তর্ভুক্ত।
সমঝোতা স্মারকের মূল লক্ষ্য কী? এই চুক্তির লক্ষ্য ইসলামি বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি, ইসলামের উচ্চ মূল্যবোধ ও সমসাময়িক বিষয়ে এর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা এবং মুসলিমদের সাংস্কৃতিক স্তর উন্নত করা। এটি উভয় দেশের আইন অনুযায়ী ভালোবাসা ও সংহতির মূল্যবোধ শক্তিশালী করতে কাজ করবে।
চুক্তিতে কোন ধরনের শিক্ষা ও গবেষণা অন্তর্ভুক্ত আছে? চুক্তিতে বিভিন্ন ভাষায় ইসলামি গবেষণা, বই ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা বিনিময়ের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি মুবাল্লিগ, খতিব, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বৈজ্ঞানিক সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কোর্স আয়োজন করা হবে।
ইমাম ও আলেমদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? হারামাইন শরীফাইন-এর ইমামদের ফিলিপিন্স সফরের সমন্বয় করা হবে। এছাড়া উভয় দেশে আয়োজিত ইসলামি সম্মেলন ও বৈঠকে বিশেষজ্ঞ আলেম এবং মুবাল্লিগদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।