বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর আর্থিক সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্তকরণ এবং ব্যবসার স্থায়িত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে সৌদি চেম্বার ফেডারেশন এবং দেউলিয়া কমিটি ‘ইসার’ (Isar) একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, সৌদি চেম্বার ফেডারেশনের মহাসচিব প্রকৌশলী সুলতান বিন মোহাম্মদ আল-মুসলাম এবং দেউলিয়া কমিটি ‘ইসার’-এর মহাসচিব আবদুল্লাহ বিন সাদ আল-মুঘাইরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এই সমঝোতা স্মারকের উদ্দেশ্য হলো দেউলিয়া ব্যবস্থা ও এর প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণা প্রস্তুত করা, সচেতনতামূলক কর্মসূচি তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এছাড়া সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের বেসরকারি কোম্পানিগুলোর কাছে পৌঁছাতে চেম্বার অফ কমার্স নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হবে।
ইসার-এর মহাসচিব জানান, আর্লি ওয়ার্নিং ইনিশিয়েটিভ কোম্পানিগুলোকে আর্থিক সমস্যা তীব্র হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করতে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে, যা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক মূল্য ধরে রাখার সুযোগ বাড়াবে।
ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব জোরদার, ব্যবসায়িক পরিবেশের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় অর্থনীতির প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এই সমঝোতা স্মারকের মূল লক্ষ্য কী? এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো আর্লি ওয়ার্নিং ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর আর্থিক সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করার সক্ষমতা বাড়ানো এবং ব্যবসার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে দেউলিয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও গবেষণা কার্যক্রম চালানো হবে।
চুক্তিটি কারা স্বাক্ষর করেছেন? সৌদি চেম্বার ফেডারেশনের মহাসচিব প্রকৌশলী সুলতান বিন মোহাম্মদ আল-মুসলাম এবং দেউলিয়া কমিটি ‘ইসার’-এর মহাসচিব আবদুল্লাহ বিন সাদ আল-মুঘাইরা এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন।
আর্লি ওয়ার্নিং ইনিশিয়েটিভ কীভাবে কোম্পানিগুলোকে সাহায্য করবে? ইসার-এর মহাসচিবের মতে, এই উদ্যোগ কোম্পানিগুলোকে আর্থিক সমস্যা তীব্র হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করতে এবং যথাযথ পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে। এটি কোম্পানিগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখা এবং তাদের অর্থনৈতিক মূল্য ধরে রাখার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে।
এই উদ্যোগটি কোন বৃহত্তর লক্ষ্যমাত্রার অংশ? এই সমঝোতা স্মারকটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব জোরদার করা এবং জাতীয় অর্থনীতির প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও ব্যবসায়িক পরিবেশের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।