Wednesday, September 16, 2026
Uncategorized

জেদ্দায় কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর অ্যাকোয়ারিয়াম

জেদ্দায় কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবন্দর অ্যাকোয়ারিয়াম

জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি বিশাল অ্যাকোয়ারিয়াম স্থাপন করা হয়েছে, যা লোহিত সাগরের সামুদ্রিক পরিবেশের অনুপ্রেরণায় তৈরি এবং যাত্রীদের জন্য একটি অনন্য দৃশ্যপট প্রদান করে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই অ্যাকোয়ারিয়ামটি ১৪ মিটার উচ্চতা এবং ১০.২ মিটার ব্যাসের। এতে প্রায় ১০ লাখ লিটার জল ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এবং এর কাঁচের দেয়ালের পুরুত্ব ৩০০ মিলিমিটার, যা একে বিশ্বের বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে বৃহত্তম অ্যাকোয়ারিয়ামে পরিণত করেছে।

এখানে লোহিত সাগরের প্রায় ৬৫টি পরিচিত প্রজাতির প্রায় ২ হাজার সামুদ্রিক প্রাণী, বিরল মাছ এবং প্রবাল প্রাচীরের সংগ্রহ রাখা হয়েছে, যা জেদ্দা উপকূল ও লোহিত সাগরের জীববৈচিত্র্য প্রদর্শন করে।

পানির গুণমান ও স্থায়িত্ব বজায় রাখতে চারটি সঞ্চালন ট্যাঙ্ক এবং নতুন মাছের খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য তিনটি কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ২৬টি আলো দিন ও রাতের প্রাকৃতিক চক্রের অনুকরণ করে। একজন বিশেষজ্ঞ ডাইভার মাছগুলোর যত্ন ও খাদ্যের দায়িত্ব পালন করেন।

এই স্থাপনাটি স্থাপত্য, প্রকৌশল এবং জীববৈচিত্র্যের সমন্বয়ে লোহিত সাগরের সমৃদ্ধির একটি ক্ষুদ্র রূপ উপস্থাপন করে। বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রকল্পের মোট ব্যয় উল্লেখ করা হয়নি।

অ্যাকোয়ারিয়ামটির আকার ও ক্ষমতা কত? এই অ্যাকোয়ারিয়ামটি ১৪ মিটার উচ্চতা এবং ১০.২ মিটার ব্যাসের। এতে প্রায় ১০ লাখ লিটার জল ধারণ ক্ষমতা রয়েছে এবং এর কাঁচের দেয়ালের পুরুত্ব ৩০০ মিলিমিটার। এটি বিশ্বের বিমানবন্দরগুলোর মধ্যে বৃহত্তম।

এখানে কী ধরনের সামুদ্রিক প্রাণী রয়েছে? এখানে লোহিত সাগরের প্রায় ৬৫টি পরিচিত প্রজাতির প্রায় ২ হাজার সামুদ্রিক প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে বিরল মাছ এবং প্রবাল প্রাচীরের সংগ্রহ অন্তর্ভুক্ত, যা জেদ্দা উপকূলের জীববৈচিত্র্য প্রদর্শন করে।

পরিবেশ রক্ষায় কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? পানির গুণমান বজায় রাখতে চারটি সঞ্চালন ট্যাঙ্ক এবং নতুন মাছের জন্য তিনটি কোয়ারেন্টাইন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ২৬টি আলো দিয়ে দিন ও রাতের প্রাকৃতিক চক্র তৈরি করা হয়েছে।