ব্রিটেনে অনুষ্ঠিত ‘আকাদেমি অফ দ্য গালফ ফর লিডারস অ্যান্ড ইনোভেশন’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে জাসিম মোহাম্মদ আল-বদিউয়ি যুবকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করেছেন।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১০ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই অনুষ্ঠানে GCC মহাসচিব জাসিম মোহাম্মদ আল-বদিউয়ি এবং প্রিন্স তুর্কি বিন ফয়সাল বিন আবদুলআজিজ উপস্থিত ছিলেন।
আল-বদিউয়ি বলেন, GCC সদস্য দেশগুলোর রাজা ও নেতারা যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, যুবকরা সদস্য দেশগুলোর ভবিষ্যতের মূল ভিত্তি এবং উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি আরও জানান, GCC দেশগুলো যুবকদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে সচেষ্ট, যাতে তারা জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে তাদের ধারণা ও স্বপ্নকে বাস্তব প্রকল্পে রূপান্তর করতে পারে। এটি তাদের দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভবিষ্যতের নির্মাণে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে প্রস্তুত করবে।
সमारোহনের শেষে তিনি সদস্য দেশগুলোর যুবকদের সক্ষমতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, খলিজি যুবকদের পেছনে বিনিয়োগ করা মানে GCC-র ভবিষ্যতের পেছনে সরাসরি বিনিয়োগ করা।
ব্রিটেনের অনুষ্ঠানে GCC মহাসচিবের মূল বক্তব্য কী ছিল? জাসিম মোহাম্মদ আল-বদিউয়ি জানান যে, GCC সদস্য দেশগুলোর নেতারা যুবকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তিনি যুবকদের সদস্য দেশগুলোর ভবিষ্যতের মূল ভিত্তি এবং সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন।
যুবকদের জন্য GCC দেশগুলো কী পদক্ষেপ নিচ্ছে? GCC দেশগুলো যুবকদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে। এর লক্ষ্য হলো তাদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ দেওয়া এবং তাদের ধারণা ও স্বপ্নকে এমন প্রকল্পে রূপান্তর করা যা সমাজ ও দেশের সেবা করবে।
যুবকদের পেছনে বিনিয়োগের গুরুত্ব সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? মহাসচিব আল-বদিউয়ি উল্লেখ করেছেন যে, খলিজি যুবকদের সক্ষমতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুবকদের পেছনে বিনিয়োগ করা মানে সরাসরি GCC-র ভবিষ্যৎ এবং এর অগ্রগতির পথে বিনিয়োগ করা।