Sunday, September 20, 2026
সংস্কৃতি

বুরাইদা আন্তর্জাতিক খেজুর কার্নিভাল: আল-কাসিমে সৌদি আরবের অর্ধেক খেজুর উৎপাদন

বুরাইদা আন্তর্জাতিক খেজুর কার্নিভাল: আল-কাসিমে সৌদি আরবের অর্ধেক খেজুর উৎপাদন

সৌদি আরবের মোট খেজুর উৎপাদনের প্রায় ৫০ শতাংশ আল-কাসিম অঞ্চলে উৎপাদিত হয়, যা বুরাইদা আন্তর্জাতিক খেজুর কার্নিভালের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়েছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৯ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, অনুকূল প্রাকৃতিক-কৃষি পরিবেশ, সরকারি সহায়তা এবং চাষাবাদ পদ্ধতির ক্রমাগত উন্নতির ফলে এই উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

আল-কাসিম অঞ্চলে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ খেজুর গাছ রয়েছে এবং বার্ষিক উৎপাদন ৫ লাখ ৮০ হাজার টনের বেশি। এই উৎপাদন দেশটির খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করছে।

বুরাইদা আন্তর্জাতিক খেজুর কার্নিভালের মাধ্যমে উচ্চ গুণমান ও বিশেষ স্বাদের জন্য অভ্যন্তরীণ ও বহিঃবাজারে চাহিদাসম্পন্ন ‘Sukkari’ জাতের খেজুরের ৮৫ শতাংশের বেশি বিক্রি করা হয়। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, যান্ত্রিকীকরণ এবং কার্যকর সেচ ব্যবস্থার প্রয়োগ উৎপাদনশীলতা ও পণ্যের মান বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।

এই কার্নিভাল আল-কাসিমকে খেজুরের রাজধানী এবং কৃষি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট বাজেট বা ভবিষ্যৎ লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়নি।

আল-কাসিম অঞ্চলের খেজুর উৎপাদনের পরিমাণ কত? আল-কাসিম অঞ্চলে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ খেজুর গাছ রয়েছে। এখানে বার্ষিক খেজুর উৎপাদন ৫ লাখ ৮০ হাজার টনের বেশি, যা সৌদি আরবের মোট উৎপাদনের প্রায় ৫০ শতাংশ।

বুরাইদা আন্তর্জাতিক খেজুর কার্নিভালের বিশেষত্ব কী? এই কার্নিভালের মাধ্যমে উচ্চ গুণমান ও বিশেষ স্বাদের ‘Sukkari’ জাতের খেজুরের ৮৫ শতাংশের বেশি বিক্রি করা হয়। এটি আল-কাসিমকে খেজুরের রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

উৎপাদন বৃদ্ধিতে কোন পদ্ধতিগুলো ব্যবহৃত হচ্ছে? আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, যান্ত্রিকীকরণ এবং কার্যকর সেচ ব্যবস্থা ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা ও পণ্যের মান বাড়ানো হচ্ছে। এটি জল সম্পদের যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করে।