জেদ্দাহ ঐতিহাসিক এলাকার রেড সি মিউজিয়ামে ‘সানকেন ট্রেজার্স’ প্রদর্শনীর মাধ্যমে মসজিদ উসমান বিন আফানের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো প্রদর্শিত হচ্ছে, যা শহরের সভ্যতা এবং রেড সি-র প্রধান বন্দর হিসেবে জেদ্দাহর অবস্থান তুলে ধরে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ৭ আগস্ট ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই প্রদর্শনীতে ১৭শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর নিদর্শন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ওই সময়ে শহরের বাণিজ্যিক ও সভ্যতার সমৃদ্ধি নির্দেশ করে।
প্রদর্শিত নিদর্শনের মধ্যে ১৮৮০ সালের একটি তেল ল্যাম্প এবং ১৭শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর চীন থেকে আমদানিকৃত মৃৎপাত্র রয়েছে, যা পূর্ব এশিয়ার বন্দরগুলোর সাথে জেদ্দাহর বাণিজ্যিক সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ।
মসজিদ উসমান বিন আফানের ইতিহাস প্রথম হিজরি শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এটি ১৩ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সভ্যতার সাক্ষী। খলিফা উসমান বিন আফান মক্কার বন্দর আল-শুয়াইবাহ থেকে জেদ্দাহতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়ার পর এটি তীর্থযাত্রী ও ব্যবসায়ীদের প্রধান বন্দরে পরিণত হয়।
এই প্রদর্শনী রেড সি-র নৌচলাচল ও বাণিজ্যের বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক বিবরণ প্রদান করে। বিজ্ঞপ্তিতে প্রদর্শনীটির নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।
প্রদর্শনীতে কোন ধরনের নিদর্শন রয়েছে? প্রদর্শনীতে ১৭শ থেকে ১৯শ শতাব্দীর প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে। এর মধ্যে ১৮৮০ সালের একটি তেল ল্যাম্প এবং চীন থেকে আমদানিকৃত মৃৎপাত্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মসজিদ উসমান বিন আফানের গুরুত্ব কী? এই মসজিদটি প্রথম হিজরি শতাব্দীর ইতিহাসের সাথে যুক্ত এবং ১৩ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে সভ্যতার সাক্ষী। এটি জেদ্দাহর ঐতিহাসিক গুরুত্বের সাথে সম্পৃক্ত।
জেদ্দাহ কীভাবে প্রধান বন্দরে পরিণত হয়? খলিফা উসমান বিন আফান মক্কার বন্দর আল-শুয়াইবাহ থেকে জেদ্দাহতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। এরপর জেদ্দাহ রেড সি উপকূলের তীর্থযাত্রী ও ব্যবসায়ীদের প্রধান বন্দরে পরিণত হয়।