জাজান অঞ্চলের আল-দায়ের গভর্নরেটের মাউন্ট হাবেস-এ অবস্থিত পুরনো গভর্নরেট দুর্গটি দেশটির জাতি গঠনের যাত্রার সাক্ষী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই দুর্গের ছোট কক্ষগুলো থেকে একসময় স্থানীয় বিষয়াবলি পরিচালনা করা হতো এবং পাহাড়ের মধ্য দিয়ে পায়ে হেঁটে চিঠিপত্র আদান-প্রদান করা হতো।
পাথরের তৈরি এই দুর্গটি বানি মালিক এলাকার প্রথম স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত স্মৃতি সংরক্ষণ করে। এটি প্রায় ১২০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং এতে তিনটি তলা রয়েছে, যার প্রতিটিতে তিনটি করে কক্ষ আছে। এই কক্ষগুলো কাউন্সিল চেম্বার, গভর্নরের আবাসস্থল, আটক কেন্দ্র এবং রান্নাঘর হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দুর্গের অবস্থান মাউন্ট হাবেস-এ হওয়ায় দুর্গম ভূখণ্ড সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসন পরিচালনা করা সহজ ছিল।
সংস্কার প্রচেষ্টার ফলে ভবনটি তার আদি বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে আজও দাঁড়িয়ে আছে। ১৪১২ হিজরিতে প্রদেশ আইন জারির পর আল-দায়ের একটি গভর্নরেটে পরিণত হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সংস্কার কাজের নির্দিষ্ট ব্যয় বা তারিখ উল্লেখ নেই।
আল-দায়েরের পুরনো দুর্গের গঠন কেমন? পাথরের তৈরি এই দুর্গটি প্রায় ১২০ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এতে তিনটি তলা রয়েছে এবং প্রতিটি তলায় তিনটি করে কক্ষ আছে, যা কাউন্সিল চেম্বার, গভর্নরের আবাসস্থল, আটক কেন্দ্র এবং রান্নাঘর হিসেবে ব্যবহৃত হতো।
দুর্গটি কেন মাউন্ট হাবেস-এ নির্মিত হয়েছিল? মাউন্ট হাবেস-এর কেন্দ্রীয় অবস্থানের কারণে দুর্গম ভূখণ্ড সত্ত্বেও স্থানীয় প্রশাসনিক বিষয়াবলি পরিচালনা করা সহজ ছিল। আধুনিক পরিবহনের আগে ডাক বাহকরা পাহাড়ের পথ দিয়ে পায়ে হেঁটে চিঠিপত্র বহন করতেন।
দুর্গটির বর্তমান অবস্থা এবং প্রশাসনিক বিবর্তন কী? সংস্কার প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভবনটি তার আদি বৈশিষ্ট্য ধরে রেখেছে। ১৪১২ হিজরিতে প্রদেশ আইন জারির পর আল-দায়ের একটি গভর্নরেটে পরিণত হয়, যার যাত্রা শুরু হয়েছিল এই ছোট পাথরের সদর দপ্তর থেকে।