Thursday, October 15, 2026
সৌদি সংবাদ

গাজা নিয়ে যৌথ আরব-ইসলামি সামিটের মন্ত্রিপরিষদ কমিটি ইইউ প্রতিনিধির সঙ্গে কায়রোতে বৈঠক করেছে

গাজা নিয়ে যৌথ আরব-ইসলামি সামিটের মন্ত্রিপরিষদ কমিটি ইইউ প্রতিনিধির সঙ্গে কায়রোতে বৈঠক করেছে

কায়রোতে রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫-এ গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে যৌথ আরব-ইসলামি অসাধারণ সামিট কর্তৃক নিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সদস্যরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, বৈঠকে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ; কাতার রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি; ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ মুস্তাফা; জর্ডান হাশেমাইট কিংডমের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রী আয়মান সাফাদি; বাহরাইন কিংডমের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ আল-জায়ানি; আরব প্রজাতন্ত্র মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বদর আবদেলাত্তি; তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান; ইন্দোনেশিয়া প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনো; সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা শাহীন আল মারার; কায়রোতে নাইজেরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স অ্যাডেসুয়ি সামোতু; আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইত; এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিব হিসেইন ব্রাহিম তাহা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে নিম্নলিখিত বিবৃতি জারি করা হয়: আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫-এ কায়রোতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাসের সঙ্গে বৈঠক করেছে।

পক্ষগুলি দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সাম্প্রতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছে এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং সাম্প্রতিক বিমান হামলায় বিপুল সংখ্যক বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।

এই বৈঠক এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে যখন গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতির দিকে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে যুদ্ধবিরতি পুনরুদ্ধার ও বেসামরিক জীবন রক্ষার জন্য জরুরি পদক্ষেপের দাবি জোরালো হচ্ছে।

আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি মূলত যৌথ আরব-ইসলামি অসাধারণ সামিটের সিদ্ধান্তের আলোকে গঠিত হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানানো।

এই কমিটিতে সৌদি আরব, কাতার, ফিলিস্তিন, জর্ডান, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ছাড়াও আরব লীগ ও ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিবরা অন্তর্ভুক্ত।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের সঙ্গে এই বৈঠক ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আরব-ইসলামি বিশ্বের মধ্যে গাজা সংকট নিয়ে সমন্বয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বৈঠকে পক্ষগুলি গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সাম্প্রতিক বিমান হামলায় বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।

এই বিবৃতিতে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহ বাড়ানো এবং বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও এসপিএ-র প্রকাশিত অংশে সেই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সাম্প্রতিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং পক্ষগুলি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

এই ধরনের বৈঠক আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আরব ও ইসলামি দেশগুলোর সম্মিলিত কণ্ঠস্বর তুলে ধরার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এই সংলাপ গাজা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক ঐকমত্য গড়ার প্রচেষ্টার অংশ।

এসপিএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি, ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ মুস্তাফা, জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি, বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ আল-জায়ানি, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বদর আবদেলাত্তি, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনো এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা শাহীন আল মারার।

এছাড়া কায়রোতে নাইজেরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স অ্যাডেসুয়ি সামোতু, আরব লীগের মহাসচিব আহমেদ আবুল গেইত এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিব হিসেইন ব্রাহিম তাহাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকটি কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয়, যা মিসরের রাজধানী এবং আরব লীগের সদর দপ্তরের শহর।

বৈঠকের তারিখ ছিল রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সূচনা এবং সমাপ্তি নিয়ে বিস্তারিত সময়সূচি উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে পক্ষগুলোর গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।

এই বিবৃতিতে গাজায় মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

বৈঠকে আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে গাজা সংকট নিয়ে সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই ধরনের বৈঠক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গাজা সংকট সমাধানে ঐকমত্য গড়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব, কাতার, ফিলিস্তিন, জর্ডান, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত অন্যতম।

এছাড়া আরব লীগ এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিবরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকটি যৌথ আরব-ইসলামি অসাধারণ সামিট কর্তৃক নিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির কার্যক্রমের অংশ।

কমিটির লক্ষ্য গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানানো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এই বৈঠক ইউরোপ এবং আরব-ইসলামি বিশ্বের মধ্যে সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

বৈঠকে গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে পক্ষগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।

এই বিবৃতিতে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের বিস্তারিত আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকটি কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সদস্যরা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাস অংশগ্রহণ করেন।

এই বৈঠক গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের পরবর্তী পদক্ষেপ বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছেন।

এই বিবৃতিতে গাজায় মানবিক পরিস্থিতির অবনতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

বৈঠকে আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে গাজা সংকট নিয়ে সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এই ধরনের বৈঠক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গাজা সংকট সমাধানে ঐকমত্য গড়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে সৌদি আরব, কাতার, ফিলিস্তিন, জর্ডান, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত অন্যতম।

এছাড়া আরব লীগ এবং ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার মহাসচিবরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকটি যৌথ আরব-ইসলামি অসাধারণ সামিট কর্তৃক নিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটির কার্যক্রমের অংশ।

কমিটির লক্ষ্য গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানানো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এই বৈঠক ইউরোপ এবং আরব-ইসলামি বিশ্বের মধ্যে সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

বৈঠকে গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে পক্ষগুলোর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।

এই বিবৃতিতে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবাহ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের বিস্তারিত আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকটি কায়রোতে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সদস্যরা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাস অংশগ্রহণ করেন।

এই বৈঠক গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের পরবর্তী পদক্ষেপ বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

বৈঠকে কারা অংশগ্রহণ করেছিলেন? বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান বিন আবদুল্লাহ, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল থানি, ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ মুস্তাফা, জর্ডানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি, বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুললতিফ আল-জায়ানি, মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. বদর আবদেলাত্তি, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনো এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা শাহীন আল মারার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরব লীগ ও ওআইসি-র মহাসচিবরাও ছিলেন।

বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে? বৈঠকে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সাম্প্রতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং পক্ষগুলি গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং সাম্প্রতিক বিমান হামলায় বিপুল সংখ্যক বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা শত্রুতার পুনরায় শুরু এবং বেসামরিক নাগরিক ও বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।

বৈঠকটি কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হয়? বৈঠকটি কায়রোতে রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫-এ অনুষ্ঠিত হয়। কায়রো মিসরের রাজধানী এবং আরব লীগের সদর দপ্তরের শহর। বৈঠকে আরব-ইসলামি মন্ত্রিপরিষদ কমিটির সদস্যরা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাস অংশগ্রহণ করেন।

এই কমিটি কীভাবে গঠিত হয়েছিল? এই কমিটি যৌথ আরব-ইসলামি অসাধারণ সামিট কর্তৃক নিযুক্ত হয়েছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল গাজা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সমর্থন জানানো। কমিটিতে সৌদি আরব, কাতার, ফিলিস্তিন, জর্ডান, বাহরাইন, মিসর, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এই বৈঠকের তাৎপর্য কী? ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কাজা কাল্লাসের সঙ্গে এই বৈঠক ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং আরব-ইসলামি বিশ্বের মধ্যে গাজা সংকট নিয়ে সমন্বয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ধরনের বৈঠক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে গাজা সংকট সমাধানে ঐকমত্য গড়ার প্রচেষ্টার অংশ।

বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বৈঠকের সিদ্ধান্ত বা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু বলা হয়েছে যে পক্ষগুলি গাজায় যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়া এবং বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং শত্রুতার পুনরায় শুরু ও বেসামরিক নাগরিক ও স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু বানানোর নিন্দা জানিয়েছে।