সিরিয়ার হোমস গভর্নরেটে শিক্ষা ও কমিউনিটি ভবন পুনর্বাসনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেছে কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ)। প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, গতকাল এই কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ। চুক্তিটি একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থার সঙ্গে সম্পাদিত হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় হোমস গভর্নরেটে দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসিত হবে। কাজের মধ্যে রয়েছে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ, ১৭টি প্রশাসনিক অফিস এবং কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল পুনর্বাসন, সেই সঙ্গে ভবনগুলো আসবাবপত্রে সজ্জিত করা এবং সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সজ্জিত করা।
এই প্রকল্পটি সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির অংশ, যার আওতায় এখন পর্যন্ত কয়েকটি গভর্নরেটে ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের মাধ্যমে সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করা হয়, যাতে স্কুলগুলো তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে পারে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হয়।
হোমস গভর্নরেটে ঠিক কোন এলাকায় দুটি স্কুল ও কমিউনিটি স্থাপনা অবস্থিত, তা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। পুনর্বাসন কাজ কত দিনে শেষ হবে বা এর ব্যয় কত, সেই তথ্যও বিজ্ঞপ্তিতে নেই।
কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির অন্য পক্ষ একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থা, যার নাম এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রকল্পের সরাসরি সুবিধাভোগীর সংখ্যা ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষ সুবিধাভোগীর সংখ্যা ১২,৫০০ জন। এই সংখ্যাগুলো এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুনর্বাসনের কাজে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ ও ১৭টি প্রশাসনিক অফিস ছাড়াও কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল অন্তর্ভুক্ত। ভবনগুলো আসবাবপত্র দিয়ে সজ্জিত করা হবে এবং সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা দিয়ে সজ্জিত করা হবে।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত কয়েকটি গভর্নরেটে ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে। এই সংখ্যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের এই উদ্যোগ সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ। এর উদ্দেশ্য হলো স্কুলগুলোকে তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে সক্ষম করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে প্রকল্পের মোট ব্যয়, কাজের সময়সীমা বা সমাজ সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়নি। হোমস গভর্নরেটে পুনর্বাসিত হবে এমন দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনার নির্দিষ্ট অবস্থানও প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
সৌদি আরবের এই মানবিক প্রচেষ্টা কেএসরিলিফের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা সিরিয়ার শিক্ষা খাতে সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।
প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সিরিয়ার হোমস গভর্নরেটে এই পুনর্বাসন কাজ শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
কেএসরিলিফ ও বেসামরিক সমাজ সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচি সিরিয়ার শিক্ষা খাতে সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার একটি অংশ।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে এই প্রকল্পের আওতায় পুনর্বাসিত ভবনগুলোর নির্মাণসামগ্রী, শ্রমিক সংখ্যা বা ঠিকাদার সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে, যা কয়েকটি গভর্নরেটে ছড়িয়ে আছে।
হোমস গভর্নরেটে দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসনের এই প্রকল্প সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন, যা গতকাল সম্পন্ন হয়।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ, ১৭টি প্রশাসনিক অফিস এবং কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল পুনর্বাসিত হবে।
ভবনগুলো আসবাবপত্র ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সজ্জিত করা হবে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি স্বাক্ষরিত হয়।
স্কুলগুলো তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে পারবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে প্রকল্পের ব্যয়, সময়সীমা বা সমাজ সংস্থার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
হোমস গভর্নরেটে পুনর্বাসিত হবে এমন দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনার নির্দিষ্ট অবস্থানও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
কেএসরিলিফের এই উদ্যোগ সিরিয়ার শিক্ষা খাতে সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার একটি অংশ, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে।
এই সংখ্যা কয়েকটি গভর্নরেটে ছড়িয়ে আছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্য পক্ষ একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থা, যার নাম এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
হোমস গভর্নরেটে দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসনের এই প্রকল্প সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ, ১৭টি প্রশাসনিক অফিস এবং কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল পুনর্বাসিত হবে।
ভবনগুলো আসবাবপত্র ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সজ্জিত করা হবে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি স্বাক্ষরিত হয়।
স্কুলগুলো তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে পারবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে প্রকল্পের ব্যয়, সময়সীমা বা সমাজ সংস্থার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
হোমস গভর্নরেটে পুনর্বাসিত হবে এমন দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনার নির্দিষ্ট অবস্থানও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
কেএসরিলিফের এই উদ্যোগ সিরিয়ার শিক্ষা খাতে সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার একটি অংশ, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে।
এই সংখ্যা কয়েকটি গভর্নরেটে ছড়িয়ে আছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্য পক্ষ একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থা, যার নাম এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
হোমস গভর্নরেটে দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসনের এই প্রকল্প সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ, ১৭টি প্রশাসনিক অফিস এবং কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল পুনর্বাসিত হবে।
ভবনগুলো আসবাবপত্র ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সজ্জিত করা হবে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি স্বাক্ষরিত হয়।
স্কুলগুলো তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে পারবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে প্রকল্পের ব্যয়, সময়সীমা বা সমাজ সংস্থার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
হোমস গভর্নরেটে পুনর্বাসিত হবে এমন দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনার নির্দিষ্ট অবস্থানও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
কেএসরিলিফের এই উদ্যোগ সিরিয়ার শিক্ষা খাতে সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার একটি অংশ, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে।
এই সংখ্যা কয়েকটি গভর্নরেটে ছড়িয়ে আছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্য পক্ষ একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থা, যার নাম এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
হোমস গভর্নরেটে দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসনের এই প্রকল্প সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ, ১৭টি প্রশাসনিক অফিস এবং কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল পুনর্বাসিত হবে।
ভবনগুলো আসবাবপত্র ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সজ্জিত করা হবে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি স্বাক্ষরিত হয়।
স্কুলগুলো তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে পারবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে প্রকল্পের ব্যয়, সময়সীমা বা সমাজ সংস্থার পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই।
হোমস গভর্নরেটে পুনর্বাসিত হবে এমন দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনার নির্দিষ্ট অবস্থানও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
কেএসরিলিফের এই উদ্যোগ সিরিয়ার শিক্ষা খাতে সৌদি আরবের অব্যাহত সহায়তার একটি অংশ, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে।
এই সংখ্যা কয়েকটি গভর্নরেটে ছড়িয়ে আছে, যা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির অন্য পক্ষ একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থা, যার নাম এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
কেএসরিলিফ সিরিয়ার হোমসে কী ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে? কেএসরিলিফ সিরিয়ার হোমস গভর্নরেটে শিক্ষা ও কমিউনিটি ভবন পুনর্বাসনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। কর্মসূচির আওতায় দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসিত হবে। কাজের মধ্যে রয়েছে ৫৩টি শ্রেণিকক্ষ, ১৭টি প্রশাসনিক অফিস এবং কয়েকটি ল্যাবরেটরি ও হল পুনর্বাসন। ভবনগুলো আসবাবপত্রে সজ্জিত করা হবে এবং সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সজ্জিত করা হবে। প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে কে স্বাক্ষর করেছেন? কেএসরিলিফের সহকারী মহাপরিদর্শক (অপারেশনস অ্যান্ড প্রোগ্রামস) প্রকৌশলী আহমেদ বিন আলী আল-বাইজ এই যৌথ নির্বাহী কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিটি একটি বেসামরিক সমাজ সংস্থার সঙ্গে সম্পাদিত হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, গতকাল এই কর্মসূচিতে স্বাক্ষর করা হয়। সমাজ সংস্থার নাম এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত কী করা হয়েছে? সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত কয়েকটি গভর্নরেটে ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পটি সেই কর্মসূচির অংশ। কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো স্কুলগুলোকে তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে সক্ষম করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এই প্রকল্পের সুবিধাভোগীর সংখ্যা কত? প্রকল্পটি সরাসরি ২,৭১৫ জন এবং পরোক্ষভাবে ১২,৫০০ জন উপকৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সংখ্যাগুলো সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ’র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হোমস গভর্নরেটে দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনা পুনর্বাসনের মাধ্যমে এই সুবিধা প্রদান করা হবে।
এই প্রকল্পের পটভূমি কী? এই প্রকল্পটি সিরিয়ার বিভিন্ন গভর্নরেটে শিক্ষা খাতকে সহায়তা করার লক্ষ্যে সৌদি আরবের মানবিক ও ত্রাণ প্রচেষ্টার অংশ। কেএসরিলিফের মাধ্যমে এই প্রচেষ্টা পরিচালিত হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো স্কুলগুলোকে তাদের শিক্ষা ও সামাজিক ভূমিকা পুনরায় শুরু করতে সক্ষম করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। সিরিয়ায় শিক্ষা স্থাপনা পুনরুদ্ধার কর্মসূচির আওতায় এখন পর্যন্ত ৬২টি স্কুল পুনর্বাসন, নির্মাণ ও সজ্জিত করা হয়েছে।
এসপিএ’র প্রতিবেদনে কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ’র প্রতিবেদনে প্রকল্পের মোট ব্যয়, কাজের সময়সীমা বা সমাজ সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়নি। হোমস গভর্নরেটে পুনর্বাসিত হবে এমন দুটি স্কুল ও একটি কমিউনিটি স্থাপনার নির্দিষ্ট অবস্থানও প্রতিবেদনে বলা হয়নি। পুনর্বাসন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদার বা শ্রমিক সংখ্যা সম্পর্কেও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।