Sunday, October 18, 2026
অর্থনীতি

বিশ্ব খাদ্য দিবসে জাজান অঞ্চলের ফসল বৈচিত্র্য জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করছে

বিশ্ব খাদ্য দিবসে জাজান অঞ্চলের ফসল বৈচিত্র্য জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করছে

জাজান অঞ্চলের প্রায় এক মিলিয়ন ফলবান আমগাছ থেকে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার টন আম উৎপাদিত হয়, আর সোরগামের ক্ষেত ছড়িয়ে আছে ৬০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে, যেখানে বছরে ৫৫ হাজার টনের বেশি লাল ও সাদা জাতের সোরগাম harvested হয়। এই সংখ্যাগুলোই দেখায় কেন উপকূলীয় সমতলভূমি ও পাহাড়ি সোপানজুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চলটি রাজ্যের অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থার একটি মূল স্তম্ভ হিসেবে টিকে আছে।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এ বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে জাজান অঞ্চলের কৃষি সূচকগুলো জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সক্ষমতা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বাণিজ্যিক সুযোগ সম্প্রসারণে অঞ্চলটির অবদান তুলে ধরেছে। বিশ্বজুড়ে এই দিবসটি প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর পালিত হয়।

পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাজান শাখার তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে আম উৎপাদনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। প্রায় এক মিলিয়ন ফলবান আমগাছ থেকে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার টন আম পাওয়া যায়, যা মৌসুমি বাণিজ্য, বাছাই, কোল্ড-চেইন পরিবহন, প্যাকেজিং ও জুস উৎপাদনকে সক্রিয় রাখে। এই ধারাবাহিকতাই কি অঞ্চলটির কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে আরও বিস্তৃত করার পথ খুলে দিচ্ছে না?

একই তথ্যে বলা হয়েছে, জাজানে প্রায় ৮০০ হাজার পেঁপে গাছ রয়েছে, যেগুলো বছরে ৪০ হাজার টনের বেশি পেঁপে উৎপাদন করে। পাশাপাশি এক মিলিয়নেরও বেশি কলাগাছ থেকে বছরে প্রায় ১৫ হাজার টন কলা পাওয়া যায়। ডুমুর চাষ ছড়িয়ে আছে ৩৪৬টি খামারে, যেখানে ৪৮০ হাজারেরও বেশি গাছ থেকে বছরে আনুমানিক ৯ হাজার ৬০০ টন ডুমুর উৎপাদিত হয়। এছাড়া ৬ হাজার পেয়ারা গাছ থেকে ৬০ টন এবং ১১০টি খামারে ৪ হাজার ২০০টিরও বেশি কাস্টার্ড আপেল গাছ থেকে ৪২ টনের বেশি ফল পাওয়া যায়।

মাঠ ফসল ও অর্থকরী ফসল জাজানের কৃষি অর্থনীতির আরেকটি বড় স্তম্ভ। ৬০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে সোরগামের চাষ হয়, যেখানে বছরে ৫৫ হাজার টনের বেশি লাল ও সাদা জাতের সোরগাম harvested হয়। এই শস্য স্থানীয় ভোগ ও পশুখাদ্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তাহলে কি এই ঐতিহ্যবাহী শস্যটি অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তার নীরব ভরসা হিসেবে রয়ে গেছে?

তিল চাষের বিস্তার ৬ হাজার ৪০০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে, যেখান থেকে বছরে ৬ হাজার ৪২২ টনেরও বেশি তিলের বীজ উৎপাদিত হয়। এই বীজ সরাসরি রান্নায় এবং ঐতিহ্যবাহী তিলের তেল extraction-এ ব্যবহৃত হয়।

সবজি উৎপাদন—যার মধ্যে টমেটো, শসা, বেগুন, জুকিনি, ঢেঁড়স, মরিচ ও পাতাজাতীয় সবুজ শাক রয়েছে—একাধিক রোপণ চক্রে সক্রিয় থাকে। আধুনিক গ্রিনহাউস চাষ, উন্নত ড্রিপ সেচ এবং ফসল তোলোত্তর ব্যবস্থাপনা এই উৎপাদনকে সহায়তা করছে। এই প্রযুক্তিগত সমন্বয় কি জাজানকে সারা বছর সবজি সরবরাহে সক্ষম করে তুলছে না?

জাজানের স্বতন্ত্র কৃষি-জলবায়ু পরিস্থিতি এখানে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ফল, দানাশস্য, তেলবীজ ও সবজির বিশাল সমাহার সম্ভব করে তুলেছে। উপকূলীয় সমতলভূমি ও পাহাড়ি সোপান—দুই ধরনের ভূপ্রকৃতিই এই বৈচিত্র্যে ভূমিকা রাখছে। এই ভৌগোলিক বৈচিত্র্যই কি অঞ্চলটিকে একই সঙ্গে একাধিক ফসল ব্যবস্থাপনার সুবিধা দিচ্ছে?

আম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত মৌসুমি বাণিজ্য, বাছাই, কোল্ড-চেইন পরিবহন, প্যাকেজিং ও জুস উৎপাদন স্থানীয় অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করছে। পেঁপে, কলা, ডুমুর, পেয়ারা ও কাস্টার্ড আপেলের মতো ফলগুলোও স্থানীয় বাজারে সরবরাহ ও প্রক্রিয়াকরণ শৃঙ্খলে যুক্ত। এই ফল-কেন্দ্রিক শৃঙ্খলগুলো কি ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে?

সোরগাম ও তিলের মতো মাঠ ফসল স্থানীয় ভোগ ও পশুখাদ্যের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে যুক্ত। সোরগামের লাল ও সাদা জাত দুটিই চাষ হয়, আর তিল থেকে সরাসরি রান্নার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী তেল extraction হয়। এসব ফসল কি গ্রামীণ অর্থনীতির স্থিতিশীলতার একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে?

সবজি উৎপাদনে একাধিক রোপণ চক্র সক্রিয় থাকার অর্থ হলো বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ফসল তোলা হয়। গ্রিনহাউস চাষ, ড্রিপ সেচ ও ফসল তোলোত্তর ব্যবস্থাপনা এই বহুমুখী উৎপাদনকে সমর্থন করে। এই ধারাবাহিকতা কি সরবরাহ শৃঙ্খলের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক?

পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাজান শাখার তথ্যই এই চিত্র তুলে ধরেছে। তথ্যে আম, পেঁপে, কলা, ডুমুর, পেয়ারা, কাস্টার্ড আপেল, সোরগাম, তিল ও সবজির উৎপাদন সংখ্যা আলাদা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিস্তারিত হিসাব কি নীতি নির্ধারণ ও বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে?

জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সক্ষমতা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বাণিজ্যিক সুযোগ সম্প্রসারণ—এই তিনটি দিকই এসপিএর প্রতিবেদনে জাজানের অবদানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। অঞ্চলটির কৃষি সূচকগুলো এই তিন ক্ষেত্রেই ভূমিকা রাখছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাহলে কি জাজানকে জাতীয় খাদ্য ব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় উপাদান হিসেবে দেখা উচিত?

বিশ্ব খাদ্য দিবস প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর পালিত হয়। এ বছরও ১৬ অক্টোবর তারিখেই দিবসটি পালিত হচ্ছে এবং সেই প্রেক্ষাপটেই জাজানের কৃষি চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এই তারিখটি কি খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা তীব্র করার সুযোগ করে দেয়?

এসপিএর প্রতিবেদনে উল্লেখিত তথ্যে আম, পেঁপে, কলা, ডুমুর, পেয়ারা, কাস্টার্ড আপেল, সোরগাম, তিল ও সবজির উৎপাদন ও চাষ এলাকার পরিমাণ রয়েছে। তবে প্রতিবেদনে ফসলের মূল্য, রপ্তানির পরিমাণ, সেচের পানির ব্যবহারের হার বা আগামী মৌসুমের পূর্বাভাস সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এসব বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া গেলে অঞ্চলটির কৃষি অর্থনীতির পূর্ণ চিত্র আরও স্পষ্ট হতো না?

জাজানে আম উৎপাদনের পরিমাণ কত? পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাজান শাখার তথ্য অনুযায়ী, অঞ্চলটিতে প্রায় এক মিলিয়ন ফলবান আমগাছ রয়েছে, যেগুলো থেকে বছরে প্রায় ৬৫ হাজার টন আম উৎপাদিত হয়। এই উৎপাদন মৌসুমি বাণিজ্য, বাছাই, কোল্ড-চেইন পরিবহন, প্যাকেজিং ও জুস উৎপাদনকে সক্রিয় রাখে। এসপিএর প্রতিবেদনে আমের মূল্য বা রপ্তানি সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

জাজানে কোন কোন ফল চাষ হয়? তথ্য অনুযায়ী জাজানে প্রায় ৮০০ হাজার পেঁপে গাছ থেকে বছরে ৪০ হাজার টনের বেশি পেঁপে এবং এক মিলিয়নেরও বেশি কলাগাছ থেকে প্রায় ১৫ হাজার টন কলা উৎপাদিত হয়। এছাড়া ৩৪৬টি খামারে ৪৮০ হাজারেরও বেশি ডুমুর গাছ থেকে বছরে আনুমানিক ৯ হাজার ৬০০ টন ডুমুর, ৬ হাজার পেয়ারা গাছ থেকে ৬০ টন এবং ১১০টি খামারে ৪ হাজার ২০০টিরও বেশি কাস্টার্ড আপেল গাছ থেকে ৪২ টনের বেশি ফল পাওয়া যায়।

সোরগাম ও তিল চাষের পরিমাণ কত? জাজানে সোরগামের ক্ষেত ছড়িয়ে আছে ৬০ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে, যেখানে বছরে ৫৫ হাজার টনের বেশি লাল ও সাদা জাতের সোরগাম harvested হয়। এই শস্য স্থানীয় ভোগ ও পশুখাদ্যের মূল ভিত্তি। অন্যদিকে তিল চাষ হয় ৬ হাজার ৪০০ হেক্টরেরও বেশি জমিতে, যেখান থেকে বছরে ৬ হাজার ৪২২ টনেরও বেশি তিলের বীজ উৎপাদিত হয়, যা সরাসরি রান্না ও ঐতিহ্যবাহী তেল extraction-এ ব্যবহৃত হয়।

সবজি উৎপাদনে কী কী প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? তথ্য অনুযায়ী জাজানে টমেটো, শসা, বেগুন, জুকিনি, ঢেঁড়স, মরিচ ও পাতাজাতীয় সবুজ শাকসহ বিভিন্ন সবজি একাধিক রোপণ চক্রে উৎপাদিত হয়। এই উৎপাদনকে সহায়তা করে আধুনিক গ্রিনহাউস চাষ, উন্নত ড্রিপ সেচ এবং ফসল তোলোত্তর ব্যবস্থাপনা। এসপিএর প্রতিবেদনে সেচের পানির ব্যবহারের হার বা নির্দিষ্ট কোনো প্রযুক্তির বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

বিশ্ব খাদ্য দিবস কবে পালিত হয়? বিশ্ব খাদ্য দিবস প্রতি বছর ১৬ অক্টোবর পালিত হয়। এসপিএ জানিয়েছে, ১৬ অক্টোবর ২০২৬-এ এই দিবস উপলক্ষে জাজান অঞ্চলের কৃষি সূচকগুলো জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা, সরবরাহ শৃঙ্খলের সক্ষমতা এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও বাণিজ্যিক সুযোগ সম্প্রসারণে অঞ্চলটির অবদান তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে দিবসটি পালনের স্থানীয় অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির বিবরণ দেওয়া হয়নি।

জাজানের কৃষি অর্থনীতিতে কী ধরনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে? আম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত মৌসুমি বাণিজ্য, বাছাই, কোল্ড-চেইন পরিবহন, প্যাকেজিং ও জুস উৎপাদন স্থানীয় অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান ও বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি করছে। পেঁপে, কলা, ডুমুর, পেয়ারা ও কাস্টার্ড আপেলের মতো ফলগুলোও স্থানীয় বাজারে সরবরাহ ও প্রক্রিয়াকরণ শৃঙ্খলে যুক্ত। এসপিএর প্রতিবেদনে এসব সুযোগের আর্থিক পরিমাণ বা রপ্তানি সম্ভাবনার কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।