রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে সৌদি কৃষি প্রদর্শনী ২০২৬, যার প্রতিপাদ্য «An Integrated Agricultural System for a Sustainable Future»।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলি এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত এসপিএ প্রতিবেদন অনুযায়ী এটি প্রদর্শনীর ৪৩তম আসর।
প্রদর্শনীতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিস্তৃত অংশগ্রহণকারীরা একত্র হয়েছেন — সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাতের কোম্পানি, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী, বিনিয়োগকারী ও শিল্পপেশাজীবীরা। উদ্দেশ্য একটিই: সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি খাতের অবদান জোরদার করা। প্রশ্ন করা যায়, চার দশকের বেশি সময় ধরে এই প্রদর্শনী টিকে থাকার আসল কারণ কী?
রিয়াদ এক্সিবিশনস কোম্পানির চেয়ারম্যান প্রিন্স সৌদ বিন তুরকি বিন ফয়সাল বিন আবদুলআজিজ বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রদর্শনীর ধারাবাহিক সাফল্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা একত্র করার, অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার এবং কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে উদ্ভাবন এগিয়ে নেওয়ার একটি শীর্ষস্থানীয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর আন্তর্জাতিক অবস্থান প্রতিফলিত করে। তিনি উল্লেখ করেন, এবারের আসরে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা উন্নত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সমর্থনের লক্ষ্যে সর্বাধুনিক সমাধান ও প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রচেষ্টা পরিবেশগত ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাতটির সক্ষমতাও বাড়ায়, একই সঙ্গে এর উন্নয়ন ও টেকসইতা এগিয়ে নেয়। তাহলে জলবায়ু চাপের মুখে কৃষিতে প্রযুক্তির ভূমিকা কতটা বদলে দিতে পারে ভবিষ্যৎ?
মন্ত্রী প্রদর্শনীর প্যাভিলিয়নগুলো পরিদর্শন করেন। এসব প্যাভিলিয়নে কৃষি ও জৈব খাদ্য, পোল্ট্রি, গবাদি পশু, মিল, পশুখাদ্য ও পশু স্বাস্থ্য, সেই সঙ্গে অ্যাকুয়াকালচার, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা এবং ভেটেরিনারি সেবার মতো একাধিক খাত অন্তর্ভুক্ত। এত বিস্তৃত পরিসর এক ছাদের নিচে এলে ছোট উদ্যোক্তারা কীভাবে উপকৃত হন?
প্রদর্শনীতে সরকারি ও আধা-সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক কৃষি কোম্পানিগুলোর মধ্যে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এসব চুক্তির লক্ষ্য খাদ্য ও কৃষি খাতকে সহায়তা করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উদ্দীপিত করা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহ দেওয়া। প্রশ্ন উঠতে পারে, স্বাক্ষরিত সমঝোতাগুলো মাঠপর্যায়ে কত দ্রুত বাস্তবে রূপ নেবে?
এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীর সমান্তরালে আরও একটি আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে এসপিএ প্রতিবেদনের যে অংশ পাওয়া গেছে, সেখানে সেই সমান্তরাল আয়োজনের বিস্তারিত বিবরণ নেই। প্রতিবেদনে চুক্তির সংখ্যা, আর্থিক মূল্য বা অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়নি।
প্রদর্শনীটি ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চার দিন ধরে চলবে। ৪৩তম এই আসর আয়োজনের পেছনে রিয়াদ এক্সিবিশনস কোম্পানি রয়েছে, যার চেয়ারম্যান প্রিন্স সৌদ বিন তুরকি বিন ফয়সাল বিন আবদুলআজিজ। চার দশকের বেশি সময় ধরে এই প্রদর্শনী আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে — স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা, অংশীদারিত্ব ও উদ্ভাবনের মিলনস্থল হিসেবে। এই ধারাবাহিকতা কি সৌদি কৃষি খাতের কাঠামোগত রূপান্তরেরই সংকেত?
খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীর অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সরকারি সংস্থা, বেসরকারি কোম্পানি, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী, বিনিয়োগকারী ও শিল্পপেশাজীবীরা রয়েছেন। এই বহুমুখী উপস্থিতি কৃষি খাতে বিনিয়োগ ও নীতি নির্ধারণের মধ্যে সেতু তৈরি করতে পারে কি?
প্রদর্শনীর খাত-বিন্যাস লক্ষণীয়। কৃষি ও জৈব খাদ্য থেকে শুরু করে পোল্ট্রি, গবাদি পশু, মিল, পশুখাদ্য, পশু স্বাস্থ্য, অ্যাকুয়াকালচার, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা এবং ভেটেরিনারি সেবা — প্রতিটি ক্ষেত্র আলাদা প্যাভিলিয়নে উপস্থাপিত। উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা উন্নত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সমর্থন — এই তিন লক্ষ্য ঘিরে প্রদর্শনীর প্রযুক্তি ও সমাধান সাজানো হয়েছে। সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা বলতে এখানে পানি ও শক্তির মতো সীমিত সম্পদের কথা বোঝায়, যা সৌদি কৃষির জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। প্রশ্ন হলো, সীমিত সম্পদ নিয়ে টেকসই উৎপাদন কতটা সম্ভব?
প্রিন্স সৌদ বিন তুরকি বিন ফয়সাল বিন আবদুলআজিজের বক্তব্যে আরেকটি দিক উঠে এসেছে — পরিবেশগত ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় খাতটির সক্ষমতা বাড়ানো। অর্থাৎ প্রদর্শনীর আলোচনা কেবল উৎপাদন বৃদ্ধিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং উন্নয়ন ও টেকসইতার ভারসাম্যও এতে রয়েছে। এই ভারসাম্য কি বাস্তবে অর্জনযোগ্য?
চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রদর্শনীর একটি বাস্তব ফলাফল হিসেবে এসপিএ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সরকারি ও আধা-সরকারি সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক কৃষি কোম্পানিগুলোর মধ্যে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উদ্দেশ্য তিনটি: খাদ্য ও কৃষি খাতে সহায়তা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উদ্দীপনা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহ। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর সম্পৃক্ততা স্থানীয় খাতে প্রযুক্তি হস্তান্তরের পথ খুলে দিতে পারে কি?
প্রদর্শনীর সময়সীমা চার দিন — ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে অংশগ্রহণকারীরা প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন, চুক্তি স্বাক্ষর ও সমান্তরাল আয়োজনে অংশ নিচ্ছেন। মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলির উদ্বোধনী পরিদর্শন প্রদর্শনীর গুরুত্বকে আরও স্পষ্ট করে। চার দিনের এই আয়োজন কি সারা বছরের কৃষি নীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে?
এসপিএ প্রতিবেদনে প্রদর্শনীর সমান্তরালে আরেকটি আয়োজনের কথা উল্লেখ আছে, তবে সেই আয়োজনের নাম বা বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে চুক্তির সংখ্যা, আর্থিক পরিমাণ, অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বা কোম্পানির সংখ্যা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নেই। ফলে প্রদর্শনীর প্রকৃত আকার-পরিধি সম্পর্কে সম্পূর্ণ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। এই তথ্যগুলো পরে প্রকাশিত হলে প্রদর্শনীর প্রভাব মূল্যায়ন সহজ হবে কি?
প্রদর্শনীর প্রতিপাদ্য «An Integrated Agricultural System for a Sustainable Future» — একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যা টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে কাজ করে। এই প্রতিপাদ্য সৌদি ভিশন ২০৩০-এর খাদ্য নিরাপত্তা লক্ষ্যের সঙ্গে সরাসরি সংগতিপূর্ণ। সমন্বিত ব্যবস্থা বলতে এখানে উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সরবরাহ ও প্রযুক্তির সমন্বয় বোঝায়। প্রশ্ন করা যায়, এই সমন্বয় কতটা কার্যকরভাবে মাঠপর্যায়ে পৌঁছাবে?
রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজিত এই প্রদর্শনী চার দশকের বেশি সময়ের ঐতিহ্য বহন করছে। ৪৩তম আসর হিসেবে এটি আগের আসরগুলোর ধারাবাহিকতায় দাঁড়িয়ে আছে। প্রিন্স সৌদ বিন তুরকি বিন ফয়সাল বিন আবদুলআজিজের মতে, এই ধারাবাহিক সাফল্যই প্রদর্শনীর আন্তর্জাতিক মর্যাদার প্রমাণ। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা একত্র করা, অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে উদ্ভাবন এগিয়ে নেওয়া — এই তিনটি কাজ প্রদর্শনী করে আসছে। এই ভূমিকা কি আগামী দশকেও অপরিবর্তিত থাকবে?
সৌদি কৃষি খাতের সামনে চ্যালেঞ্জ কম নয় — পানি scarcity, জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য আমদানির ওপর নির্ভরতা। প্রদর্শনীতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব প্রচেষ্টা খাতটির পরিবেশগত ও জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সক্ষমতাও বাড়ায়। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন কি এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় যথেষ্ট?
প্রদর্শনীতে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা এবং ভেটেরিনারি সেবার মতো খাতও অন্তর্ভুক্ত। এর মানে কৃষি খাতকে কেবল উৎপাদন হিসেবে নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে। খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং খাতের উপস্থিতি সরবরাহ শৃঙ্খলের গুরুত্বও তুলে ধরে। এই পূর্ণাঙ্গ দৃষ্টিভঙ্গি কি সৌদি কৃষিকে আত্মনির্ভরতার দিকে নিতে পারবে?
এসপিএ প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রদর্শনী ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে চলবে। মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলি উদ্বোধন করেছেন এবং প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেছেন। আয়োজক রিয়াদ এক্সিবিশনস কোম্পানি। প্রতিপাদ্য «An Integrated Agricultural System for a Sustainable Future»। এই তথ্যগুলোই প্রতিবেদনে নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়।
প্রদর্শনীর সমান্তরাল আয়োজন, চুক্তির সংখ্যা, আর্থিক মূল্য, অংশগ্রহণকারী দেশ ও কোম্পানির সংখ্যা — এসব বিষয়ে এসপিএ প্রতিবেদন নীরব। ফলে প্রদর্শনীর সামগ্রিক প্রভাব সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন এখনই সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে এসব তথ্য প্রকাশিত হলে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি খাতে এর প্রকৃত অবদান স্পষ্ট হবে।
সৌদি কৃষি প্রদর্শনী ২০২৬ কোথায় ও কতদিন চলবে? প্রদর্শনীটি রিয়াদ আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে ১৯ থেকে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এটি প্রদর্শনীর ৪৩তম আসর। প্রতিপাদ্য «An Integrated Agricultural System for a Sustainable Future»। পরিবেশ, পানি ও কৃষি মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলি ১৯ অক্টোবরে এটি উদ্বোধন করেন।
প্রদর্শনীতে কোন কোন খাতের প্যাভিলিয়ন রয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, প্যাভিলিয়নগুলোতে কৃষি ও জৈব খাদ্য, পোল্ট্রি, গবাদি পশু, মিল, পশুখাদ্য ও পশু স্বাস্থ্য, অ্যাকুয়াকালচার, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও প্যাকেজিং, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা এবং ভেটেরিনারি সেবা অন্তর্ভুক্ত। মন্ত্রী আবদুররহমান আলফাদলি এসব প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন।
প্রদর্শনীর লক্ষ্য কী এবং সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে এর সম্পর্ক কী? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীর লক্ষ্য সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষি খাতের অবদান জোরদার করা। এতে সরকারি সংস্থা, বেসরকারি কোম্পানি, সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী, বিনিয়োগকারী ও শিল্পপেশাজীবীরা অংশ নিচ্ছেন। উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা উন্নত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা সমর্থনও এর উদ্দেশ্য।
প্রদর্শনীতে কী ধরনের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে সরকারি ও আধা-সরকারি সংস্থা, বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক কৃষি কোম্পানিগুলোর মধ্যে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এসবের লক্ষ্য খাদ্য ও কৃষি খাতে সহায়তা করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি উদ্দীপিত করা এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহ দেওয়া। চুক্তির সংখ্যা বা আর্থিক মূল্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
রিয়াদ এক্সিবিশনস কোম্পানির চেয়ারম্যান কী বলেছেন? রিয়াদ এক্সিবিশনস কোম্পানির চেয়ারম্যান প্রিন্স সৌদ বিন তুরকি বিন ফয়সাল বিন আবদুলআজিজ বলেন, চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রদর্শনীর সাফল্য স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক দক্ষতা একত্র করার এবং কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে উদ্ভাবন এগিয়ে নেওয়ার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এর আন্তর্জাতিক অবস্থান প্রতিফলিত করে। তিনি জানান, এবারের আসরে উৎপাদনশীলতা ও সম্পদ ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানোর প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রদর্শনীর সমান্তরালে আর কী আয়োজন হচ্ছে? এসপিএ প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে যে প্রদর্শনীর সমান্তরালে আরও একটি আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে প্রতিবেদনের যে অংশ পাওয়া গেছে, সেখানে সেই আয়োজনের নাম বা বিস্তারিত বিবরণ নেই। একইভাবে অংশগ্রহণকারী দেশ ও কোম্পানির সংখ্যা, চুক্তির সংখ্যা বা আর্থিক মূল্যও উল্লেখ করা হয়নি।