আল কাদিসিয়া, আল রিমাল ও আল মুনসিয়া—রিয়াদের তিনটি আবাসিক এলাকায় নির্মাণাধীন তিনটি বড় পার্কের কাজ ৮৫ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। পার্কগুলোর ভেতরে থাকছে খেলার মাঠ, ফিটনেস এলাকা, পানির খেলার সুবিধা এবং সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের পথ। সব মিলিয়ে এসব পার্কে ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম রোপণ করা হচ্ছে, সঙ্গে থাকছে ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদও।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই প্রকল্পগুলো গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির অংশ, যা রয়্যাল কমিশন ফর রিয়াদ সিটি তত্ত্বাবধান করছে।
প্রতিটি পার্কের নকশায় খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য আলাদা জায়গা রাখা হয়েছে। ফিটনেস এলাকা, খেলার মাঠ, পানির খেলার সুবিধা এবং সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের পথ—এই চার ধরনের সুবিধা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। রিয়াদের আবাসিক এলাকার ভেতরে এত ধরনের সুবিধা একসঙ্গে এলে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কী বদল আসবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
সবচেয়ে বড় সংখ্যাটি গাছপালার। তিন পার্কে মিলিয়ে ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম রোপণ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদ, যা মাটির উপরিভাগ ঢেকে রাখে এবং ধুলা কমাতে সাহায্য করে। এত বিপুল সংখ্যক গাছ একটি এলাকার বাতাসের গুণমানে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, সেটিও ভেবে দেখার বিষয়।
গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব প্রশমন এবং বাতাসের গুণমান উন্নয়ন। এসপিএ জানিয়েছে, এই তিন পার্ক সেই লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে। রিয়াদের গ্রীষ্মে তাপমাত্রা যে পর্যায়ে ওঠে, সেখানে ছায়া ও সবুজের পরিধি বাড়ানো কেন জরুরি, তা নিয়ে সংশয় নেই।
উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ মানে শুধু গাছের সংখ্যা বাড়ানো নয়। এর সঙ্গে জড়িত থাকে মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা, ছায়ার বিস্তার এবং শহরের অভ্যন্তরে তাপমাত্রার ভারসাম্য। তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব প্রশমনের লক্ষ্যটি সরাসরি এই দিকটির সঙ্গে সম্পর্কিত। বাতাসের গুণমান উন্নয়নের লক্ষ্যটিও গাছ ও ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদের সঙ্গে যুক্ত।
রয়্যাল কমিশন ফর রিয়াদ সিটির তত্ত্বাবধানে প্রকল্পগুলো এগোচ্ছে। তত্ত্বাবধানের এই কাঠামোতে কোন কোন সংস্থা সরাসরি নির্মাণে যুক্ত, তা এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়নি। তবে পার্কগুলোর অবস্থান স্পষ্ট—আল কাদিসিয়া, আল রিমাল ও আল মুনসিয়া।
তিনটি এলাকার নাম আলাদা করে উল্লেখ করা হয়েছে, যার অর্থ প্রতিটি পার্ক আলাদা প্রকল্প হিসেবে গণ্য হচ্ছে। তিনটি প্রকল্পের কাজই ৮৫ শতাংশের বেশি এগিয়েছে। একটি প্রকল্প ৮৫ শতাংশ ছাড়ালে বাকি কাজ সাধারণত শেষ পর্যায়ের হয়ে থাকে। তবে এসপিএ প্রতিটি পার্কের আলাদা শতাংশ বা আলাদা সময়সীমা দেয়নি।
খেলার মাঠ, ফিটনেস এলাকা, পানির খেলার সুবিধা এবং সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের পথ—এই চারটি উপাদান প্রতিটি পার্কের বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবার ও শিশুদের জন্য পানির খেলার সুবিধা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা রিয়াদের গরমের প্রেক্ষাপটে স্পষ্ট। আবার সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের পথ থাকলে বিকল্প চলাচলের সুযোগ তৈরি হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে পার্কগুলোর আয়তন, বাজেট বা উদ্বোধনের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। কোন ঠিকাদার কাজ করছে, সে তথ্যও দেওয়া হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, কাজ ৮৫ শতাংশের বেশি সম্পন্ন এবং রোপণ করা হচ্ছে ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম।
গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির আওতায় শহরের বিভিন্ন অংশে সবুজায়ন চলছে। এই তিন পার্ক সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে চিহ্নিত। কর্মসূচির তিনটি লক্ষ্যের মধ্যে দুটি—তাপমাত্রা প্রশমন ও বাতাসের গুণমান—সরাসরি পরিবেশগত। তৃতীয়টি উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, যা প্রথম দুটির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
রিয়াদের আবাসিক এলাকায় পার্ক মানে শুধু বিনোদন নয়। এটি দৈনন্দিন হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও শিশুদের খেলার জায়গা। ফিটনেস এলাকা ও খেলার মাঠ সেই সুযোগ বাড়ায়। সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের পথ যুক্ত হলে বিনোদনের পরিধি আরও প্রশস্ত হয়।
৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম তিনটি পার্কে ছড়িয়ে থাকবে। সংখ্যাটি একক কোনো পার্কের জন্য নয়, তিন পার্ক মিলিয়ে। এর সঙ্গে ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদ যোগ হলে সবুজের আস্তরণ আরও ঘন হবে। এই আস্তরণ কীভাবে শহরের তাপমাত্রা ও বাতাসের গুণমানে প্রভাব ফেলবে, তা সময়ের সঙ্গে মাপা যাবে।
এসপিএ-র খবরে সময় উল্লেখ করা হয়েছে ১৩:৫৯ স্থানীয় সময়, ১০:৫৯ জিএমটি। তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৬। সংবাদটি রিয়াদ থেকে প্রকাশিত।
প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ৮৫ শতাংশের বেশি—এই তথ্যটিই প্রতিবেদনের মূল ভিত্তি। এর বাইরে পার্কগুলোর নকশা, সুবিধা ও রোপণের সংখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। গ্রিন রিয়াদের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সংযোগও স্পষ্ট করা হয়েছে।
তিনটি এলাকার পার্ক একই কর্মসূচির অংশ হলেও প্রতিটির অবস্থান আলাদা। আল কাদিসিয়া, আল রিমাল ও আল মুনসিয়া—এই তিন নামই প্রতিবেদনে আছে। কোন পার্কে কোন সুবিধা বেশি, তা আলাদা করে বলা হয়নি। সব পার্কেই চার ধরনের সুবিধার কথা সাধারণভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গাছ রোপণের সংখ্যা ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি—এটি একটি ন্যূনতম সংখ্যা, কারণ ‘বেশি’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদের সংখ্যা আলাদা করে দেওয়া হয়নি। কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হচ্ছে, তাও জানানো হয়নি।
গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির তিন লক্ষ্যের প্রতিটি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ সরাসরি গাছ রোপণের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব প্রশমন ও বাতাসের গুণমান উন্নয়ন—এই দুটি ফলাফল হিসেবে দেখা যাবে। এসপিএ বলেছে, প্রকল্পগুলো এই লক্ষ্যগুলোকে সহায়তা করছে।
রয়্যাল কমিশন ফর রিয়াদ সিটি কর্মসূচির তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে উল্লেখিত। পার্ক নির্মাণের অগ্রগতির তথ্য এই তত্ত্বাবধানের আওতায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই—প্রতিটি পার্ক কবে উদ্বোধন হবে, মোট ব্যয় কত, বা অবশিষ্ট কাজের সময়সীমা কী।
রিয়াদের বাইরে থেকে দেখলে এই প্রকল্পকে শহরের পরিবেশগত উদ্যোগের অংশ হিসেবে ধরা যায়। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদন স্থানীয় প্রেক্ষাপটেই সীমাবদ্ধ। তিনটি এলাকার নাম, চার ধরনের সুবিধা, রোপণের সংখ্যা ও অগ্রগতির হার—এই তথ্যগুলোই প্রতিবেদনের ভিত্তি।
পার্কগুলোর কাজ ৮৫ শতাংশের বেশি এগোনো মানে অবশিষ্ট কাজ ১৫ শতাংশের কম। এই পর্যায়ে সাধারণত চূড়ান্ত সাজসজ্জা ও ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি থাকে। তবে এসপিএ অবশিষ্ট কাজের বিবরণ দেয়নি। শুধু অগ্রগতির হার ও পরিকল্পনার উপাদান তুলে ধরেছে।
সবুজায়নের এই তিন প্রকল্প রিয়াদের আবাসিক এলাকার ভেতরে অবস্থিত। এলাকাগুলোর নাম থেকেই বোঝা যায়, এগুলো নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত। পার্ক শেষ হলে বাসিন্দারা হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের সুযোগ পাবেন। শিশুদের জন্য পানির খেলার সুবিধা থাকবে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে কোনও কর্মকর্তার নাম, উদ্ধৃতি বা বক্তব্য নেই। নেই কোনও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামও। শুধু প্রকল্পের অবস্থা ও পরিকল্পনার তথ্য দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের অগ্রগতি প্রতিবেদনে সাধারণত সংখ্যা ও সুবিধার তালিকাই প্রধান হয়ে ওঠে।
গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির লক্ষ্য তিনটি—উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব প্রশমন ও বাতাসের গুণমান উন্নয়ন। তিন পার্ক এই লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত। রোপণ করা ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম সেই সংযোগের বাস্তব প্রমাণ।
রিয়াদের পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের মধ্যে তাপমাত্রা ও বাতাসের গুণমান প্রধান। গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচি সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্যে এগোচ্ছে। তিন পার্কের ৮৫ শতাংশের বেশি অগ্রগতি সেই পথে একটি ধাপ। তবে এসপিএ-র প্রতিবেদনে ভবিষ্যতের কোনও সময়সীমা বা পরবর্তী পরিকল্পনার কথা বলা হয়নি।
পাঠকের কাছে এখন জানার বিষয়—পার্কগুলো চালু হলে কতটা ব্যবহারযোগ্য হবে, রক্ষণাবেক্ষণ কে করবে, এবং গাছগুলো কত দ্রুত বড় হবে। এসপিএ এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়নি। প্রতিবেদনে যা আছে, তা হলো অগ্রগতির হার, সুবিধার তালিকা, রোপণের সংখ্যা এবং কর্মসূচির লক্ষ্যের সঙ্গে সংযোগ।
তিনটি পার্ক কোথায় অবস্থিত এবং কোন কর্মসূচির অংশ? পার্ক তিনটি রিয়াদের আল কাদিসিয়া, আল রিমাল ও আল মুনসিয়া এলাকায় অবস্থিত। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, এগুলো গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির অংশ, যা রয়্যাল কমিশন ফর রিয়াদ সিটি তত্ত্বাবধান করছে। কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব প্রশমন এবং বাতাসের গুণমান উন্নয়ন।
পার্কগুলোতে কী কী সুবিধা থাকবে? এসপিএ-র তথ্য অনুযায়ী পার্কগুলোতে থাকবে খেলার মাঠ, ফিটনেস এলাকা, পানির খেলার সুবিধা এবং সাইক্লিং ও স্কেটিংয়ের পথ। এছাড়া ল্যান্ডস্কেপিংয়ের কাজে ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম রোপণ করা হচ্ছে, সঙ্গে থাকছে ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদ। প্রতিটি পার্কে কোন সুবিধা কতটা থাকবে, তা আলাদা করে বলা হয়নি।
নির্মাণকাজ কতটা এগিয়েছে? আল কাদিসিয়া, আল রিমাল ও আল মুনসিয়া এলাকার তিনটি বড় পার্কের নির্মাণ ৮৫ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২২ অক্টোবর ২০২৬-এ এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিটি পার্কের আলাদা শতাংশ বা অবশিষ্ট কাজের সময়সীমা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
কত গাছ ও গুল্ম রোপণ করা হচ্ছে? তিনটি পার্কের ল্যান্ডস্কেপিং কাজে ৫ লাখ ৮৫ হাজারের বেশি গাছ ও গুল্ম রোপণ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হচ্ছে ভূ-আচ্ছাদনকারী উদ্ভিদ। এসপিএ জানিয়েছে, এই রোপণ গ্রিন রিয়াদের উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে। কোন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হচ্ছে, তা প্রতিবেদনে বলা হয়নি।
গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির লক্ষ্যগুলো কী? গ্রিন রিয়াদ কর্মসূচির লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে উদ্ভিদ আচ্ছাদন সম্প্রসারণ, তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব প্রশমন এবং বাতাসের গুণমান উন্নয়ন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনটি পার্ক এই লক্ষ্যগুলোকে সহায়তা করছে। কর্মসূচিটি রয়্যাল কমিশন ফর রিয়াদ সিটির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে পার্কগুলোর আয়তন, বাজেট, উদ্বোধনের তারিখ বা অবশিষ্ট কাজের সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। কোন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, সে তথ্যও দেওয়া হয়নি। কোনও কর্মকর্তার নাম, উদ্ধৃতি বা বক্তব্যও প্রতিবেদনে নেই। শুধু অগ্রগতির হার, সুবিধার তালিকা ও রোপণের সংখ্যা জানানো হয়েছে।