Friday, October 23, 2026
সৌদি সংবাদ

ইয়েমেনে উপজাতীয় ও বেসামরিক সমাবেশে হামলার হুঁশিয়ারির হুথি দাবি অস্বীকার করল জোট

ইয়েমেনে উপজাতীয় ও বেসামরিক সমাবেশে হামলার হুঁশিয়ারির হুথি দাবি অস্বীকার করল জোট

ইয়েমেনে বৈধতা পুনরুদ্ধার জোটের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার এই দাবি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন যে সৌদি আরব উপজাতীয় ও বেসামরিক সমাবেশকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তিনি এই অভিযোগকে মিথ্যা ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন।

সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, রিয়াদ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আল-মালকি বলেন, এই দাবিগুলোর বিষয়বস্তু ও সময়—দুটোই জনমতকে বিভ্রান্ত করার চলমান প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। তাঁর ভাষায় এসব প্রচেষ্টার উদ্দেশ্য মিলিশিয়ার নিজস্ব সংকট ও কার্যকলাপ থেকে মনোযোগ সরানো এবং প্রকৃত ইয়েমেনি উপজাতির সদস্যদের তার সংঘাতে টেনে আনা।

জোটের মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেন, ইয়েমেনি উপজাতিরা ইয়েমেনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে। তারা ইয়েমেনের সমাজের দৃঢ় স্তম্ভ এবং সৌদি ও ইয়েমেনি জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সেতু—যা ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্য দ্বারা বাঁধা।

তিনি বলেন, এই বন্ধন এত গভীর যে অপতথ্য প্রচারণা বা বিভাজন ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টা তা ক্ষুণ্ণ করতে পারে না। প্রশ্ন হলো, মিথ্যা দাবি ছড়িয়ে কেউ কি সত্যিই দুটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন মুছে ফেলতে পারে?

আল-মালকি সৌদি আরবের ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, এই সম্পর্ক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে, উভয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের শোষিত হওয়া বা এমন সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত রাখে যা ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা, শান্তি ও উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষার পক্ষে নয়।

তাহলে প্রশ্ন ওঠে, উপজাতীয় সমাবেশ নিয়ে এমন অভিযোগ কারা সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়? আর কেন এই দাবি ঠিক এই সময়েই সামনে এল?

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে স্পষ্ট, ইয়েমেনি উপজাতিরা কোনো বাহ্যিক শক্তির হাতিয়ার নয়; বরং তারা ইয়েমেনের নিজস্ব সামাজিক ও ঐতিহাসিক বুননের অংশ। ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্য—এই চারটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে সৌদি ও ইয়েমেনি জনগণের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এই সম্পর্ককে দুর্বল করার যেকোনো চেষ্টা তাই কেবল রাজনৈতিক অভিসন্ধি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আল-মালকি আরও বলেন, এই বন্ধন অপতথ্য প্রচারণা বা বিভাজন ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টার মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হওয়ার মতো নয়। তাঁর মতে, সত্য সবসময় অপতথ্য প্রচারণার ওপর জয়ী হবে এবং দুই জনগোষ্ঠীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন বিভেদ ও বিভাজন সৃষ্টির সব প্রচেষ্টার মুখেও অটুট থাকবে।

প্রশ্ন হলো, অপতথ্যের যুগে এমন ভিত্তিহীন দাবি কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, আর সত্য উদঘাটনে সময় কতটা লাগে? জোটের পক্ষ থেকে সরাসরি অস্বীকারের পরও কি এমন দাবি নতুন করে সামনে আসতে পারে?

এসপিএ জানিয়েছে, এই বিবৃতিতে সৌদি আরবের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে—ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখা। এই সম্পর্ককে শক্তিশালী বলা হয়েছে, কারণ এটি উভয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের এমন সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রাখে যা তাদের শান্তি ও উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি ইয়েমেনি উপজাতিদের ইয়েমেনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এর অর্থ, উপজাতীয় কাঠামোকে বাইরের কোনো শক্তির সঙ্গে সংঘাতে টেনে আনার চেষ্টা ইয়েমেনের নিজস্ব সামাজিক ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, উপজাতীয় সমাবেশ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালে তার মূল্য কে দেয়?

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিলিশিয়ার দাবির বিষয়বস্তু ও সময়—দুটোই জনমত বিভ্রান্ত করার চলমান প্রচেষ্টার অংশ। এর মাধ্যমে মিলিশিয়ার নিজস্ব সংকট ও কার্যকলাপ থেকে মনোযোগ সরানোর চেষ্টা হচ্ছে এবং প্রকৃত ইয়েমেনি উপজাতির সদস্যদের তার সংঘাতে টেনে আনার চেষ্টা হচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন হলো, নিজেদের সংকট ঢাকতে বাইরের দিকে আঙুল তোলার এই কৌশল কতটা কার্যকর?

আল-মালকি বলেন, সৌদি আরব ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় অটলভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই সম্পর্ক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে, উভয় জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের শোষণ বা অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করে।

প্রশ্ন হলো, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন এত গভীর হলে তা নিয়ে সন্দেহ ছড়ানোর সুযোগ কোথায় থাকে? আর ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্য—এই চারটি ভিত্তি কি কোনো প্রচারণার মাধ্যমে নড়বড়ে করা সম্ভব?

জোটের মুখপাত্রের মতে, সত্য সবসময় অপতথ্য প্রচারণার ওপর জয়ী হবে এবং দুই জনগোষ্ঠীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন বিভেদ ও বিভাজন সৃষ্টির সব প্রচেষ্টার মুখেও শক্ত থাকবে। এই বক্তব্যে অপতথ্যের বিরুদ্ধে সত্যের জয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, অপতথ্যের বিরুদ্ধে সত্যের এই জয় নিশ্চিত করতে তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস কতটা জরুরি?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিবৃতিটি রিয়াদ থেকে ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী তা ০০:৩৯ মিনিটে এবং জিএমটি অনুযায়ী ২১:৩৯ মিনিটে নথিভুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনের শেষে সূত্র হিসেবে এসপিএ উল্লেখ করা হয়েছে।

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে ইয়েমেনি উপজাতিদের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান উঠে এসেছে—তারা ইয়েমেনের সমাজের দৃঢ় স্তম্ভ এবং সৌদি ও ইয়েমেনি জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সেতু। এই সেতুকে ভাঙার চেষ্টা তাই কেবল দুই জনগোষ্ঠীর সম্পর্কই দুর্বল করে না, বরং ইয়েমেনের নিজস্ব সামাজিক কাঠামোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রশ্ন হলো, এমন সেতু ভাঙার চেষ্টায় কে আসলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বন্ধন অপতথ্য প্রচারণা বা বিভাজন ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টার মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হওয়ার মতো নয়। এর মধ্য দিয়ে জোটের পক্ষ থেকে এটিও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উপজাতীয় ও বেসামরিক সমাবেশকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারির দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রশ্ন দাঁড়ায়, ভিত্তিহীন দাবি যারা ছড়ায়, তাদের উদ্দেশ্য কি কেবল জনমত বিভ্রান্ত করা?

সৌদি আরবের অবস্থান হিসেবে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটি ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই সম্পর্ককে শক্তিশালী বলা হয়েছে কারণ এটি উভয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের শোষণ বা অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রাখে। প্রশ্ন হলো, স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, এই সম্পর্ক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের এমন সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত রাখে যা ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা, শান্তি ও উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষার পক্ষে নয়। প্রশ্ন দাঁড়ায়, উপজাতিদের সংঘাতে টেনে আনার চেষ্টা কি ইয়েমেনি জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী নয়?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে আল-মালকির বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য, পরিসংখ্যান বা ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে এই দাবির সূত্র, সময় বা স্থান নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। শুধু জোটের সরকারি মুখপাত্রের অস্বীকার ও তার সঙ্গে যুক্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে হুথি মিলিশিয়ার দাবির বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়নি, শুধু বলা হয়েছে যে দাবিটি মিথ্যা ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এছাড়া এই দাবি কখন, কোথায় বা কীভাবে উত্থাপিত হয়েছিল, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি। প্রশ্ন দাঁড়ায়, এমন দাবির সূত্র না জানলে সত্য যাচাইয়ের দায়িত্ব কার?

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে ইয়েমেনি উপজাতিদের সঙ্গে সৌদি জনগণের সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্যকে উল্লেখ করা হয়েছে। এই চারটি দিককে সম্পর্কের মূল স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, এই স্তম্ভগুলো এত দৃঢ় হলে অপতথ্য কীভাবে তা ক্ষুণ্ণ করবে?

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সত্য সবসময় অপতথ্য প্রচারণার ওপর জয়ী হবে এবং দুই জনগোষ্ঠীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন বিভেদ ও বিভাজন সৃষ্টির সব প্রচেষ্টার মুখেও শক্ত থাকবে। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জোটের পক্ষ থেকে অপতথ্যের বিরুদ্ধে সত্যের জয়ের ওপর আস্থা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, অপতথ্যের যুগে সত্যের জয় নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ প্রয়োজন?

সৌদি আরবের ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় প্রতিশ্রুতি এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখার দৃঢ়তা—এই দুটি দিক বিবৃতিতে বারবার উঠে এসেছে। জোটের মুখপাত্রের মতে, এই সম্পর্ক উভয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের শোষণ বা অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রাখে। প্রশ্ন হলো, এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আঞ্চলিক সহযোগিতার ভূমিকা কতটা?

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিবৃতিটি রিয়াদ থেকে প্রকাশিত হয়েছে এবং স্থানীয় সময় ০০:৩৯ ও জিএমটি ২১:৩৯ মিনিটে নথিভুক্ত। প্রতিবেদনের শেষে সূত্র হিসেবে এসপিএ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো ছাড়া প্রতিবেদনে সময়, স্থান বা ঘটনার কোনো অতিরিক্ত বিবরণ নেই। প্রশ্ন দাঁড়ায়, এমন সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে কোন তথ্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে?

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে ইয়েমেনি উপজাতিদের ইয়েমেনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাদের সমাজের দৃঢ় স্তম্ভ এবং সৌদি ও ইয়েমেনি জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সেতু বলা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, উপজাতীয় কাঠামোকে সম্মান না করলে ইয়েমেনের স্থিতিশীলতা রক্ষা কি সম্ভব?

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বন্ধন অপতথ্য প্রচারণা বা বিভাজন ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টার মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হওয়ার মতো নয়। জোটের মুখপাত্রের মতে, এই বন্ধন ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্যের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। প্রশ্ন দাঁড়ায়, এই বন্ধন ভাঙার চেষ্টা কাদের স্বার্থ রক্ষা করে?

সৌদি আরবের অবস্থান হিসেবে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশটি ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই সম্পর্ককে শক্তিশালী বলা হয়েছে কারণ এটি উভয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের শোষণ বা অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়ানো থেকে বিরত রাখে। প্রশ্ন হলো, এই সম্পর্ক রক্ষায় দুই দেশের জনগণের ভূমিকা কী?

জোটের মুখপাত্রের বক্তব্যে আরও বলা হয়েছে, এই সম্পর্ক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের এমন সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত রাখে যা ইয়েমেনি জনগণের নিরাপত্তা, শান্তি ও উন্নয়নের আকাঙ্ক্ষার পক্ষে নয়। প্রশ্ন দাঁড়ায়, উপজাতিদের সংঘাতে টেনে আনার চেষ্টা কি ইয়েমেনি জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী নয়?

এসপিএ-র প্রতিবেদনে আল-মালকির বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য, পরিসংখ্যান বা ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে এই দাবির সূত্র, সময় বা স্থান নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। শুধু জোটের সরকারি মুখপাত্রের অস্বীকার ও তার সঙ্গে যুক্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।

হুথি মিলিশিয়ার দাবি সম্পর্কে জোট কী বলেছে? ইয়েমেনে বৈধতা পুনরুদ্ধার জোটের সরকারি মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার এই দাবি স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেছেন যে সৌদি আরব উপজাতীয় ও বেসামরিক সমাবেশকে লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি এই অভিযোগকে মিথ্যা ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, দাবিটির বিষয়বস্তু ও সময়—দুটোই জনমত বিভ্রান্ত করার চলমান প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

দাবিটির উদ্দেশ্য কী বলে মনে করছে জোট? আল-মালকির ভাষায়, এই দাবির বিষয়বস্তু ও সময় জনমত বিভ্রান্ত করার চলমান প্রচেষ্টারই প্রতিফলন। এসপিএ জানিয়েছে, তাঁর মতে এর উদ্দেশ্য মিলিশিয়ার নিজস্ব সংকট ও কার্যকলাপ থেকে মনোযোগ সরানো এবং প্রকৃত ইয়েমেনি উপজাতির সদস্যদের তার সংঘাতে টেনে আনা। তিনি বলেন, এই বন্ধন অপতথ্য প্রচারণা বা বিভাজন ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টার মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হওয়ার মতো নয়।

ইয়েমেনি উপজাতিদের সম্পর্কে জোটের অবস্থান কী? আল-মালকি জোর দিয়ে বলেন, ইয়েমেনি উপজাতিরা ইয়েমেনের সামাজিক ও ঐতিহাসিক কাঠামোর অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি তাদের ইয়েমেনের সমাজের দৃঢ় স্তম্ভ এবং সৌদি ও ইয়েমেনি জনগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সেতু বলে বর্ণনা করেন—যা ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্য দ্বারা বাঁধা। তাঁর মতে, এই বন্ধন অপতথ্য প্রচারণার মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হওয়ার মতো নয়।

সৌদি আরবের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কী বলা হয়েছে? আল-মালকি সৌদি আরবের ইয়েমেনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার এবং ইয়েমেনি জনগণের সঙ্গে তার ঐতিহাসিক সম্পর্ক বজায় রাখার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বলেন এই সম্পর্ক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে, উভয় জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে এবং ইয়েমেনি উপজাতিদের শোষিত হওয়া বা অপ্রয়োজনীয় সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত রাখে।

অপতথ্য নিয়ে জোটের মুখপাত্র কী বলেছেন? আল-মালকি বলেন, সত্য সবসময় অপতথ্য প্রচারণার ওপর জয়ী হবে এবং দুই জনগোষ্ঠীর ভ্রাতৃত্বের বন্ধন বিভেদ ও বিভাজন সৃষ্টির সব প্রচেষ্টার মুখেও শক্ত থাকবে। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি এই বন্ধনকে ধর্ম, প্রতিবেশী সম্পর্ক, ইতিহাস ও অভিন্ন ভাগ্যের ওপর দাঁড়ানো বলে বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, এই বন্ধন অপতথ্য প্রচারণা বা বিভাজন ও শত্রুতা সৃষ্টির চেষ্টার মাধ্যমে ক্ষুণ্ণ হওয়ার মতো নয়।

প্রতিবেদনে কী কী তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে আল-মালকির বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত কোনো তথ্য, পরিসংখ্যান বা ঘটনার বিবরণ দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে এই দাবির সূত্র, সময় বা স্থান নিয়ে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করা হয়নি। শুধু জোটের সরকারি মুখপাত্রের অস্বীকার ও তার সঙ্গে যুক্ত বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। বিবৃতিটি রিয়াদ থেকে ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত হয়েছে।