কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জানিয়েছে, গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী সালাম হুথি গোষ্ঠীর এই কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিমানবন্দরের ওপর হামলার পর সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং আকাশসীমাকে লক্ষ্য করে হুথিদের নতুন করে হুমকি দেওয়া পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে খর্ব করে। এই ধরনের আক্রমণ কি আঞ্চলিক শান্তির জন্য হুমকি নয়?
সৌদি আরবের প্রতি লেবাননের সংহতি
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম সৌদি আরব, দেশটির নেতৃত্ব এবং জনগণের প্রতি তাঁর দেশের পূর্ণ সংহতি ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, লেবানন সৌদি আরবের পাশে রয়েছে। সৌদি আরব তার জনগণ, নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে যে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন মনে করবে, লেবানন তাকে সমর্থন জানাবে। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দৃঢ় অবস্থান কি বর্তমান পরিস্থিতিতে অপরিহার্য নয়?
হতাহতদের প্রতি সমবেদনা
হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নাওয়াফ সালাম। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে সাধারণ মানুষের জীবন যেভাবে ঝুঁকির মুখে পড়ে, তা কি উদ্বেগের বিষয় নয়?
এই ঘটনার পর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বিভিন্ন দেশের ভূমিকা কেমন হবে তা এখন দেখার বিষয়। তবে লেবানন স্পষ্টভাবে সৌদি আরবের সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এই সংহতি কি ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে?
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হামলার নির্দিষ্ট ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সঠিক সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী কী নিন্দা জানিয়েছেন? লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সন্ত্রাসী হুথি মিলিশিয়ার চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি একে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সৌদি আরবের প্রতি লেবাননের অবস্থান কী? লেবানন সৌদি আরব, এর নেতৃত্ব এবং জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে। সৌদি আরব তার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় যে পদক্ষেপ নেবে, লেবানন তার পাশে থাকবে।
হুথিদের হুমকি সম্পর্কে সালাম কী বলেছেন? নাওয়াফ সালাম বলেছেন যে, সৌদি বিমানবন্দর এবং আকাশসীমাকে লক্ষ্য করে হুথিদের নতুন হুমকি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।