আল-বাহা অঞ্চলের বালজুরাশি গভর্নরেটে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার একাধিক প্রকল্প সম্পন্ন করেছে ন্যাশনাল ওয়াটার কোম্পানি (এনডব্লিউসি), যার মোট ব্যয় ২১৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল ছাড়িয়েছে। সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ ১১ অক্টোবর ২০২৬-এ জানিয়েছে, এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বায়ো-মেমব্রেন প্রযুক্তিনির্ভর একটি টারশিয়ারি বর্জ্য পানি পরিশোধন কেন্দ্র, যার মোট ধারণক্ষমতা দৈনিক ৬ হাজার ২৫০ ঘনমিটার।
এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্ক, ১৭ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ প্রধান লাইন এবং দুটি পাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কাজ অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের জন্য সেবার মান উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। এতে সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন কর্মসূচির প্রতি সমর্থন রয়েছে।
প্রকল্পের পরিধি বালজুরাশি গভর্নরেটের কয়েকটি জেলা ও গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে আল-সালাম, আল-খালিজ, আল-মারওয়া ও আল-রাইদ জেলা, পাশাপাশি আল-তালকিয়া, আল-আতাশিন, আল-আসলাহ, আল-মুহাম্মাদিয়া, আল-জালহিয়া, আল-শাতিবা ও আল-হেসন গ্রামের কিছু অংশ। এসব এলাকার বাসিন্দারা কীভাবে এই নতুন সেবার সুবিধা পাবেন, তা নিয়েই এখন সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠছে।
এনডব্লিউসি বলেছে, প্রকল্পগুলো স্যানিটেশন সেবার কভারেজ বিস্তৃত করবে, ব্যবস্থার দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াবে এবং গভর্নরেটে পরিবেশগত টেকসইতা উন্নীত করবে। ২১৪ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি ব্যয়ের এই কাজ শেষ হওয়ার পর স্থানীয় পর্যায়ে পয়ঃনিষ্কাশন সেবার চিত্র কতটা বদলাবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
কোম্পানি তার গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন বালজুরাশি গভর্নরেটের সেবা-covered জেলা ও গ্রামগুলোতে এনডব্লিউসির সেবা ব্যবহার করেন এবং ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে আবাসিক পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগের আবেদন করেন। এর জন্য এনডব্লিউসির স্মার্টফোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে। ডিজিটাল আবেদন প্রক্রিয়াটি কতটা সহজ হবে, তা নিয়েও গ্রাহকদের আগ্রহ রয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব প্রকল্প সৌদি ভিশন ২০৩০ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। অবকাঠামো খাতে এ ধরনের বিনিয়োগ আঞ্চলিক উন্নয়নে কী ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে আল-বাহা অঞ্চলে আলোচনা চলছে।
বালজুরাশি গভর্নরেট আল-বাহা অঞ্চলের অংশ। অঞ্চলটির বিভিন্ন জেলা ও গ্রামে পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের এই উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কী পরিবর্তন আনবে, সেটিই এখন মূল প্রশ্ন। এনডব্লিউসি জানিয়েছে, প্রকল্পের সুবিধা স্যানিটেশন সেবার কভারেজ বাড়ানো, ব্যবস্থার দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতা উন্নয়ন এবং পরিবেশগত টেকসইতা—এই তিন দিকেই প্রতিফলিত হবে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিশোধন কেন্দ্রে বায়ো-মেমব্রেন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর ধারণক্ষমতা দৈনিক ৬ হাজার ২৫০ ঘনমিটার। ৪৬ কিলোমিটার পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্ক ও ১৭ কিলোমিটারের বেশি প্রধান লাইন এবং দুটি পাম্পিং স্টেশন এই ব্যবস্থার মূল অবকাঠামো। এসব সংখ্যা স্থানীয় সেবার পরিধি কতটা বাড়াবে, তা বোঝার একটি সূচক।
এনডব্লিউসি গ্রাহকদের ডিজিটাল চ্যানেলে আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে। অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবাসিক সংযোগের অনুরোধ করা যাবে। সেবা-covered এলাকার বাসিন্দারা কত দ্রুত সংযোগ পাবেন, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন রয়েছে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রকল্পের মোট ব্যয় ২১৪ মিলিয়ন রিয়ালের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট সমাপ্তির তারিখ, সংযোগের সংখ্যা বা ভবিষ্যতে আরও কোনো সম্প্রসারণ পরিকল্পনার কথা বলা হয়নি। এসব তথ্য বিজ্ঞপ্তিতে অনুপস্থিত।
বালজুরাশিতে কী কী পয়ঃনিষ্কাশন অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে? এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে বায়ো-মেমব্রেন প্রযুক্তিনির্ভর একটি টারশিয়ারি বর্জ্য পানি পরিশোধন কেন্দ্র, যার ধারণক্ষমতা দৈনিক ৬ হাজার ২৫০ ঘনমিটার। এছাড়া প্রায় ৪৬ কিলোমিটার পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্ক, ১৭ কিলোমিটারের বেশি প্রধান লাইন এবং দুটি পাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। মোট ব্যয় ২১৪ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল ছাড়িয়েছে।
প্রকল্পের আওতায় কোন কোন জেলা ও গ্রাম রয়েছে? এসপিএ অনুযায়ী, প্রকল্পের পরিধি বালজুরাশি গভর্নরেটের আল-সালাম, আল-খালিজ, আল-মারওয়া ও আল-রাইদ জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি আল-তালকিয়া, আল-আতাশিন, আল-আসলাহ, আল-মুহাম্মাদিয়া, আল-জালহিয়া, আল-শাতিবা ও আল-হেসন গ্রামের কিছু অংশও এর অন্তর্ভুক্ত। এসব এলাকা আল-বাহা অঞ্চলে অবস্থিত।
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী? এনডব্লিউসি বলেছে, প্রকল্পগুলো স্যানিটেশন সেবার কভারেজ বিস্তৃত করবে, ব্যবস্থার দক্ষতা ও নির্ভরযোগ্যতা বাড়াবে এবং গভর্নরেটে পরিবেশগত টেকসইতা উন্নীত করবে। এসপিএ জানিয়েছে, এসব কাজ কোম্পানির অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি ও সেবাগ্রহীতাদের সেবার মান উন্নয়নের প্রচেষ্টার অংশ এবং সৌদি ভিশন ২০৩০ ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন কর্মসূচির লক্ষ্যকে সমর্থন করে।
গ্রাহকরা কীভাবে পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগের আবেদন করতে পারবেন? এনডব্লিউসি তার গ্রাহকদের আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন বালজুরাশি গভর্নরেটের সেবা-covered জেলা ও গ্রামগুলোতে কোম্পানির সেবা ব্যবহার করেন এবং ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে আবাসিক পয়ঃনিষ্কাশন সংযোগের আবেদন করেন। এর জন্য এনডব্লিউসির স্মার্টফোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে আবেদন প্রক্রিয়ার সময়সীমা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি।
প্রকল্পটি সৌদি ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে কীভাবে সম্পর্কিত? এসপিএ জানিয়েছে, প্রকল্পগুলো সৌদি ভিশন ২০৩০-এর লক্ষ্য এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন কর্মসূচির প্রতি সমর্থন করে। এনডব্লিউসির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব কাজ অবকাঠামো উন্নয়ন, ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের সেবার মান উন্নয়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। প্রতিবেদনে ভিশন ২০৩০-এর নির্দিষ্ট কোনো সূচক বা লক্ষ্যমাত্রার উল্লেখ নেই।
প্রতিবেদনে কোন তথ্য অনুপস্থিত? এসপিএ-র প্রতিবেদনে প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট সমাপ্তির তারিখ, নতুন সংযোগের সংখ্যা বা ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণ পরিকল্পনার কথা বলা হয়নি। এছাড়া পরিশোধন কেন্দ্রের উৎপাদিত পানির পুনর্ব্যবহার, প্রকল্প বাস্তবায়নের ঠিকাদার বা সময়সূচি সম্পর্কেও কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রতিবেদনে শুধু ব্যয়, ধারণক্ষমতা, নেটওয়ার্কের দৈর্ঘ্য ও সেবা-covered এলাকার বিবরণ রয়েছে।