কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মিলিশিয়ার হামলার ঘটনায় উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) মহাসচিব জাসেম আলবুদাইউই তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। রিয়াদের এই বিমানবন্দরকে বারবার লক্ষ্যবস্তু বানানোর ঘটনাকে তিনি অপরাধমূলক কাজ বলে অভিহিত করেছেন, যা নিরীহ মানুষকে ভয় দেখানো এবং যাত্রী ও বিমানবন্দর কর্মীদের জীবন বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
সৌদি সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, আলবুদাইউই বলেছেন, এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
জিসিসি মহাসচিব সতর্ক করেছেন, এসব হামলা একটি গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনা, যা বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। তিনি বলেন, এই ধরনের হামলা প্রতিরোধ ও পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি সৌদি আরবের প্রতি জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবিচল সংহতি এবং দেশটির নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা সুরক্ষায় গৃহীত সব পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেছেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা জিসিসি-র সব সদস্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
আলবুদাইউই উল্লেখ করেছেন, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার ঘটনায় বিমানবন্দরে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সৌদি আরবের রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দর হিসেবে পরিচিত।
জিসিসি মহাসচিবের এই নিন্দা এমন সময়ে এলো যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু বানানোর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
আলবুদাইউইর বক্তব্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান স্পষ্ট, যাতে এই ধরনের হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
এসপিএ-র প্রতিবেদনে হামলার সময়, স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
হুথি হামলার ঘটনায় জিসিসি মহাসচিব কী বলেছেন? জিসিসি মহাসচিব জাসেম আলবুদাইউই বলেছেন, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মিলিশিয়ার হামলা একটি অপরাধমূলক কাজ, যা নিরীহ মানুষকে ভয় দেখানো এবং যাত্রী ও বিমানবন্দর কর্মীদের জীবন বিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত। তিনি বলেছেন, এই ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি এই হামলাকে গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
আলবুদাইউই কী ধরনের পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন? আলবুদাইউই সতর্ক করেছেন, এই হামলা বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং কঠোর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, এই ধরনের হামলা প্রতিরোধ ও পুনরাবৃত্তি রোধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি এই হামলাকে গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সৌদি আরবের প্রতি জিসিসি-র অবস্থান কী? আলবুদাইউই সৌদি আরবের প্রতি জিসিসি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবিচল সংহতি এবং দেশটির নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তা সুরক্ষায় গৃহীত সব পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, সৌদি আরবের নিরাপত্তা জিসিসি-র সব সদস্য রাষ্ট্রের নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এসপিএ জানিয়েছে, তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করে।
হামলার ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া গেছে? এসপিএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার ঘটনায় বিমানবন্দরে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে হামলার সময়, স্থান বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও দেওয়া হয়নি। জিসিসি মহাসচিবের নিন্দা এমন সময়ে এলো যখন উপসাগরীয় অঞ্চলে বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু বানানোর ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।